জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে ৭৮ লাখ ডলারের (৭৮ লাখ ৪২ হাজার ৫৯ ডলার) নমনীয় মূল অনুদান পেয়েছে, জানিয়েছে সংস্থাটি। এই অর্থ যেখানে প্রয়োজন সবচেয়ে জরুরি, সেখানে খরচ করতে পারবে ডব্লিউএফপি। নমনীয় অর্থে দুর্যোগ আঘাত হানার আগেই প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়, আর সংকটের পরপরই দ্রুত খাদ্য কিনে পৌঁছে দেওয়া যায়।
ডব্লিউএফপির সঙ্গে কোরিয়ার সম্পর্ক ৬০ বছরের বেশি পুরোনো। কোরীয় যুদ্ধের পর দেশটি যখন তীব্র খাদ্যসংকটে, তখন ১৯৬৪ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সেখানে খাদ্য সহায়তা ও উন্নয়ন কর্মসূচি চালিয়েছিল ডব্লিউএফপি। ২০২৫ সালে কোরিয়া ছিল সংস্থাটির শীর্ষ পাঁচ সরকারি দাতার একটি; ডব্লিউএফপির ভাষায়, একসময় পাওয়া সহায়তাই দেশটি এখন বিশ্বকে ফিরিয়ে দিচ্ছে।
এ বছর মন্ত্রণালয় সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য জরুরি সহায়তা কর্মসূচি রিচের (REACH) দ্বিতীয় পর্যায়ও শুরু করেছে, যার আওতায় সংঘাত ও দুর্যোগের মুখে থাকা সাতটি দেশে ৩ কোটি ডলারের জরুরি খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
ডব্লিউএফপির হিসাবে সংঘাত, অর্থনৈতিক ধাক্কা ও জলবায়ুজনিত দুর্যোগে বিশ্বে প্রায় ২৬ কোটি ৬০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় আছেন। তাদের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে ৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ তীব্র ক্ষুধার ঝুঁকিতে। প্রয়োজন বাড়ছে অথচ বৈশ্বিক অর্থায়ন কমছে, এমন সময়ে কোরিয়ার অনুদান যেখানে প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি সেখানে জীবন রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
ছবি: Oxfam East Africa / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: ডব্লিউএফপি





মন্তব্য
(০)