ফেলে দেওয়া কলাগাছের বাকল আর কচুরিপানা থেকে সুতা তৈরি করে স্বাবলম্বী হয়েছেন নোয়াখালীর সুবর্ণচরের উদ্যোক্তা শংকর চন্দ্র মজুমদার। বাড়ির উঠানে মেশিন বসিয়ে তিনি প্রতিদিন ১০ কেজির বেশি সুতা উৎপাদন করছেন, আর তাতে মাসে আয় করছেন অন্তত এক লাখ টাকা।
৪১ বছর বয়সী শংকর একসময় বেকার ছিলেন। ইউটিউবে কলাগাছ ও কচুরিপানা থেকে সুতা তৈরির পদ্ধতি দেখে তিনি নিজেই কাজটি শুরু করেন। এখন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁর উদ্যোগে কাজ করছেন ১৫ জন শ্রমিক।
সুতা পরিষ্কার করে শুকানোর পর প্রতি কেজি ৫০০ টাকা দরে গাজীপুরের বিভিন্ন কারখানায় বিক্রি করেন শংকর। সুতা ছাড়ানোর পর কলাগাছের যে অংশ থাকে, তাও বিক্রি হয় প্রতি কেজি ৪০ টাকায়।
তাঁর সুতা দিয়ে পোশাক, টি-শার্ট, প্যান্ট, অন্তর্বাস ও ব্যাগসহ নানা পণ্য তৈরি হচ্ছে। কচুরিপানা দিয়ে তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন হস্তশিল্পপণ্য।
সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকিব ওসমান উদ্যোগটিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, সুযোগ থাকলে সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোক্তাকে সহযোগিতা করা হবে।
কলা চাষের পর গাছ সাধারণত ফেলে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি ও বাজারসুবিধা পেলে এমন অবহেলিত সম্পদ গ্রামে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে। এগ্রিকেয়ার২৪ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ প্রতিদিনের বরাতে।
ছবি: কলাগাছ থেকে ছাড়ানো আঁশ, Fridah Kaguri / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: এগ্রিকেয়ার২৪



মন্তব্য
(০)