গাইবান্ধার চরাঞ্চলে রঙিন গাজর চাষ ছড়াতে ৫০ কৃষকের মধ্যে বীজ বিতরণ ও প্রশিক্ষণ দিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. হারুন অর-রশিদের নেতৃত্বে একদল গবেষক। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে গাইবান্ধা সদরের কামারজানি ইউনিয়নে ব্রহ্মপুত্রের চরে এ কর্মসূচি হয়, জানিয়েছে এগ্রিকেয়ার২৪।
বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের (বিএএস) অর্থায়নে এবং বাকৃবির গবেষণা ব্যবস্থাপনার তত্ত্বাবধানে গাজরের ৪০টি জাত ও জার্মপ্লাজম নিয়ে গবেষণা চলছে। লক্ষ্য চরের মাটি ও আবহাওয়ার উপযোগী জাত বাছাই, ফলন বাড়ানো এবং মাঠে আধুনিক চাষপদ্ধতি ছড়িয়ে দেওয়া।
ড. হারুন অর-রশিদ জানান, গত বছর কামারজানির চরে আমিন মিয়া ও তছলিম মিয়া তাঁদের পতিত ৩০ শতাংশ জমিতে উন্নত জাতের গাজর চাষ ও বীজ উৎপাদন করেন। তাঁদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবার আরও ৫০ কৃষকের সামনে গাজর চাষের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর মতে, উপযুক্ত জাত, আধুনিক পদ্ধতি ও প্রশিক্ষণ নিশ্চিত হলে চরে গাজর লাভজনক হতে পারে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাকিবুল আলম। সংশ্লিষ্টদের আশা, গবেষণার ফল মাঠে কাজে লাগানো গেলে কামারজানিসহ গাইবান্ধার অন্যান্য চরেও রঙিন গাজরের আবাদ বাড়বে, পতিত জমির ব্যবহার বাড়বে এবং চরের কৃষকের বিকল্প আয়ের পথ খুলবে।
ছবি: Stephen Ausmus / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন); নানা রঙের গাজর
সূত্র: এগ্রিকেয়ার২৪





মন্তব্য
(০)