সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১২ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩১°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৫৬%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

মতামত: ইউরিয়ার পর এবার কাঁচামালে স্বনির্ভরতা চাই, লিখেছেন এইচইউআরএল প্রধান

হিন্দুস্তান উর্বরক অ্যান্ড রসায়নের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিবপ্রসাদ মহান্তির মতে, ভারতের দরকার ইউরিয়ার গ্যাস ও কয়লার মতো কাঁচামালও নিজের হাতে রাখা: বারাউনিতে সবুজ ইউরিয়া, সিন্দ্রিতে কয়লা থেকে ইউরিয়া।

ভারত ইউরিয়া উৎপাদনের সক্ষমতা অনেক বাড়িয়েছে, কিন্তু সার খাতে স্বনির্ভরতার পরের ধাপ হলো এর পেছনের জ্বালানি ও কাঁচামাল নিশ্চিত করা। রুরাল ভয়েসে প্রকাশিত এক কলামে এ যুক্তি দিয়েছেন রাষ্ট্রায়ত্ত হিন্দুস্তান উর্বরক অ্যান্ড রসায়ন লিমিটেডের (এইচইউআরএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. শিবপ্রসাদ মহান্তি (Siba Prasad Mohanty)। মতামত লেখকের নিজের।

তাঁর দেওয়া হিসাবে, ২০১৪-১৫ সালে ইউরিয়া উৎপাদন ছিল ২ কোটি ২৫ লাখ টন, ২০২৪-২৫ সালে ৩ কোটি ৬ লাখ টন; ছয়টি নতুন বা পুনরুজ্জীবিত কারখানা ৭৬ লাখ ২০ হাজার টন সক্ষমতা যোগ করেছে। তবু ২০২৫-২৬ সালে চাহিদা ছিল প্রায় ৪ কোটি টন, উৎপাদন প্রায় ৩ কোটি টন; চাহিদার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ এখনো আমদানি করতে হয়।

লেখকের মতে দুর্বল জায়গা প্রাকৃতিক গ্যাস। ইউরিয়া কারখানাগুলো দিনে প্রায় ৫৫ এমএমএসসিএম গ্যাস ব্যবহার করে, যা সার খাতকে ভারতের সবচেয়ে বড় গ্যাস ব্যবহারকারী বানিয়েছে, আর এই গ্যাসের প্রায় ৮৫ শতাংশ আমদানি করা এলএনজি। পাঁচ-ছয় বছর ধরে প্রতি এমএমবিটিইউ ১২ থেকে ১৪ ডলারে থাকা গ্যাসের দাম এখন প্রায় ১৮ ডলার। ২০২৬ সালের ইরান সংঘাত ও হরমুজ প্রণালীর বিঘ্নে উপসাগরীয় এলএনজির সরবরাহ চাপে পড়ে এবং বিশ্বে ইউরিয়ার দাম লাফিয়ে বাড়ে।

মহান্তি এইচইউআরএলের দুটি পথের কথা লিখেছেন। বিহারের বারাউনিতে এনটিপিসির সঙ্গে সমঝোতা স্মারকের আওতায় নবায়নযোগ্য বিদ্যুতে তৈরি সবুজ অ্যামোনিয়া আর এনটিপিসির বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ধরে রাখা কার্বন ডাই-অক্সাইড দিয়ে 'সবুজ ইউরিয়া' তৈরির পরিকল্পনা। সিন্দ্রিতে কোল ইন্ডিয়ার সঙ্গে দেশি কয়লা গ্যাসে রূপান্তর করে ইউরিয়া তৈরির সমীক্ষা চলছে। প্রতিটির সক্ষমতা ধরা হয়েছে বছরে প্রায় ১২ লাখ ৭০ হাজার টন; গোরক্ষপুরে প্রস্তাবিত গ্যাসভিত্তিক কারখানাসহ এইচইউআরএলের সক্ষমতা প্রায় ৩৮ লাখ থেকে ৭৬ লাখ ২০ হাজার টনে উঠতে পারে।

নীতিগত সহায়তার কথাও বলেছেন তিনি: জুলাইয়ে অনুমোদিত জাতীয় ইউরিয়া বিনিয়োগ নীতি ২০২৬, সবুজ ইউরিয়া প্রকল্পে সার বিভাগের আগ্রহপত্র আহ্বান, কয়লা গ্যাসীকরণে ৩৭,৫০০ কোটি রুপির প্রকল্প এবং কেজিপ্রতি ৪৯.৭৫ থেকে ৬৪.৭৪ রুপিতে সবুজ অ্যামোনিয়ার দরপত্র। তাঁর মতে গ্যাস কেন্দ্রেই থাকবে, তবে গ্যাস, কয়লা গ্যাসীকরণ ও সবুজ হাইড্রোজেনের মিশ্রণ ভারতের সার, আর তার মাধ্যমে খাদ্যনিরাপত্তাকে বিশ্ববাজারের ঝুঁকি থেকে কিছুটা মুক্ত রাখবে।

সূত্র: Rural Voice

Rural Voiceসূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

দৈনন্দিন

মাঠে ফসল কাটার দিনের খাবার: কার্ডবোর্ডের বাক্স, পুরনো তোয়ালে আর স্মৃতি

ম্যানিটোবা কো-অপারেটরের এক কলামে জোয়ান মুদ্রিক লিখেছেন, মা ও শাশুড়ি কীভাবে মাঠে ফসল কাটার দলকে খাওয়াতেন, আর কেন খাবারের চেয়ে একসঙ্গে বসার মুহূর্তটাই মনে থাকে।

Manitoba Co-operator১২ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

মতামত: লুকানো ক্ষুধার শুরু জিংকের ঘাটতিওয়ালা মাটিতে

আইসিএআর-এর ২ লাখ ৪২ হাজার মাটির নমুনা বিশ্লেষণ আর ভারতের ৩৯ শতাংশ মাটিতে জিংকের ঘাটতির তথ্য তুলে ধরে ড. সুরেশ কুমার চৌধুরী লিখেছেন, মাটির অণুপুষ্টি ঠিক করাই ফসল, পশু ও মানুষের পুষ্টির শুরু।

কৃষি জাগরণ১২ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

ইকোপার্ক বিনোদনকেন্দ্র নয়, আগে জীববৈচিত্র্য রক্ষার জায়গা: এক শিক্ষার্থীর মত

সারাবাংলায় লেখা কলামে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানজিদ শুভ্র বলছেন, কাগজে-কলমে ইকোপার্কের প্রথম লক্ষ্য সংরক্ষণ, অথচ বাস্তবে মনোযোগ যায় লেক, ওয়াচ টাওয়ার আর টিকিট কাউন্টারে।

সারাবাংলা১২ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)