জরুরি সরকারি সহায়তা মার্কিন খামারগুলোকে টিকিয়ে রাখছে, কিন্তু মূল সমস্যা মেটাচ্ছে না। নর্দার্ন এগ নেটওয়ার্কে প্রকাশিত এক লেখায় এই যুক্তি দিয়েছেন মন্টানা গ্রেইন গ্রোয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের জ্যেষ্ঠ নীতি উপদেষ্টা কেরা বার্কল্যান্ড (Kera Birkeland)। এই মত লেখকের নিজের।
তাঁর ভাষায়, একজন কৃষক প্রায় সবকিছু ঠিকঠাক করেও টাকা হারাতে পারেন। নিরাপত্তাজাল থাকা দরকার বলে তিনি মানেন। তবে তাঁর প্রশ্ন, খামার কি শুধু টাকা পার হওয়ার পথ হয়ে যাচ্ছে? সহায়তার টাকা এসেই সার, বীজ, ওষুধ, জ্বালানি, যন্ত্র ও সুদ শোধে চলে যায়।
তিনি ইউএসডিএর সেপ্টেম্বরের পূর্বাভাস তুলে ধরেন: ২০২৬ সালে সরাসরি সরকারি অর্থ দাঁড়াবে প্রায় ৪ হাজার ৭৪০ কোটি ডলারে, যা ২০২৫ সালের চেয়ে প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি। একই বছরে মোট উৎপাদন খরচ ধরা হয়েছে ৪৯ হাজার ২৮০ কোটি ডলার, বৃদ্ধি ৪.৫ শতাংশ।
তাঁর প্রধান উদাহরণ সার। ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব হুইট গ্রোয়ার্স মার্চে জানিয়েছিল, ফসফেট সার আমদানিতে পাল্টা শুল্কের কারণে ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে মার্কিন গমচাষিদের প্রায় ১০০ কোটি ডলার বাড়তি খরচ হয়েছে। সংগঠনটির উদ্ধৃত ইউএসডিএর হিসাবে গমের পরিচালন খরচের প্রায় ৩৮ শতাংশই সার। সারের দাম বাড়লে কৃষক তো গমের দাম বাড়াতে পারেন না, মনে করিয়ে দেন লেখক।
বড় যুক্তিটি প্রতিযোগিতার। মন্টানার গমচাষি কানসাস, নর্থ ডাকোটা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, রাশিয়া ও ইউক্রেনের চাষিদের সঙ্গে লড়েন, তাই তাঁর কাছে যারা উপকরণ বিক্রি করে তাদেরও লড়তে হওয়া উচিত। একীভূত হওয়া মানেই অন্যায় নয়, লিখেছেন তিনি, তবে একজন কৃষকের সামনে মাত্র এক-দুটি বিকল্প থাকলে সে অনেক দুর্বল অবস্থানে থাকে।
ছবি: USDA NRCS / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: Northern Ag Network




মন্তব্য
(০)