বিশ্বজুড়ে পোলট্রির চাহিদা বাড়ার ধারায় ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে ইউরোপে সবচেয়ে বেশি খাওয়া মাংস হিসেবে শূকরের মাংসকে ছাড়িয়ে যাবে মুরগি। প্যারিসের কাছে সিয়াল খাদ্যমেলায় এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন চেক প্রজাতন্ত্রের কৃষি-খাদ্য গোষ্ঠী অ্যাগ্রোফার্টের মাংস ব্যবসা বিভাগ অ্যানিমালকোর প্রধান নির্বাহী ইউরাই সেকেতা (Juraj Seketa), রয়টার্সের বরাতে জানিয়েছে দ্য পোলট্রি সাইট।
সেকেতার ভাষায়, ১০ বা ১৫ বছরের মধ্যে ইউরোপেও পোলট্রি খাওয়ার পরিমাণ শূকরের মাংসের চেয়ে বেশি হবে। মুরগিকে সস্তা, পুষ্টিকর আর সহজে রান্নার খাবার হিসেবে দেখা হয়; ফিলিপাইনের মতো এশিয়ার যেসব বাজারে শূকরের মাংস জনপ্রিয়, সেখানেও ক্রেতারা ক্রমেই মুরগি চাইছেন বলে জানান তিনি।
অ্যাগ্রোফার্ট মুরগির উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াচ্ছে, দেশে নতুন একটি পোলট্রি জবাইয়ের লাইনও বসাচ্ছে। ইউরোপীয় কমিশনের পূর্বাভাস, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত ইইউতে মাথাপিছু শূকরের মাংস খাওয়া ধীরে ধীরে কমবে আর পোলট্রি বাড়বে, যদিও ওই সময় পর্যন্ত শূকরের মাংসই বেশি খাওয়া হবে বলে মনে করছে কমিশন।
আফ্রিকান সোয়াইন ফিভারের প্রাদুর্ভাবের পর এশিয়ায় চেক শূকরের মাংসের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, তা তোলার চেষ্টার মধ্যে ইউরোপের বাইরের বাজারেও নজর দিচ্ছে অ্যানিমালকো; এ বছর ভিয়েতনামে চালান আবার শুরু হয়েছে। সেকেতা জানান, জ্বালানির দাম বাড়ায় জাহাজভাড়া বেড়েছে, তাতে দামে সংবেদনশীল বাজারে মাংস রপ্তানি কঠিন হচ্ছে।
গত বছর অ্যাগ্রোফার্টের খাদ্য ব্যবসার আয় ছিল প্রায় ২৫০ কোটি ইউরো। প্রতিবেদনটি করেছেন মেলানি এপ।
ছবি: USDA / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: The Poultry Site





মন্তব্য
(০)