এগ্রোবিজকলাগাছের বাকল আর কচুরিপানায় সুতা, সুবর্ণচরের শংকরের আয় মাসে লাখ টাকা
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে উঠানে মেশিন বসিয়ে দিনে ১০ কেজির বেশি কলাগাছের সুতা তৈরি করছেন শংকর চন্দ্র মজুমদার। প্রতি কেজি সুতা বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকায়, কাজ করছেন ১৫ জন শ্রমিক।
এগ্রোবিজনোয়াখালীর সুবর্ণচরে উঠানে মেশিন বসিয়ে দিনে ১০ কেজির বেশি কলাগাছের সুতা তৈরি করছেন শংকর চন্দ্র মজুমদার। প্রতি কেজি সুতা বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকায়, কাজ করছেন ১৫ জন শ্রমিক।
ছাদকৃষিকরোনাকালে শখের ছাদবাগান থেকে শুরু; এখন মাসে পাঁচ হাজার টাকায় ভাড়া নেওয়া ছাদে কাটিং থেকে চারা তৈরি করে অনলাইনে মাসে প্রায় দুই লাখ টাকার শৌখিন গাছ বিক্রি করেন ইয়াসমিন খান।
ফল২০২২ সালে শখের বশে ১০টি খেজুরের বীজ লাগিয়েছিলেন আটঘরিয়ার সাইফুদ্দিন হিরু। তিন বছরে বাগানে এখন প্রায় ১৫০টি মরিয়ম ও আজওয়া জাতের গাছ, কয়েকটিতে ফলও এসেছে।
ফলগাজীপুরের কাপাসিয়ায় বর্গা জমিতে মালচিং করে রক মেলন বা সাম্মাম চাষ করেছেন কামরুজ্জামান খান; প্রায় ৪ লাখ টাকা খরচে প্রথম দফায় বিক্রি ৫০ হাজার টাকা।
এগ্রোটেকচাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটের মাইনুল ইসলাম, মিঠুন ও মাসুম ফেলে দেওয়া আমের খোসা রোদে শুকিয়ে ও নিজেদের তৈরি হিটার মেশিনে প্রক্রিয়া করে 'ম্যাংগো পিল টি' বানাচ্ছেন, কেজি বিক্রি হচ্ছে দুই থেকে চার হাজার টাকায়।
লাইভস্টকনওগাঁ সদরের গয়েরপাড়ার বেকার যুবক শাহিন চার মাস আগে ৭০০ হাঁস কিনে বিলের উন্মুক্ত জলাশয়ে পালন শুরু করেন; এখন দিনে অন্তত ৫০০ ডিম আসে, খরচ বাদে দৈনিক নিট লাভ প্রায় ৫ হাজার ২৫০ টাকা।
লাইভস্টকহাঁসের খামারে লোকসানের পর পাবনার আটঘরিয়ার শিমুল হোসেন ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাইয়ের লার্ভা উৎপাদন শুরু করেন; এখন তাঁর পাঁচটি খামারে কাজ করেন ১৭ জন।
মৎস্য২০২০ সালে ৫০০ টাকায় ১০টি রঙিন মাছ কিনে শুরু; এখন উঠানের ৩৬টি পাকা চৌবাচ্চায় ৩০ প্রজাতির রঙিন মাছ, ফেসবুক পেজে সারা দেশে বিক্রি, মাসে আয় প্রায় ৪০ হাজার টাকা।
কৃষি উদ্যোক্তাদের ঋণ সুবিধা আরও সহজ করার দাবি জানিয়েছেন কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ উদ্যোক্তারা। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন অর্থায়ন সুবিধা ও তহবিল উদ্যোক্তাদের কাছে যথাযথভাবে পৌঁছাচ্ছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে।
দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার মাদরাসাছাত্র মিনহাজ উদ্দিন। এই বয়সে অন্যান্য ছেলেরা যখন শুধু পড়াশোনা নিয়েই ব্যস্ত, তখন একজন উদ্যোক্তা বনে গেছেন তিনি। চাষ করছেন রঙিন তরমুজ। এতে বেশ সাড়াও পেয়েছেন তিনি। তার উৎপাদিত রঙিন তরমুজ এখন তিন জেলার বিভিন্ন সুপারশপে বিক্রি হচ্ছে। এসব তরমুজ স্বাদে-গন্ধে অনন্য হওয়ায় দ
শখ থেকে শুরু করে। প্রবল ইচ্ছাশক্তি আর বৃক্ষপ্রেমকে পুঁজি করে সফল উদ্যোক্তা হয়ে উঠেছেন নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার আতিফা নাসরিন রাখি। মাত্র এক হাজার টাকার ক্যাকটাস দিয়ে পথচলা শুরু করা তার 'প্লান্টোলজি' নার্সারিতে এখন স্থান পেয়েছে হাজার প্রজাতির দেশি-বিদেশি উদ্ভিদ। বাণিজ্যিক রূপ নেওয়া এই নার্সারি থেকে বর
ফলঢাকার কারওয়ান বাজারে প্রতিদিন আসা ৮ থেকে ১০ টন জামের মধ্যে প্রায় ২ টন থেকে রস বের করা হয়, যা ব্যবসায়ীদের ভাষ্যে জুস প্রস্তুতকারী ও রপ্তানিকারকের কাছে যায়; ফেলে দেওয়া বিচিও এখন গুঁড়া করে বিক্রি হয়।
শাকসবজি২০০৩ সালে দুই সন্তান নিয়ে বাবার বাড়িতে ফেরা শিরিন আক্তার পানের দোকান থেকে শুরু করে এখন বগুড়ার মহাস্থানহাট থেকে মৌসুমে দিনে ৫ থেকে ৮ টন মিষ্টি কুমড়া বিভিন্ন জেলায় পাঠান।