জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় তিনজনের মালিকানাধীন একটি গভীর নলকূপ বন্ধ থাকায় প্রায় ২০০ বিঘা জমির ধান সেচসংকটে পড়েছে। মালিকদের বিরোধের জেরে নলকূপটি চালু করা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে, আর ফসলের ক্ষতির শঙ্কায় আছেন কৃষকেরা, জানিয়েছে আজকের পত্রিকা।
নলকূপটি দ্রুত চালুর ব্যবস্থা নিতে সোমবার (২৬ অক্টোবর) উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন দুই শরিক, সাঁতার গ্রামের মো. মুরশিদ আলম ও বোড়াই গ্রামের মো. নুর আলম সরকার। অভিযোগে বলা হয়, বোড়াই মৌজায় তিনজন মিলে নলকূপটি বসান; বিরোধের কারণে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরঞ্জাম বাড়িতে আটকে রেখেছেন আরেক শরিক সেলিম উদ্দিন মণ্ডল।
অভিযোগকারীদের দাবি, প্রায় ২০০ বিঘা জমির চাষ এই নলকূপের ওপর নির্ভরশীল এবং বিকল্প সেচের ব্যবস্থা নেই। স্থানীয় কৃষক আব্দুল মোত্তালেব বলেন, সময়মতো পানি দিতে না পারলে ফসলের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। কৃষক মুনসুর জানান, চাষে এরই মধ্যে অনেক টাকা খরচ হয়েছে, সেচ না পেলে সেই খরচের সুফল মিলবে না। খয়বর, শফি, খোরশেদ, নূর মোহাম্মদ, আজবাহার ও মান্নানসহ অন্য কৃষকেরাও দ্রুত নলকূপ চালুর দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে সেলিম উদ্দিন মণ্ডল বলেন, মালিকানা নিয়ে তাঁদের মধ্যে কিছু বিরোধ আছে, তবে কৃষকের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে নলকূপ বন্ধ রাখেননি; সরঞ্জাম নিজের হেফাজতে রাখার নির্দিষ্ট কারণ আছে এবং আলোচনায় দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।
কালাইয়ের ইউএনও ফয়সাল আহমেদ বলেন, অভিযোগ পেয়েছেন। মালিকদের মধ্যে বিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু এর কারণে কৃষকের ফসলের ক্ষতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না; দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ছবি: পাম্প দিয়ে ধানখেতে সেচ (প্রতীকী), Mohammed Tawsif Salam / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: আজকের পত্রিকা





মন্তব্য
(০)