সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১২ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩১°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৫৬%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

খরায় মহারাষ্ট্রের আঙুরচাষিদের ৪০ শতাংশ ফলন হারানোর শঙ্কা, মরতে পারে লতাও

নাশিকে স্বাভাবিকের মাত্র ৩৪.৩ শতাংশ বর্ষার বৃষ্টি হয়েছে। জমানো পানিতে ডিসেম্বর-জানুয়ারির ফসল পর্যন্ত বাগান টিকলেও ২০২৭ সালে লতা মরে যেতে পারে বলে চাষিদের আশঙ্কা; কিছু কৃষক পেঁয়াজ বাড়াতে পারেন।

খরায় মহারাষ্ট্রের আঙুরচাষিদের ৪০ শতাংশ ফলন হারানোর শঙ্কা, মরতে পারে লতাও
ফল

খরার কারণে উত্তর মহারাষ্ট্রের আঙুরচাষিরা অন্তত ৪০ শতাংশ ফলন হারানোর আশঙ্কা করছেন, জানিয়েছে ডাউন টু আর্থ। নাশিক জেলায় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর মৌসুমে স্বাভাবিকের মাত্র ৩৪.৩ শতাংশ বৃষ্টি হয়েছে, তাতে বাজরা ও পেঁয়াজসহ খরিফ ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

পিম্পালগাঁও বসওয়ন্তের ৫৯ বছরের আঙুরচাষি বসন্তরাও ধিকালে পাঁচ একরে আঙুর চাষ করেন। তিনি জানান, বর্ষার শেষে জলাধার এলাকায় বৃষ্টি হওয়ায় পুকুর ভরেছে, তাতে ডিসেম্বর-জানুয়ারির ফসল পর্যন্ত লতা বাঁচানো যাবে। কিন্তু খরা ২০২৭ সাল পর্যন্ত গড়ালে কী হবে, তা অনিশ্চিত; তাঁর বাগান হয়তো সেই গ্রীষ্ম পার করতে পারবে না।

মহারাষ্ট্র রাজ্য আঙুরচাষি সমিতির সভাপতি কৈলাস ভোসলে বলেন, সোলাপুর ও সাংলিতে অবস্থা সবচেয়ে খারাপ; সেখানে কেউ কেউ এ বছর ফসলই তুলতে পারবেন না। সাংলিতে গত সপ্তাহে প্রায় ১২৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হলেও তাপমাত্রা না কমায় বাষ্পীভবনে মাটির আর্দ্রতা শুকিয়ে যাচ্ছে। তাঁর আশঙ্কা, সেচ কর্তৃপক্ষ পানি খাওয়ার জন্য সংরক্ষণ করতে পারে, আর এল নিনো ও শুষ্ক শীতের পূর্বাভাসে ফসলে পানি বেশি লাগবে। আগের খরায় সরকার বাগান বাঁচাতে সীমিত পানি দিয়েছিল; 'এবারও তেমন সহায়তা লাগতে পারে,' বলেন তিনি।

আঙুরবাগান হারানো ব্যয়বহুল। ভোসলের কথায়, 'বাগান শুকিয়ে গেলে নতুন করে লাগাতে একরপ্রতি অন্তত ৫ লাখ রুপি লাগে, আর প্রথম ফসল পেতে অন্তত চার বছর।' সমিতির হিসাবে মহারাষ্ট্রের আঙুর খাতে প্রায় ১৭ লাখ কৃষক ও কৃষিশ্রমিক যুক্ত।

পেঁয়াজের চিত্র আবার উল্টো হতে পারে। নাশিকভিত্তিক মহারাষ্ট্র রাজ্য পেঁয়াজচাষি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ভারত দিঘোলে বলেন, শুষ্ক মৌসুমে পেঁয়াজে পোকা ও রোগ কম হয়, অতিবৃষ্টিতে জলাবদ্ধতায় পচন ধরে; তাই ক্ষতি পোষাতে কেউ কেউ পেঁয়াজের আবাদ বাড়াতে পারেন। আঙুরচাষি রাওসাহেব উগালে জানান, নদী বা পুকুরের কাছে যাঁদের জমি, কেবল তাঁরাই পেঁয়াজ চাষে সুবিধাজনক অবস্থায়।

প্রতিবেদনটি লিখেছেন ডাউন টু আর্থের হিমাংশু নিতনাওয়ারে।

ছবি: Savitr1915 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: ডাউন টু আর্থ

ডাউন টু আর্থসূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

পরিত্যক্ত জমি লিজ নিয়ে চার একরে সাগর কলা, ৮-১০ লাখ টাকা বিক্রির আশা বোয়ালমারীর হাফিজুরের

ফরিদপুরের বোয়ালমারীর সৈয়দপুরে পরিত্যক্ত জমি লিজ নিয়ে সাগর ও চাপাসব্রি জাতের ২,৭০০ কলাগাছ লাগিয়েছেন হাফিজুর রহমান সরদার; আড়াই লাখ টাকা খরচে এর মধ্যে লাখ টাকার কলা বিক্রি হয়েছে।

জাগো নিউজ ২৪১২ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ছাদকৃষি

ইউটিউব দেখে ছাদে আর আঙিনায় ড্রাগন, বছরে লাখ টাকা লাভ মতলবের বিদেশফেরত হানিফের

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে বাড়ির ১,৪০০ বর্গফুট ছাদে ও সাড়ে ৬ শতক আঙিনায় ২০২৪ সালে ড্রাগন লাগিয়েছিলেন ৬২ বছরের আবু হানিফ; এখন বছরে লাখ টাকার বেশি লাভ করছেন, এবার ইজারা নিয়েছেন আরও ৬০ শতক জমি।

প্রথম আলো১২ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

রংপুর অঞ্চলে কলার আবাদ বাড়ছে, হিমাগার আর প্রক্রিয়াজাতকরণ না থাকায় দাম পান না চাষি

রংপুর বিভাগের পাঁচ জেলায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৪,০৭৭ হেক্টরে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯১৬ টন কলা উৎপাদন হয়েছে; কিন্তু হিমাগার, প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র ও ভালো পরিবহন না থাকায় চাষিরা ফড়িয়াদের কাছে কম দামে বেচতে বাধ্য হচ্ছেন।

কৃষি সময়১২ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)