বাংলাদেশবায়োগ্যাস প্লান্টে বেকারদের কর্মসংস্থান
ড. ফোরকান আলী
বাংলাদেশড. ফোরকান আলী
লাইভস্টকমায়ের নির্দেশে ১৪ হাজার ৬শ টাকা দিয়ে একটি গরু কেনেন। সেই এক গরু থেকে এখন শতাধিক গরুর মালিক তিনি। প্রতিদিন তার খামারে ৪৫০ থেকে ৫০০ লিটার দুধ উৎপাদন হয়। দুধ ও গরুর বাছুর বিক্রি করে প্রতিবছর আয় করেছেন লাখ লাখ টাকা। গরু থেকে দুধ সংগ্রহের পাশাপাশি গোবর থেকে বায়োগ্যাস, কেঁচো কম্পোস্ট জৈব সার ও ট্রাইকো ডার
লাইভস্টক'নিজেদের গরুর গোবর ড্রামের মধ্যে রেখে জৈব সার তৈরি করতাম। স্বামীর অজান্তে নিজেদের ফসলের জমিতে সেই সার ছড়িয়ে দিয়ে আসতাম। যখন পাশের জমি ছাড়া আমাদের ফসলের গাছ দেখতে সবুজ ও সতেজ হতো তখন সবাই আমার স্বামীর কাছে জানতে চাইত কী বীজ ও সার ব্যবহার করে। কিন্তু আমার স্বামী তাদের বলতো, তোমরা যা দিয়েছ, আমিওতো তাই
লাইভস্টকনাম সাহিদা বেগম। বয়স ৪৪ বছর। একজন পুরোদস্তুর কৃষক। ফরিদপুর পৌরসভার গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা সাহিদা বেগম শুধু একজন সফল কৃষকই নন, তিনি দেশসেরা কৃষক। ফরিদপুর ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জায়গায় উন্নত জাতের পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন করে পরিচিতি পেয়েছেন। নারী কৃষক সাহিদা বেগম ২০২১ সালে এআইপি হয়েছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের
লাইভস্টকখাঁচার মধ্যে কিলবিল করছে অসংখ্য ইঁদুর। দেখলে মনে হবে, এ যেন ইঁদুরের সাম্রাজ্য। প্রশিক্ষণ ছাড়াই গুগল আর ইউটিউব দেখে সুইজারল্যান্ডের জনপ্রিয় ইঁদুরের জাত সুইস অ্যালবিনো পালন করে স্বাবলম্বী হয়েছেন লাবনী আক্তার। এই গৃহবধূর শুরুটা চারটি ইঁদুর নিয়ে শখের বশে হলেও এখন তার খামারে প্রায় ৪০০টি ইঁদুর। প্রতি মাসে
ফসলচট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার প্রথম মাশরুম চাষি আবুল কাশেম। ভিডিও দেখে মাশরুম চাষে স্বাবলম্বী হয়েছেন। এ জনপদে নতুন কেউ মাশরুম চাষে উদ্ধুদ্ধ হলে তার থেকেই পরামর্শ ও সহযোগিতা নেন। তিনি হাতেকলমে প্রাথমিক প্রশিক্ষণও দেন। ষাটোর্ধ্ব আবুল কাশেম মিরসরাই উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নের পূর্ব হিঙ্গুলী গ্রামের বাসিন্দ
এগ্রোবিজদেশের দক্ষিণাঞ্চলে মাংস রান্নার ঐতিহ্যবাহী উপকরণ চুইঝাল। মসলাজাতীয় এই পণ্য রাজধানীসহ সারাদেশে ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। চাহিদা বাড়ায় চুইঝালের বাণিজ্যিক চাষে যুক্ত হচ্ছেন অনেক উদ্যোক্তা। যশোর জেলার মনিরামপুরের ইফেতেখার সেলিম অগ্নি তাদেরই একজন। চুইঝাল উৎপাদন এবং এটিকে জনপ্রিয় করতে নিয়েছেন নান
ফলজেসমিন আরার শখ গাছ লাগানো। এই ভালো লাগা সৃষ্টি হয়েছে বাবাকে দেখে। জেসমিন যখন খুব ছোট; তখন থেকেই বাবাকে বাড়ির আঙিনায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগাতে দেখতেন। বাবা গড়ে তুলেছিলেন আম বাগান। নিজেও একদিন মস্ত বড় বাগান গড়বেন, সেই স্বপ্ন ছিল জেসমিনের। নিজের শ্রম আর চেষ্টায় সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিয়েছে। গড়ে তুলে
শাকসবজিচট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলায় কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। বিদেশি 'রোভাস্টা জাতের' কফির প্রথম চাষেই চমকে দিয়েছেন চাষিরা। পরীক্ষামূলকভাবে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ৯ হেক্টর পাহাড়ি ভূমিতে কফির আবাদ হয়েছে এবার। বাগানের প্রতিটি গাছেই কফির কমবেশি ফলন হয়েছে। গাছে গাছে লাল-বাদামি ও সবুজ রঙের এসব কফি দেখে
শাকসবজিশিক্ষকতা পেশা ছেড়েও সফল কৃষকের খ্যাতি পেয়েছেন টাঙ্গাইলের মো. ছানোয়ার হোসেন (৫০)। কলা, আনারস, ভুট্টা, পেঁপে, ড্রাগন ফল ও পেয়ারাসহ বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজির পর এবার কফি চাষেও সফল হয়েছেন তিনি। গড়ে প্রতি বছর প্রায় ১ টন কফি উৎপাদন করছেন কফি চাষি ছানোয়ার।
পরিবেশ• ৩ বছর পর প্রতি গাছে ফল ধরে ৬-৭ কেজি• প্রতি কেজি কফির দাম ৮০-১০০ টাকা• প্রতি একরে গাছ লাগানো যায় ৬০০-৭০০টি• বছরে ৬০০ গাছ থেকে উৎপাদন ৩-৫ হাজার কেজি• বছরে ১ একর জমি থেকে আয় ৩-৫ লাখ টাকা
ছাদকৃষিবিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় বারবার উঠে আসছে রাজধানী ঢাকার নাম। অপরিকল্পিত নগরায়নে নিয়মিত গাছপালা নিধন ও জলাশয় ভরাট হওয়ায় বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ছে ঢাকা মহানগর। এই অস্বাস্থ্যকর নগরেই একটু স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে ছাদকৃষি অনুশীলনে যুক্ত হচ্ছেন উদ্যোক্তারা।
ফলএকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে অনার্স-মাস্টার্স শেষ করেছেন। উচ্চশিক্ষা শেষে ছোটেননি চাকরির পেছনে। নিজেই গড়ে তুলেছেন ১২ একর জমিতে বিশাল এক আমবাগান। শুধু যে নিজেই স্বাবলম্বী হয়েছেন তা কিন্তু নয়, বেকার যুবকদের নিজ বাগানে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন।