ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নকশালবাড়িতে শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে বাগডোগরা-নকশালবাড়ি রেলপথে ৭০টির বেশি হাতির একটি পাল লাইন পার হচ্ছিল, তখনই এগিয়ে আসছিল সিকিম মহানন্দা এক্সপ্রেস। কার্শিয়াং বন বিভাগের কর্মী আকাশ কেরকেট্টা দ্রুত একটি লাল কাপড় জোগাড় করে ক্রমাগত নেড়ে চালকদের সতর্ক করেন; চালকেরা ট্রেন থামান, আর হাতির পাল নিরাপদে রেললাইন পার হয়। এই সময় এ খবর দিয়েছে।
হাতির দলটি নকশালবাড়ির টুকরিয়াঝাড় জঙ্গল থেকে বাগডোগরার জঙ্গলের দিকে যাচ্ছিল; পথে পড়ে কিরণচন্দ্র চা-বাগানের পাশের রেললাইন। লাইন পার হয়ে পালটি জাতীয় সড়কও নিরাপদে পেরিয়ে বাগডোগরার জঙ্গলে ঢুকে যায়।
বন দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, উত্তরবঙ্গের তরাই অঞ্চলে বাগডোগরা, নকশালবাড়ি ও টুকরিয়াঝাড়ের বনাঞ্চল হাতির পরিচিত চলাচলপথ। খাবার ও নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে হাতিরা এক জঙ্গল থেকে আরেক জঙ্গলে যায়; পথে রেললাইন, জাতীয় সড়ক আর চা-বাগান থাকায় প্রায়ই ঝুঁকি তৈরি হয়, তাই বনকর্মীরা সজাগ থাকেন।
একই রাতে আরেকটি দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। রাত পৌনে ৯টার দিকে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের ডুয়ার্স রুটে রাজাভাতখাওয়া ও আলিপুরদুয়ার জংশনের মাঝে দমনপুরে একটি মা হাতি ও তার শাবক লাইনে ছিল। দ্রুতগতির আপ সিকিম-মহানন্দা এক্সপ্রেসের লোকো পাইলট অরিন্দম ঘোষ ও ধ্রুবজ্যোতি সরকার তাদের দেখেই গতি নিয়ন্ত্রণ করেন, হাতি দুটি নিরাপদে লাইন পার হয়।
এর আগে মালবাজারে নদীর স্রোতে ভেসে যাওয়া একটি হাতিশাবককে মাঝিরা উদ্ধার করেছিলেন বলেও উল্লেখ করেছে পত্রিকাটি।
ছবি (প্রতীকী): জলদাপাড়ায় বুনো হাতি। ছবি: Jonoikobangali / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: এই সময়





মন্তব্য
(০)