সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৫ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৬১%বাতাস ১২ কিমি/ঘ

শখ থেকে শুরু, এখন কবুতরেই চলে ইয়ামিনের পড়াশোনার খরচ

শখের বসে হাট থেকে দুই জোড়া কবুতর কিনে পালন শুরু করেন মো. ইয়ামিন (২২) নামে ভোলার এক শিক্ষার্থী। এরপর থেকেই বাড়তে থাকে তার কবুতরের সংখ্যা। প্রতি মাসেই কবুতরের বাচ্চা বিক্রি করেন তিনি। এই কবুতর বিক্রির টাকায়ই চলে ইয়ামিনের পড়াশোনা ও নিজের হাতখরচ।

শখের বসে হাট থেকে দুই জোড়া কবুতর কিনে পালন শুরু করেন মো. ইয়ামিন (২২) নামে ভোলার এক শিক্ষার্থী। এরপর থেকেই বাড়তে থাকে তার কবুতরের সংখ্যা। প্রতি মাসেই কবুতরের বাচ্চা বিক্রি করেন তিনি। এই কবুতর বিক্রির টাকায়ই চলে ইয়ামিনের পড়াশোনা ও নিজের হাতখরচ।

মো. ইয়ামিন ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের তুলাতুলি গ্রামের সৈয়দ আহমেদ হাওলাদার বাড়ির মো. ইউনুছ হাওলাদারের ছেলে। তিনি ভোলা সদরের পরানগঞ্জ এলাকার নাজিউর রহমান ডিগ্রি কলেজের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

ইয়ামিনের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, বসতঘরের পাশে ইয়ামিন ঘর তুলে দিয়েছেন কবুতরের জন্য। সকাল হলেই ঘর থেকে বের হয়ে তার বসতঘরের পাশে বিভিন্ন গাছের ডালে অবস্থান নেয় কবুতরগুলো। ইয়ামিন বাটিতে খাবার নিয়ে উঠানে দাঁড়ালেই ছুটে আসে তারা। এরপর উঠানে খাবার ছিটিয়ে দেন ইয়ামিন। খাওয়া শেষে কবুতরগুলো চলে যায় বিভিন্ন স্থানে। আবার সন্ধ্যার অন্ধকার ঘনিয়ে আসলেই কবুতরগুলো ঘরে ফিরে আসে।

মো. ইয়ামিন জাগো নিউজকে জানান, কবুতর পালনের খুবই শখ ছিল তার। বেশ কয়েক বছর আগে বাবার সঙ্গে স্থানীয় হাটে গিয়ে দুই জোড়া কবুতর কিনে পালন শুরু করেন তিনি। ওই কবুতর থেকেই বাড়তে থাকে কবুতরের সংখ্যা। বর্তমানে তার কাছে বাংলা কবুতর, রেচার কবুতর, হোমা কবুতর, কিং কবুতর, কাকজি কবুতর ও বোম্বাই কবুতর রয়েছে। প্রতিমাসেই কবুতরের বাচ্চা বিক্রি করেন তিনি।

বছরে প্রায় ১০০ জোড়ার অধিক কবুতরের বাচ্চা বিক্রি করেন তিনি। প্রতি জোড়া কবুতর ৩০০ থেকে প্রায় ১ হাজার টাকায় পর্যন্ত বিক্রি করেন। কবুতর বিক্রির টাকা দিয়েই কবুতরের খাবার, নিজের পড়াশুনা ও হাতখরচ চালান বলেও জানান ইয়ামিন।

ইয়ামিন আরও জানান, তার কবুতরগুলোকে তিনি চাল, চালের খুদ, ধান, সরিষা, গম, ভুট্টাসহ বিভিন্ন খাবার খাওয়ান। কবুতর পালনে তাকে বাবা-মাসহ পরিবারের সবাই উৎসাহ দেন। পড়াশুনা শেষে যদি ভালো কোনো সরকারি চাকরি না হয় তাহলে তিনি কবুতরের বড় করে খামার করবেন। আর একজন বড় উদ্যোক্তা হবেন। বেকার যুবকরা যদি মোটামুটি বড় পরিসরে কবুতরের খামার করতে পারেন তাহলে মাসে ১ থেকে দেড় লাখ টাকা বা তারও বেশি আয় করা সম্ভব।

ইয়ামিনের বাবা মো. ইউনুছ হাওলাদার জানান, তার ছেলের শখ ছিল কবুতর পালনের। তাই তাকে দুই জোড়া কবুতর কিনে দেন তিনি। এখন ইয়ামিনের অনেক কবুতর রয়েছে। স্থানীয়রা ইয়ামিনের কবুতর দেখতে বাড়িতে আসেন।

তিনি আরও জানান, ইয়ামিন তার কবুতর বিক্রির টাকা দিয়ে কবুতরের জন্য ঘর তুলেছে। সে নিজের পড়াশুনা, কবুতরের খাবার ও নিজের হাতখরচও কবুতর বিক্রির টাকা দিয়ে করে।

ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খান জানান, ইয়ামিনের মতো অনেক শিক্ষার্থী রয়েছে যারা শখের বসে কবুতর পালন শুরু করে এখন বাণিজ্যিকভাবে কবুতরের খামার করেছেন। এছাড়াও ভোলা জেলায় অনেক যুবক রয়েছেন যারা কবুতরের খামার করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন। সকলকেই আমরা সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে আসছি।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

দুই ছাগল থেকে ১৮টির খামার: হাত না পেতে স্বাবলম্বী উল্লাপাড়ার স্বপ্না

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় রেলের জমিতে থাকা ভূমিহীন তৃতীয় লিঙ্গের স্বপ্না বাবার কিনে দেওয়া দুটি ছাগল থেকে খামার গড়েছেন; গত বছর ১০টি ছাগল বিক্রি করেছেন ৭ লাখ ১০ হাজার টাকায়।

কৃষি সময়৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

জিন বিশ্লেষণ প্রযুক্তিতে স্ক্রুওয়ার্ম ঠেকানোর চেষ্টা, হাজারো নমুনা পরীক্ষা হবে টেক্সাসে

প্রায় ৪০ লাখ ডলারের গবেষণায় ওষুধ প্রতিরোধের জিনগত চিহ্ন খোঁজা হবে; হন্ডুরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে নেওয়া হবে নমুনা।

Farms.com৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

বুনো শূকরের ক্ষতি ঠেকাতে ১৩ অঙ্গরাজ্যে ৫ কোটি ১৯ লাখ ডলার দিচ্ছে মার্কিন কৃষি বিভাগ

২৯টি প্রকল্পে ফাঁদ পাতা, ক্ষতিগ্রস্ত জমি পুনরুদ্ধার ও প্রশিক্ষণে অর্থ যাবে; লুইজিয়ানার এক প্রকল্পই ১ কোটি ৬৬ লাখ একর জুড়ে।

DTN / Progressive Farmer৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)