ভারতে ব্যাপকভাবে তৈরি তিনটি কীটনাশক, প্রোফেনোফস, ফেনথোয়েট ও কুইনালফস, রটারডাম কনভেনশনের কেমিক্যাল রিভিউ কমিটির ২২তম সভায় (সিআরসি-২২) তালিকাভুক্তির সুপারিশ পায়নি। ২০২৬ সালের ১৫ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর রোমে সভাটি হয়, জানিয়েছে অ্যাগ্রোস্পেকট্রাম।
তিনটি কীটনাশক নিয়ে কমিটির সিদ্ধান্ত ছিল ভিন্ন। প্রোফেনোফস নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রস্তাবের বিবেচনা স্থগিত করা হয়েছে; ভবিষ্যৎ কোনো সভার আলোচ্যসূচিতে এটি তোলা হবে কি না, তা ঠিক করবে কনভেনশনের ব্যুরো। কুইনালফস ও ফেনথোয়েটের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপের প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করে কমিটি দেখেছে, এই পর্যায়ে কোনোটিই তালিকাভুক্তির শর্ত পূরণ করে না।
২২০টির বেশি দেশীয় প্রতিষ্ঠানের সংগঠন পেস্টিসাইডস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড ফর্মুলেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া (পিএমএফএআই) জানিয়েছে, শিল্পের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই ফল এসেছে: কারিগরি বিশেষজ্ঞদের টাস্কফোর্স তিনটি কীটনাশকের পক্ষে যুক্তি তৈরি করে পরিবেশ মন্ত্রণালয়, রাসায়নিক ও পেট্রোকেমিক্যাল বিভাগ, কৃষি ও কৃষক কল্যাণ বিভাগ এবং কনভেনশন সচিবালয়ে পাঠায়। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন ঘরদা কেমিক্যালসের ড. কে.এন. সিং ও এআইএমসিও পেস্টিসাইডসের ড. সমীর দাভে।
অ্যাগ্রোস্পেকট্রাম জোর দিয়ে বলেছে, এই ফল তিন কীটনাশকের ঢালাও আন্তর্জাতিক ছাড়পত্র বা নিরাপত্তার স্বীকৃতি নয়; এর অর্থ শুধু, সিআরসি-২২-এ বিবেচিত প্রস্তাবগুলো তালিকাভুক্তিতে গড়ায়নি, আর প্রোফেনোফসের বিষয়টি এখনো প্রক্রিয়াধীন। রটারডাম কনভেনশন কিছু বিপজ্জনক রাসায়নিক ও কীটনাশকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আগাম অবহিত সম্মতির ব্যবস্থা করে, যাতে আমদানিকারক দেশ ভবিষ্যৎ আমদানি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
ভারতীয় উৎপাদকদের জন্য সিদ্ধান্তগুলো আপাতত রপ্তানি বাণিজ্য রক্ষা করছে। দক্ষিণ এশিয়াসহ আমদানিকারক দেশের কৃষক ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার জন্য এসব অর্গানোফসফেট কীটনাশক নিয়ে সিদ্ধান্তের ভার রয়ে গেল নিজ নিজ দেশের নিয়মের ওপর।
ছবি: John Messina / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: অ্যাগ্রোস্পেকট্রাম





মন্তব্য
(০)