দক্ষিণ আফ্রিকার লিম্পোপো প্রদেশের মানকওয়েং এলাকার দুই ভাই Phuti Maake (ফুটি মাকে) ও Dumisani Maake (দুমিসানি মাকে) বাড়ির আঙিনায় লেয়ার মুরগি পালন করেন। তাঁদের ডিমের প্রধান ক্রেতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ফুড ফর মজানসিতে ৩০ অক্টোবর তাঁদের গল্প লিখেছেন ভাতেকা হালিলে।
কৃষিতে তাঁদের শুরু ২০২০ সালের কোভিড-১৯ লকডাউনে। তখন বাড়ির পড়ে থাকা জায়গায় পালংশাক, টমেটো, মরিচ ও আলুর বাগান করেন। ফুটি এখন লিম্পোপো বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশবিজ্ঞানের শেষ বর্ষের ছাত্র। পরে তিনি মুরগি পালনের কথা ভাবেন, আর ২০২৪ সালে পরিবারের সহায়তায় দুই ভাই শুরু করেন মাকে পোলট্রি।
মুরগির ঘর, সরঞ্জাম আর প্রথম ২০০টি লেয়ার বাচ্চা কিনতে তাঁদের খরচ হয় প্রায় ৪০ হাজার র্যান্ড। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সারা বছর ডিমের চাহিদা দেখে তাঁরা লেয়ার বেছে নেন। ব্রয়লারে বেশি বিপণন আর প্রক্রিয়াজাতকরণের ব্যবস্থা লাগে, তাই শুধু উৎসবের মৌসুমে মাংসের চাহিদা বাড়লে তাঁরা ব্রয়লার পালেন। ফুটি বলেন, "লেয়ারে প্রতিদিন সহজে ডিম তুলে ক্লাসে যাওয়ার পথেই পৌঁছে দিতে পারি।"
ব্যবসা বেড়েছে, তবে শুরুর পুঁজি এখনো ওঠেনি। কঠিন দিকগুলোর কথাও বলেন ফুটি: সময়মতো টিকা পাওয়া ছিল বড় সমস্যা, একবার ৫০ মিলিলিটারের একটি টিকার খোঁজে পোলোকওয়ানে শহর ঘুরতে হয়েছে। অভিজ্ঞতার অভাবে এক ব্যাচের প্রায় ৪০ শতাংশ মুরগি মারা যায়। তাঁর কথায়, "পরামর্শদাতা না থাকায় অনেক মুরগি মরেছে, তাতে সাপ্তাহিক ডিমের উৎপাদনও কমেছে।"
দুমিসানি জোহানেসবার্গে খাদ্যবিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করেন, টাকা দিয়ে আর ছুটিতে বাড়ি এসে খামারে সাহায্য করেন। তাঁদের পরের লক্ষ্য অন্তত ২০ হেক্টর জমি। ফুটি জানান, পড়াশোনা থেকে তিনি মুরগির বিষ্ঠা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বড় খামারের জন্য পরিবেশগত মূল্যায়নের বিষয়গুলো শিখছেন।
ছবি: VanTucky / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 1.0)
সূত্র: ফুড ফর মজানসি





মন্তব্য
(০)