পেরুতে উদ্ভাবিত দুটি নতুন আলুর জাতে আয়রনের জৈব প্রাপ্যতা, অর্থাৎ শরীর কতটা আয়রন শোষণ করতে পারে, তা প্রতিষ্ঠার কাজের জন্য বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার ফাউন্ডেশনের টপ অ্যাগ্রিকালচার পায়োনিয়ার পুরস্কার পেয়েছেন আন্তর্জাতিক আলু কেন্দ্রের (সিআইপি) বিজ্ঞানী গাব্রিয়েলা বুরগোস (Gabriela Burgos)।
আয়রনের ঘাটতি রক্তস্বল্পতার প্রধান কারণগুলোর একটি; লাখো মানুষ, বিশেষ করে নারী ও শিশু এতে ভোগে, ক্লান্তি আসে, শেখার ক্ষমতা ও কর্মক্ষমতা কমে। বুরগোসের গবেষণা একটি মৌলিক প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে: আলুতে বেশি আয়রন থাকাই যথেষ্ট নয়, শরীরকে তা শোষণ করে কাজে লাগাতে পারতে হবে। তাঁর কাজই প্রমাণ দিয়েছে যে জৈব সমৃদ্ধ আলু আয়রনের ঘাটতি কমাতে কাজে আসতে পারে।
প্রচলিত ফোর্টিফিকেশনে প্রক্রিয়াজাতের সময় খাবারে পুষ্টি যোগ করা হয়, আর জৈব সমৃদ্ধকরণে (বায়োফোর্টিফিকেশন) প্রজননের মাধ্যমেই ফসলের পুষ্টিমান বাড়ানো হয়। সিআইপি বলছে, আন্দিজ অঞ্চলে এই পদ্ধতি বিশেষভাবে উপযোগী, কারণ সেখানে খাদ্য, কৃষি ও সংস্কৃতির কেন্দ্রে আলু; পরিবারকে খাদ্যাভ্যাস বদলাতে হয় না, চেনা খাবারটিই আরও পুষ্টিকর হয়।
দাবির ব্যাপারে সিআইপি সতর্ক: এই আলু রক্তস্বল্পতার নিরাময় নয়, তবে বৈচিত্র্যময় খাদ্য আর বৃহত্তর জনস্বাস্থ্য উদ্যোগের অংশ হিসেবে আয়রনের ঘাটতি মোকাবিলার একটি টেকসই পথ।
ছবি: Nina Reicer / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: International Potato Center




মন্তব্য
(০)