সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৯ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৫°মেঘলাআর্দ্রতা ৯৪%বাতাস ৮ কিমি/ঘ

চিকিৎসার খরচে আর্থিক চাপে ৪২ শতাংশ মানুষ, এক বছরে দরিদ্র হয়েছে ৭২ লাখ

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের গবেষণা বলছে, ২০২২ সালে চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে ৪১ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ আর্থিক চাপে পড়েছে, আর শুধু এই ব্যয়ের কারণে ৭২ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে।

চিকিৎসার খরচে আর্থিক চাপে ৪২ শতাংশ মানুষ, এক বছরে দরিদ্র হয়েছে ৭২ লাখ
স্বাস্থ্য

দেশে চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে প্রায় ৪২ শতাংশ মানুষ আর্থিক চাপে পড়ছে। শুধু ২০২২ সালেই এই খরচের কারণে ৭২ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের এক গবেষণায় এই চিত্র এসেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও সুইডিশ দূতাবাসের সহায়তায় করা গবেষণাটির ফল বুধবার ঢাকার একটি হোটেলে উপস্থাপন করা হয়।

গবেষণায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০০৫, ২০১০, ২০১৬ ও ২০২২ সালের খানা আয়-ব্যয় জরিপের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের বাংলাদেশ ন্যাশনাল হেলথ অ্যাকাউন্টের ফোকাল পয়েন্ট সুব্রত পাল একটি স্ববিরোধের কথা তুলে ধরেন: ২০০৫ সালে দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ দরিদ্র ছিল, ২০২২ সালে তা কমে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ হয়েছে; কিন্তু একই সময়ে আর্থিক চাপে থাকা মানুষের হার ১২ দশমিক ৫ থেকে বেড়ে ৩২ দশমিক ১ শতাংশ হয়েছে।

চিকিৎসার কারণে আর্থিক কষ্টে থাকা মানুষের হার ২০০৫ সালে ছিল ২৮ দশমিক ২ শতাংশ, ২০২২ সালে তা দাঁড়িয়েছে ৪১ দশমিক ৭ শতাংশে। নিজের পকেট থেকে চিকিৎসার খরচ করা মানুষের হার ৫২ দশমিক ৫ থেকে বেড়ে ৯২ দশমিক ৭ শতাংশ হয়েছে। একটি খানার নিজস্ব গড় চিকিৎসা ব্যয় ২০০৫ সালের ৭০৯ টাকা থেকে ২০২২ সালে হয়েছে ৩ হাজার ৪৯৩ টাকা।

খরচের বড় অংশ যায় ওষুধে। ২০২২ সালে হাসপাতালের বহির্বিভাগের রোগীদের মোট ব্যয়ের ৭৪ শতাংশ গেছে ওষুধ কিনতে, ভর্তি রোগীদের ক্ষেত্রে ৩৫ শতাংশ। রোগনির্ণয়ে গেছে যথাক্রমে ১১ ও ২২ শতাংশ। সরকারি হাসপাতালে ভর্তি থাকলে গড় খরচ ২১ হাজার ৫৪৭ টাকা, বেসরকারি হাসপাতালে ৩২ হাজার ৫১৭ টাকা আর এনজিও হাসপাতালে ২২ হাজার ২৮ টাকা।

গবেষকেরা চাপ বাড়ার কয়েকটি কারণ দেখিয়েছেন। ২০১৬ থেকে ২০২২ সালে খানার আয় বেড়েছে ৩৮ শতাংশ, স্বাস্থ্য ব্যয় বেড়েছে ৪৩ শতাংশ। সরকারি হাসপাতাল বেছে নেওয়া রোগীর হার ১৫ দশমিক ১ থেকে কমে ১০ দশমিক ৯ শতাংশ হয়েছে, আর চিকিৎসার জন্য ফার্মেসিতে যাওয়া মানুষের হার ৩২ দশমিক ৫ থেকে বেড়ে ৫৫ দশমিক ৪ শতাংশ হয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত রোগীর হার ২০০৫ সালের ৪৪ দশমিক ৭ থেকে বেড়ে ৭২ দশমিক ৪ শতাংশ হয়েছে।

চাপ সব জায়গায় সমান নয়। ২০২২ সালে চিকিৎসার খরচে আর্থিক কষ্টে পড়া মানুষের হার সবচেয়ে বেশি বরিশাল বিভাগে, সবচেয়ে কম ঢাকা বিভাগে। গ্রামের মানুষ শহরের মানুষের চেয়ে বেশি কষ্টে পড়ে। সবচেয়ে দরিদ্র শ্রেণির ৯০ দশমিক ৮ শতাংশের ওপর এই চাপ পড়ে, সবচেয়ে ধনীদের মধ্যে ১৩ দশমিক ৬ শতাংশের ওপর।

গবেষণায় স্বাস্থ্যসেবায় মাথাপিছু সরকারি খরচ ১ হাজার ৭০ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। গবেষকেরা বলেছেন, শুধু সরকারি বরাদ্দ বাড়ালেই দরিদ্ররা তার সুবিধা ঠিকমতো পাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। প্রতিবেদনটি করেছেন প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি।

ছবি: সুনামগঞ্জের ট্রাফিক পয়েন্টের একটি ফার্মেসি, Marufish / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)

সূত্র: প্রথম আলো

প্রথম আলোসূত্র

স্বাস্থ্য

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

সবুজ, হলুদ আর লাল ক্যাপসিকাম একই ফল, পাকার ধাপে বদলায় স্বাদ ও পুষ্টি

বাজারের সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল ক্যাপসিকাম আলাদা জাত নয়, একই ফলের পাকার ভিন্ন ধাপ। পাকার সঙ্গে মিষ্টতা ও কিছু পুষ্টি উপাদান বদলায়, আর লাল ক্যাপসিকামের দাম বেশি কারণ গাছে পাকতে সময় লাগে বেশি।

বাংলা ট্রিবিউন৩০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

শোষণযোগ্য প্রোটিনে মুরগিকে ছাড়াল উদ্ভিজ্জ মাংস, ভারতের গবেষণাগারে পরীক্ষা

সিএসআইআর-আইএইচবিটি ও জিএফআই ইন্ডিয়ার গবেষণায় কৃত্রিম পরিপাক পরীক্ষায় পাঁচটি উদ্ভিজ্জ মাংসজাত পণ্যে প্রোটিনের জৈবলভ্যতা ৫৭ থেকে ৮৬ শতাংশ, মুরগির পণ্যে ২১ থেকে ৪৩ শতাংশ।

অ্যাগ্রোস্পেকট্রাম২৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
স্বাস্থ্য

জলবায়ু পরিবর্তনে স্বাস্থ্যে বছরে ২০.৭ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি, গরমে হারানো কর্মঘণ্টার ৬৪% কৃষিতে

নলেজ হাব ইনস্টিটিউটের গবেষণা বলছে, জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে বছরে প্রায় ২০.৭ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হচ্ছে, যার ৯৮ শতাংশ তাপজনিত। ২০২৪ সালে গরমে নষ্ট ২৯.২৫ বিলিয়ন কর্মঘণ্টার ৬৪ শতাংশ কৃষিতে।

জাগো নিউজ ২৪২৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)