সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৫ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মেঘলাআর্দ্রতা ৬৯%বাতাস ৯ কিমি/ঘ

মতামত: দুই মাসে সিলিন্ডারে ৪৭৫ টাকা বাড়তি, রান্নার জ্বালানি এখন সংসারের দুশ্চিন্তা

আজকের পত্রিকার কলামে বাপ্পাদিত্য চৌধুরী প্রবাল লিখেছেন, ১২ কেজি এলপিজি প্রথমবার দুই হাজার টাকা ছাড়িয়েছে; তাঁর মতে আন্তর্জাতিক দামের পাশাপাশি বাজার তদারকির ফাঁকও ভোক্তাকে চাপে ফেলছে।

আজকের পত্রিকায় লেখা কলামে বাপ্পাদিত্য চৌধুরী প্রবাল বলছেন, যে এলপিজি একসময় পাইপলাইনের গ্যাসের নির্ভরযোগ্য বিকল্প ছিল, ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধিতে তা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের বোঝা হয়ে উঠেছে। এই লেখার মতামত লেখকের নিজের।

লেখক হিসাব দিয়েছেন, ২ নভেম্বর বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বেসরকারি খাতের ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা করেছে। অক্টোবরে দাম ছিল ১ হাজার ৮৩৭ টাকা, সেপ্টেম্বরে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। অর্থাৎ দুই মাসে বেড়েছে ৪৭৫ টাকা, আর সরকারি দাম এই প্রথম দুই হাজার টাকা ছাড়াল।

আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব তিনি অস্বীকার করেন না। বেসরকারি এলপিজির বড় অংশ আমদানিনির্ভর, প্রোপেন ও বিউটেনের দাম, ডলারের হার ও পরিবহন খরচ দেশের দামে প্রভাব ফেলে। তবে তাঁর যুক্তি, নির্ধারিত দামের সঙ্গে বাস্তব বাজারদরের ফারাকই আরেক বড় সমস্যা। দ্য ডেইলি স্টারের একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, বাজারে ১ হাজার ৯০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত দামের কথা এসেছে।

লেখক একই সঙ্গে সতর্ক করেছেন, প্রমাণ ছাড়া সব মূল্যবৃদ্ধিকে সিন্ডিকেটের ফল বলা ঠিক নয়। কোথায় প্রকৃত ব্যয় বেড়েছে আর কোথায় বাজারের দুর্বলতার সুযোগ নেওয়া হচ্ছে, তা স্বচ্ছভাবে চিহ্নিত করা দরকার। সিলিন্ডারের ওজন, মেয়াদ ও ভালভের মান নিয়মিত পরীক্ষার কথাও তিনি বলেন, কারণ ত্রুটিপূর্ণ সিলিন্ডার দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

তাঁর মতে, একটি সিলিন্ডারে দুই হাজার টাকার বেশি গেলে পরিবারকে খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা বা পুষ্টির বরাদ্দ কমাতে হয়। তাই এটি শুধু জ্বালানির নয়, জীবনযাত্রার ব্যয়ের প্রশ্ন। প্রতিকার হিসেবে তিনি নিয়মিত বাজার তদারকি, প্রতিটি দোকানে মূল্যতালিকা ও রসিদ এবং জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বিত অভিযানের প্রস্তাব করেছেন।

সূত্র: আজকের পত্রিকা

আজকের পত্রিকাসূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

মতামত: সরকারি সহায়তা খামারে থাকছে না, চলে যাচ্ছে উপকরণ বিক্রেতার হাতে

মন্টানার গম চাষিদের সংগঠনের নীতি উপদেষ্টা কেরা বার্কল্যান্ডের মতে, উপকরণের বাজারে প্রতিযোগিতা না বাড়লে সহায়তা কৃষককে শক্ত করবে না।

নর্দার্ন এজি নেটওয়ার্ক৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

মতামত: জৈব কৃষি উপকরণের বাজারে সম্ভাব্য চার ভবিষ্যৎ দেখছেন গুস্তাভো মামাও

এজিফান্ডনিউজে স্বাক্ষরিত লেখায় গুস্তাভো মামাওর যুক্তি, পণ্যের কার্যকারিতা আর প্রচলিত উপকরণব্যবস্থায় মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতাই ঠিক করবে আগামী ১০ বছর।

এজিফান্ডনিউজ৫ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

২৭ বছরেও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ হয়নি কেন: জাতীয় প্রতিষ্ঠান চান অধ্যাপক কবিরুল বাশার

ঢাকা পোস্টে কলামে কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার লিখেছেন, ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৩৬৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, মারা গেছেন ৪১৮ জন। তিনি একজন কীটতত্ত্ববিদের নেতৃত্বে জাতীয় প্রতিষ্ঠান চান।

ঢাকা পোস্ট৪ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)