সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১০ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৫°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৯১%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

দক্ষিণ আফ্রিকায় ক্ষুরারোগ স্থায়ী হয়ে যেতে পারে, সতর্ক করলেন দুগ্ধ খামারিরা

রয়্যাল শোয়ের এক আলোচনায় দুগ্ধ খামারিরা বলেছেন, দেশে ক্ষুরারোগের ব্যাপক নজরদারি নেই, টিকার অগ্রগতি ভুলভাবে মাপা হচ্ছে, আর এই রোগ নিয়েই হয়তো স্থায়ীভাবে চলতে হবে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় ক্ষুরারোগ স্থায়ী হয়ে যেতে পারে, সতর্ক করলেন দুগ্ধ খামারিরা
লাইভস্টক

সরকার রোগ নজরদারি না বাড়ালে এবং খামারিরা সংক্রমণের খবর দেওয়া ও পশুকে টিকা দেওয়ায় আরও দায়িত্ব না নিলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ক্ষুরারোগ (ফুট-অ্যান্ড-মাউথ ডিজিজ, এফএমডি) নিয়েই স্থায়ীভাবে চলতে হতে পারে। শুক্রবার রয়্যাল শোতে ফার্মার্স উইকলির আয়োজনে দুগ্ধশিল্প নিয়ে এক আলোচনায় এই সতর্কবার্তা দেন খামারিরা।

দুগ্ধ খামারি ও এফএমডি রেসপন্স এসএ নামের সংগঠনের মুখপাত্র অ্যান্ড্রু মরফিউ (Andrew Morphew) বলেন, রোগ নিয়ন্ত্রণের ধারেকাছেও দেশ পৌঁছায়নি। তাঁর কথায়, এখনকার পথে চললে এফএমডি কখনো নিয়ন্ত্রণে আসবে না; দুগ্ধ খামারিদের এমন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত, যেখানে নিয়মিত টিকা আর কঠোর জৈব নিরাপত্তা সব সময় লাগবে।

মরফিউর বড় দুশ্চিন্তা হলো, ভাইরাস কতটা ছড়িয়েছে তা কেউ জানে না। ব্যাপক নজরদারি নেই, আর টিকার কারণে রোগের যে উপসর্গ দেখে আগে সংক্রমণ চেনা যেত, তা চাপা পড়ে যাচ্ছে; ফলে আক্রান্ত পশু উপসর্গ ছাড়াই ভাইরাস ছড়াতে পারে। সন্দেহজনক সংক্রমণের খবর দেওয়ার তেমন কোনো উৎসাহও খামারিদের নেই। নজরদারির দায়িত্ব কৃষি বিভাগের, কিন্তু এফএমডি পরীক্ষার অনুমোদন আছে কেবল কৃষি গবেষণা পরিষদের (এআরসি) একটি পরীক্ষাগারের। তিনি পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়ানো ও একটি জাতীয় নজরদারি পরিকল্পনা প্রকাশের দাবি জানান।

মরফিউ আরও বলেন, কত ডোজ টিকা দেওয়া হলো তা গোনা হচ্ছে, অথচ মাপা উচিত কোনো এক সময়ে কতগুলো পশুর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা আছে। সংক্রমণ থামাতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হলো পুরো পশুসংখ্যার ৮০ শতাংশের প্রতিরোধক্ষমতা। টিকার সুরক্ষা মোটামুটি ছয় মাস থাকে, তাই আগে টিকা পাওয়া পশু আবার ঝুঁকিতে পড়ায় টিকাদান কর্মসূচি পিছিয়ে পড়ার শঙ্কা আছে।

দুগ্ধ খামারি টম টার্নার (Tom Turner) নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। নিজের পশুকে টিকা দেওয়া সত্ত্বেও প্রতিবেশীদের গরুর মধ্যে রোগ ছড়িয়ে তাঁর খামারে পৌঁছায়; আক্রান্ত হয় ১০০টি গাভি, ক্ষতি হয় প্রায় ৯ লাখ ৬০ হাজার র‍্যান্ড। টার্নারের হিসাবে টিকা না থাকলে ক্ষতি দাঁড়াত প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ র‍্যান্ডে, তাতে ব্যবসাই বন্ধ হয়ে যেতে পারত। পুরো পালকে টিকা দিতে তাঁর বছরে খরচ হয় প্রায় ৪ লাখ র‍্যান্ড।

টার্নার বাধ্যতামূলক টিকার পক্ষে, তবে খামারিরা নিজে থেকে এই খরচ বহন করবেন কি না, তা নিয়ে তাঁর সন্দেহ আছে। তিনি বলেন, বছরে দুবার গাভিপ্রতি ৪৭ র‍্যান্ড খামারিরা খুশিমনে খরচ করবেন বলে মনে হয় না; ব্যাপক সুরক্ষা চাইলে সরকারকেও সম্ভবত অংশ নিতে হবে। দুজনেই বলেন, প্রতিবেশীর গরু অরক্ষিত থাকলে এক খামারের জৈব নিরাপত্তা যথেষ্ট নয়।

মরফিউ জানান, টিকা বাধ্যতামূলক হবে কি না, খরচ কে দেবে, ভবিষ্যতের প্রাদুর্ভাব কীভাবে সামলানো হবে, এসব নিয়ে অনিশ্চয়তায় পরিকল্পনা করা খুব কঠিন; ভুল তথ্য, খরচ আর পশু শনাক্তকরণ নিয়ে উদ্বেগে কিছু খামারি পিছিয়ে থাকছেন। উপসর্গ কমে আসাকে রোগ চলে যাওয়া ভাবা ভুল হবে বলে তিনি সতর্ক করেন: বিপদ কেটে গেছে ভেবে সতর্কতা ঢিলে হলেই ভাইরাস ফিরে আসে। আলোচনার প্রতিবেদন করেছেন ফার্মার্স উইকলির লিন্ডি বোথা।

ছবি: Mthembu Mkhohlane / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকা

ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকাসূত্র

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

দিনে দুবার দোহনে গাভিপ্রতি ১২,৩৫১ লিটার, শীর্ষে কর্নওয়ালের দুগ্ধ খামার

ট্রুরোর কাছের সিক্সটি একরস ফার্মের গাভিগুলো ২০২৫ সালে দিনে দুবার দোহনে গড়ে ১২,৩৫১ লিটার দুধ দিয়েছে; মালিক জেমস জনস বলছেন, এর রহস্য সহজ ও ধারাবাহিক ব্যবস্থাপনা।

Farmers Weekly১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তিতে গরুর জাত উন্নয়ন, দক্ষিণ আফ্রিকার সাধারণ খামারিদের পাশে বিশ্ববিদ্যালয়

কৃত্রিম প্রজনন, গরুর গরম আসা একসঙ্গে মেলানো আর প্রজননের হিসাব রাখার প্রযুক্তি দক্ষিণ আফ্রিকার কোয়াজুলু-নাটালের ৩৩ জন সাধারণ খামারির কাছে নিয়ে যাচ্ছে মাঙ্গোসুথু ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি; রয়্যাল শোর নতুন প্রযুক্তি কেন্দ্রে কাজটি তুলে ধরা হয়।

ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকা১০ অক্টোবর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

ক্ষুরারোগের মধ্যেও দশকের সেরা পশু প্রদর্শনী দক্ষিণ আফ্রিকার নাম্পো আলফায়

কড়া জৈব নিরাপত্তা ও টিকার শর্তে দক্ষিণ আফ্রিকার নাম্পো আলফা মেলায় পশু ফিরেছে, দুই দিনে প্রায় ৫ হাজার দর্শনার্থী এসেছেন; ২০২৭ সালে আফ্রিকা লাইভস্টক কনফারেন্সের পরিকল্পনা করছেন আয়োজকেরা।

ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকা১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)