সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩৩°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৫৪%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

প্রোটিন নিজে ফলালেও সারে আমদানিনির্ভর ভারত, বলছে নতুন সূচক

প্রোটিন সার্বভৌমত্ব সূচকে ৪৩টির মধ্যে ১৭তম ভারত, স্কোর ৬২.১, অবস্থা "ঝুঁকিপূর্ণ"; সারের ৬৮.৬ শতাংশ আমদানিনির্ভর, ডাল আমদানি রেকর্ড ৭৩ লাখ ৪০ হাজার টন, আর ৫২ কোটি মানুষের স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ্য নেই।

প্রোটিন নিজে ফলালেও সারে আমদানিনির্ভর ভারত, বলছে নতুন সূচক
স্বাস্থ্য

ভারত যে প্রোটিন খায়, তার বেশির ভাগ নিজেই উৎপাদন করে; তবু সার আমদানিতে বিঘ্ন, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়া আর পুষ্টিকর খাবারে অসম প্রবেশাধিকারের কারণে দেশটির খাদ্যব্যবস্থা ঝুঁকিতে। নতুন প্রোটিন সার্বভৌমত্ব সূচকের বরাতে ডাউন টু আর্থে এ কথা লিখেছেন শগুন (Shagun)। ৪৩টি দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে ভারত ১৭তম, ১০০-র মধ্যে স্কোর ৬২.১; অবস্থান "ঝুঁকিপূর্ণ" শ্রেণিতে, "সহনশীল" হতে লাগে অন্তত ৬৫।

১৬ অক্টোবর ফুল সার্কেল বায়োটেকনোলজি সূচকটি প্রকাশ করে; পর্যালোচনা করেছেন চ্যাথাম হাউস, আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (ইফপ্রি), ওভারসিজ ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট, স্টোনএক্স ও স্টার্লিং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা। সূচক বলছে, ভারতের দুর্বলতা প্রোটিনজাত খাবার আমদানিতে যতটা, তার চেয়ে বেশি সেগুলো ফলাতে লাগা বিদেশি উপকরণে। মূল্যের হিসাবে দেশের সার সরবরাহের ৬৮.৬ শতাংশ আসে আমদানি থেকে। ভারতে ব্যবহারযোগ্য পটাশের মজুত নেই, রক ফসফেটের ৯০ শতাংশের বেশি আমদানি হয়, আর ইউরিয়া তৈরি হয় আমদানি করা প্রাকৃতিক গ্যাসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, "বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত সারের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যায়, এ বছর তা বন্ধ হওয়াই দেখিয়েছে বিষয়টি কেন গুরুত্বপূর্ণ।"

ডালেই চাপটা স্পষ্ট। ২০২৪-২৫ সালে ভারত রেকর্ড ৭৩ লাখ ৪০ হাজার টন ডাল আমদানি করেছে, যা দেশের সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ; অথচ ডাল চাষের জমি ২০২১-২২ সালের ৩ কোটি ৬ লাখ হেক্টর থেকে ২০২৪-২৫ সালে নেমেছে ২ কোটি ৬৯ লাখ হেক্টরে। সেচের প্রায় ৬০ শতাংশ আসে ভূগর্ভস্থ পানি থেকে, আর মাথাপিছু নবায়নযোগ্য মিঠাপানি ১,০১৪ ঘনমিটার, যা পানি-সংকটের ১,৭০০ ঘনমিটারের সীমার নিচে। সম্ভাব্য শক্তিশালী এল নিনো বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে, আর পেরুর উপকূলে সমুদ্র উষ্ণ হওয়ায় মাছ ও পশুখাদ্যের গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ ফিশমিলের দাম রেকর্ড ছুঁয়েছে, সতর্ক করেছে প্রতিবেদনটি।

আরেক ঘাটতি সামর্থ্যে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সোফি ২০২৬ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে আনুমানিক ৫২ কোটি ১০ লাখ মানুষ, অর্থাৎ জনসংখ্যার ৩৫.৫ শতাংশ, স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ্য রাখেননি। সবচেয়ে ধনী ১০ শতাংশ পরিবার সবচেয়ে দরিদ্র ১০ শতাংশের দেড় গুণ প্রোটিন খায়; দরিদ্র পরিবারগুলো ডিম, মাছ ও মাংস খায় সুপারিশকৃত পরিমাণের মাত্র ৩৮ শতাংশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, শরীরের বৃদ্ধি, কোষ মেরামত এবং হরমোন ও এনজাইম তৈরিতে প্রোটিন অপরিহার্য; ঘাটতি শিশুদের অপুষ্টির কারণ হতে পারে। সূচকের ফলাফল বলছে, ভারতের কাজ হলো প্রোটিন সরবরাহকে বাইরের ধাক্কা থেকে কম ঝুঁকিপূর্ণ, প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর কম চাপের এবং পরিবারের জন্য আরও সাশ্রয়ী করা।

ছবি: Justinc (red, green and puy lentils) / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)

সূত্র: ডাউন টু আর্থ

ডাউন টু আর্থসূত্র

স্বাস্থ্য

সম্পর্কিত খবর

ফসল

ডেল্টামেথ্রিন ও প্রোথিওকোনাজলসহ ছয় কীটনাশকের অবশিষ্টাংশের নতুন সীমা দিল ইইউ

১৬ অক্টোবর প্রকাশিত এবং প্রায় ৫ নভেম্বর থেকে কার্যকর নতুন বিধিতে বদলাচ্ছে সেই আইনি সীমা, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নে বিক্রি হওয়া দেশি বা আমদানি করা সব খাবারকে মানতে হয়।

গ্লোবাল এগ্রিকালচার২৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
স্বাস্থ্য

আলু-পেঁপে আর ডালে চলছে সংসার, খাবারের থালা থেকে হারাচ্ছে মাছ-মাংস

ঢাকার রামপুরার খালেদা-আলফাজ দম্পতির মতো সীমিত আয়ের বহু পরিবার মূল্যস্ফীতির চাপে প্রোটিন বাদ দিচ্ছে; সেপ্টেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭.২২ শতাংশ, আর গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্সে ১২২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম।

ঢাকা পোস্ট২৬ অক্টোবর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
স্বাস্থ্য

নিউরাল টিউব ডিফেক্ট: ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রেই প্রতিরোধযোগ্য এই জন্মগত সমস্যা

গর্ভধারণের তিন মাস আগে থেকে ফলিক অ্যাসিড, পুষ্টির প্রস্তুতি ও খাদ্য ফর্টিফিকেশনে শিশুর মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের জন্মগত ত্রুটি অনেকটাই ঠেকানো যায়, বলছেন জাতীয় নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউটের শিশু নিউরোসার্জন ডা. সুদীপ্ত কুমার মুখার্জী।

প্রথম আলো২৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)