গবাদিপশুর ক্ষতস্থানে ডিম পাড়া ভয়ংকর পরজীবী মাছি নিউ ওয়ার্ল্ড স্ক্রুওয়ার্মের জিন বিশ্লেষণে নামছে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস এএন্ডএম বিশ্ববিদ্যালয়। ইউএসডিএর নিউ ওয়ার্ল্ড স্ক্রুওয়ার্ম গ্র্যান্ড চ্যালেঞ্জ থেকে তারা পেয়েছে প্রায় ৪০ লাখ ডলার। ফার্মস ডট কম জানিয়েছে, দুই বছরের এই গবেষণা হতে পারে এই পরজীবী নিয়ে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় জিনগত কাজ।
এই মাছির লার্ভা ক্ষতে ঢুকে জীবন্ত টিস্যু খায়, দ্রুত চিকিৎসা না হলে পশু মারা যেতে পারে। গরু সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়, তবে ঘোড়া, ভেড়া, ছাগল, শূকর, বন্য প্রাণী, এমনকি মানুষও বাদ যায় না। পরজীবীবিদ ড. গিলহের্মে ভেরোকাই (Guilherme Verocai) বলেন, উষ্ণ রক্তের প্রায় যেকোনো প্রাণীকেই এটি আক্রমণ করে।
কয়েক দশক আগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এটি নির্মূল হয়েছিল। মধ্য আমেরিকা ও মেক্সিকোয় নতুন প্রাদুর্ভাবের পর ২০২৬ সালে আবার যুক্তরাষ্ট্রে এর সংক্রমণ পাওয়া গেছে।
গবেষকেরা হন্ডুরাসের প্রাদুর্ভাবে সংগ্রহ করা হাজারো নমুনার প্রায় পুরো জিনগত গঠন বিশ্লেষণ করবেন। আগের গবেষণাগুলো দেখেছিল মাত্র কয়েকটি জিন। এত তথ্য সামলাতে লাগবে উচ্চক্ষমতার কম্পিউটার।
একটি বড় লক্ষ্য ওষুধ প্রতিরোধের জিনগত চিহ্ন খুঁজে বের করা, কারণ দক্ষিণ আমেরিকার কিছু এলাকায় প্রতিরোধী স্ক্রুওয়ার্মের খবর মিলেছে। এ থেকে প্রতিরোধী পরজীবী শনাক্তের আণবিক পরীক্ষা তৈরি হতে পারে।
জিনগত তথ্য থেকে বোঝা যাবে কোন অঞ্চলের পরজীবীর সঙ্গে কোনটির সম্পর্ক এবং প্রাদুর্ভাব কোথা থেকে শুরু হয়। ফলে নতুন সংক্রমণে দ্রুত সাড়া দেওয়া সহজ হবে। তৈরি হওয়া তথ্যভান্ডার যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্য আমেরিকার গবেষকদের সঙ্গে ভাগ করা হবে।
ছবি: Astridlorena / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)
সূত্র: Farms.com




মন্তব্য
(০)