চায়ে বহুল ব্যবহৃত দুটি কীটনাশকের সর্বোচ্চ অবশিষ্টাংশ সীমা (এমআরএল) নতুন করে প্রস্তাব করেছে ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থা। দেশটির চা বাগানে বালাই দমন কীভাবে হবে, তাতে এর প্রভাব পড়বে, জানিয়েছে গ্লোবাল এগ্রিকালচার।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অব ইন্ডিয়া (এফএসএসএআই) গেজেটে খাদ্য নিরাপত্তা ও মান (দূষক, বিষ ও অবশিষ্টাংশ) সংশোধন বিধিমালা ২০২৬-এর খসড়া প্রকাশ করেছে। এতে চায়ে অ্যাসিটামিপ্রিডের সীমা কেজিপ্রতি ২০ মিলিগ্রাম আর ইমিডাক্লোপ্রিডের ৫০ মিলিগ্রাম প্রস্তাব করা হয়েছে। দুটিই নিওনিকোটিনয়েড শ্রেণির কীটনাশক, চায়ের মশা (টি মসকিটো বাগ), জাবপোকা ও জ্যাসিডসহ নানা পোকা দমনে ব্যবহৃত হয়।
গেজেটের কপি পাওয়ার দিন থেকে ৬০ দিন মতামত ও আপত্তি জানানো যাবে, অর্থাৎ ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত। চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত সীমাগুলো অস্থায়ী। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইমিডাক্লোপ্রিডের সীমা কোডেক্স অ্যালিমেন্টারিয়াসের মান ধরে ঠিক করা হয়েছে, আর অ্যাসিটামিপ্রিডের সীমাকে জাপানের কেজিপ্রতি ৩০ মিলিগ্রামের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
খাদ্যে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশের মান পর্যালোচনার চলমান প্রক্রিয়ার অংশ এই খসড়া। ২০২৪ সালে একই কাঠামো সংশোধনের পর ১৩টি কীটনাশক অনুমোদিত তালিকা থেকে বাদ পড়ে। এফএসএসএআই বলছে, নতুন সীমা চাষি, প্রক্রিয়াজাতকারী, খাদ্য ব্যবসায়ী, পরীক্ষাগার ও তদারকি কর্তৃপক্ষকে মেনে চলার স্পষ্ট মাপকাঠি দেবে, বালাই দমনের সুযোগ কমানো বা বাড়ানোর জন্য নয়।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ভারতে গড় কীটনাশক ব্যবহার হেক্টরপ্রতি ০.৫ কেজির কম, যেখানে বৈশ্বিক গড় ২.৩৮ কেজি, আর কলম্বিয়া, ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও কম।
ছবি: Amlan Basumatari / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: গ্লোবাল এগ্রিকালচার





মন্তব্য
(০)