২০২৬ সালের খরিফ মৌসুমে ভারতের সয়াবিন উৎপাদন আগের বছরের ১১০.২৬ লাখ টন থেকে ২.১১ শতাংশ কমে ১০৭.৯৩ লাখ টন হতে পারে বলে প্রথম ফসল প্রাক্কলনে জানিয়েছে সয়াবিন প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া (সোপা); ইন্দোরে সংগঠনটির আন্তর্জাতিক সয়াবিন সম্মেলনে এই হিসাব প্রকাশ করা হয় বলে জানিয়েছে রুরাল ভয়েস।
বাড়ন্ত গাছের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দীর্ঘ শুষ্কতা ও মাটিতে আর্দ্রতার অভাবে মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক ও তেলেঙ্গানায় ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সোপার হিসাবে এই তিন রাজ্যে ৭.০২ লাখ হেক্টরের সয়াবিন পুরোপুরি নষ্ট হয়েছে, কাটা যায়নি। মহারাষ্ট্রে উৎপাদন ৩৩.২ শতাংশ কমে ৩৪.৮৮ লাখ টন হতে পারে।
সবচেয়ে বড় উৎপাদক মধ্যপ্রদেশে উৎপাদন ৪৩.২৪ লাখ টন থেকে ৩২.২ শতাংশ বেড়ে ৫৭.১৬ লাখ টন হবে বলে আশা; সেখানে আবাদ ৪৮.৬৪ থেকে বেড়ে ৫২.০৯ লাখ হেক্টর হয়েছে, আর গড় ফলন হেক্টরপ্রতি ৮৮৯ থেকে বেড়ে ১,১০৮ কেজি হতে পারে। রাজস্থানে উৎপাদন ৪৮.২ শতাংশ বেড়ে ৯.৪৭ লাখ টন হবে। সোপার নির্বাহী পরিচালক ডি এন পাঠক বলেন, এই দুই রাজ্যের বাড়তি উৎপাদন মহারাষ্ট্রের ক্ষতি অনেকটা পুষিয়ে দেবে।
দেশজুড়ে সয়াবিনের আবাদ ২০২৫ সালের ১১২.১৪ লাখ হেক্টর থেকে প্রায় ৫ শতাংশ বেড়ে ১১৭.৭৩ লাখ হেক্টর হয়েছে, কিন্তু খরা ও আর্দ্রতার অভাবে ৭.৭৬ লাখ হেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কাটার উপযোগী জমি ১০৯.৯৮ লাখ হেক্টর। সেখানে গড় ফলন হেক্টরপ্রতি ৯৮১ কেজি ধরা হয়েছে, গত মৌসুমে ছিল ৯৮৩ কেজি; ফলে বেশি জমিতে বোনা সত্ত্বেও মোট উৎপাদন কমছে।
সোপার আবাদের হিসাব কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রাক্কলিত ১২৩.১৬ লাখ হেক্টরের চেয়ে কম, যা শিল্প সংগঠন ও সরকারের হিসাবের ফারাক দেখায়।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন অজিত সিং (Ajeet Singh)।
ছবি: Harry Rose / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: Rural Voice




মন্তব্য
(০)