যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে দুগ্ধ প্রোটিন হোয়ের দাম রেকর্ড ছোঁয়ায় বিয়ার তৈরির ইস্ট থেকে প্রোটিন উপাদান বাজারে এনেছে নেদারল্যান্ডসের খাদ্যপ্রযুক্তি স্টার্টআপ রিভাইভ (Revyve)। খাদ্য প্রস্তুতকারকদের জন্য এটি হোয়ের সস্তা বিকল্প হবে বলে জানিয়েছে গ্রিন কুইন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক বছরে হোয়ের দাম পাঁচ গুণ বেড়েছে। সাধারণত উদ্ভিজ্জ প্রোটিন এর বিকল্প হয়, কিন্তু অনেক উদ্ভিজ্জ প্রোটিন পাতলা, দানাদার বা ডালের গন্ধযুক্ত লাগে, আর সয়া বা একাধিক উৎস না মেশালে প্রোটিনের মানও কম থাকে।
২০১৯ সালে কোরইয়ান ভ্যান ডেন বার্গ ও এডগার সুয়ারেজ গার্সিয়ার প্রতিষ্ঠিত রিভাইভ ভাখেনিঙেন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা কেন্দ্র থেকে জন্ম নেওয়া প্রতিষ্ঠান। তারা বড় বড় বিয়ার কারখানা ও ইস্ট উৎপাদকের কাছ থেকে স্যাকারোমাইসিস সেরেভিসি ইস্ট নেয়। গাঁজন না করে ইস্টের কোষ ভেঙে কম তাপমাত্রায় মৃদু প্রক্রিয়ায় প্রোটিন ও আঁশ আলাদা করা হয়, যা ফেনা, জেল ও মিশ্রণ তৈরিতে কাজে লাগে।
শুরুতে বেকারি ও সসে ডিমের বিকল্প হিসেবে এটি ব্যবহার হতো। এখন একই প্রযুক্তিতে প্রোটিন শেকে ঘনত্ব আনা এবং প্রোটিন বার নরম রাখার কাজে লাগানো হচ্ছে। নতুন প্রোটিনে অ্যালার্জির উপাদান নেই, প্রোটিন হজমযোগ্যতার মানদণ্ড পিডিসিএএস স্কোর সর্বোচ্চ ১.০, সঙ্গে আঁশও রয়েছে।
নেদারল্যান্ডসের ডিন্টেলুর্ডে নিজস্ব কারখানায় রিভাইভ এই উপাদান তৈরি করে। প্রোটিন ও আঁশের চাহিদা বাড়ার সময়েই এটি এল; প্রতিবেদনে উদ্ধৃত হিসাবে এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের ৫৭ শতাংশ ভোক্তা খাবারে প্রোটিনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
ছবি: Masur / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: Green Queen



মন্তব্য
(০)