সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১২ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭০%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

বগুড়ায় পোষা প্রাণীর খাবারের দোকান পাঁচ থেকে চল্লিশে, বাজারজুড়ে বিদেশি ব্র্যান্ড

বগুড়া শহরে বিড়াল ও পাখির খাবারের দোকান কয়েক বছরে চার-পাঁচটি থেকে ৪০টির বেশি হয়েছে; ব্যবসায়ীদের হিসাবে কয়েক কোটি টাকার এই বাজারের বেশির ভাগ খাবারই আমদানি করা, দেশি বিকল্প হাতে গোনা।

বগুড়ায় পোষা প্রাণীর খাবারের দোকান পাঁচ থেকে চল্লিশে, বাজারজুড়ে বিদেশি ব্র্যান্ড
এগ্রোবিজ

বগুড়া শহরে বিড়াল আর পোষা পাখির খাবার ও পরিচর্যাসামগ্রীর দোকান কয়েক বছর আগেও ছিল চার-পাঁচটি, এখন তা ৪০টি ছাড়িয়েছে। গোহাইল রোড, বকশি বাজার, কালিতলা, খান্দার, নূরানী মোড় ও মালতিনগরে গড়ে ওঠা এসব দোকানে প্রায় ১৫টি ব্র্যান্ডের আড়াই শতাধিক ধরনের তৈরি খাবার বিক্রি হচ্ছে। তবে বিক্রেতারা বলছেন, এর বড় অংশই চীন, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও তুরস্ক থেকে আনা।

কালিতলা হাটের শিহাব স্টোরের স্বত্বাধিকারী শিহাবের হিসাবে শুধু বগুড়া শহরেই প্রায় ১০ হাজার মানুষ বিড়াল পালেন, আর তাঁদের ঘিরে কয়েক কোটি টাকার খাবারের বাজার তৈরি হয়েছে। দোকানিরা খাবার আনেন ঢাকার আমদানিকারকদের কাছ থেকে; কুরিয়ার ও পরিবহন খরচে কেজিপ্রতি বাড়তি ১০ থেকে ১৫ টাকা যোগ হয় বলে জানান তিনি।

বিক্রেতাদের তথ্যে থাইল্যান্ডের স্মার্ট হার্টের চাহিদা সবচেয়ে বেশি: তিন কেজির প্যাকেট (সঙ্গে ৩০০ গ্রাম বাড়তি) ১ হাজার ৬০০ টাকা। ইন্দোনেশিয়ার কিলিও কেজি ৬৮০ টাকা, চীনের মিস্টার প্যাক ৪৫০ টাকা, আর রয়েল ক্যানিনের দুই কেজির প্যাকেট ৩ হাজার ৬০০ টাকা। খোলা ক্যাট ফুড কেজিপ্রতি ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা, ভালো মানের খোলা খাবার ৫০০ টাকা পর্যন্ত। দেশি ব্র্যান্ড হিসেবে বিক্রি হওয়া ওসকিসের এক কেজির দাম ৩২০ টাকা; বিক্রেতাদের দাবি, এটি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অনুমোদিত।

ক্রেতাদের একাংশের অভিযোগ, কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান খাবার বা কাঁচামাল বিদেশ থেকে এনে দেশে প্যাকেট করে দেশি পণ্য বলে বিক্রি করে, অথচ কোন পণ্য কোথায় তৈরি তা কেউ যাচাই করে না। উপশহরের বাসিন্দা রনি এ প্রক্রিয়ায় নজরদারির দাবি তুলেছেন।

পালনকারীদের মাসিক খরচও ভিন্ন। দত্তবাড়ির অদিতি ছয় বছর ধরে ২১টি বিদেশি জাতের বিড়াল পালছেন; খাবার, পরিচর্যা মিলিয়ে তাঁর মাসে খরচ ৩৫ হাজার টাকার বেশি, বিড়ালদের তিনি বেশির ভাগ সময় ব্রয়লার মুরগি ও মৃগেল মাছ খাওয়ান। সজীব বার্ড হাউসের জীবন হাসানের হিসাবে বাড়ির খাবারে মাসে এক হাজার টাকায় একটি বিড়াল পালা সম্ভব, বিদেশি তৈরি খাবারে তা তিন থেকে সাত হাজার টাকায় ওঠে। কালিতলার এক দোকানি জানান, আগে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি হওয়া কিছু বিড়াল এখন দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকায় মেলে।

পাখির খাবারেও দুই ধরনের বাজার: দোকানে বিদেশি ক্যানারি, মিলেট ও সূর্যমুখী বীজ যেমন আছে, তেমনি গম, কুসুম ফুলের বীজ, খেসারি, আতপ ধান ও ভুট্টার মতো দেশি খাবারও বিক্রি হয়।

বগুড়া জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম বলেন, পোষা প্রাণীর খাবারে পুষ্টিমান ও গুণগত মান নিশ্চিত করা জরুরি। দেশে উৎপাদন বাড়াতে মানসম্মত কাঁচামাল, সঠিক ফর্মুলা ও প্রযুক্তি দরকার; দেশি উৎপাদন বাড়লে আমদানিনির্ভরতা কমবে এবং ক্রেতারাও কম দামে খাবার পেতে পারেন।

প্রতিবেদনটি জাগো নিউজের বগুড়া প্রতিনিধির।

ছবি: Linda Hosek / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোবিজ

গরম ও খরায় যুক্তরাজ্যে খামারে আগুনে এক বছরে ১৫ কোটি পাউন্ডের ক্ষতি

এনএফইউ মিউচুয়ালের খামার অগ্নিকাণ্ড প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২৫ সালে যুক্তরাজ্যে ক্ষতি ১৫ কোটি পাউন্ড, দিনে ৪ লাখ পাউন্ডের বেশি; পূর্ব ইংল্যান্ডে ক্ষতি প্রায় তিন গুণ। গ্রামীণ দমকল বাহিনীর অর্থায়ন ও জাতীয় দাবানল কৌশলের দাবি জানিয়েছে এনএফইউ।

Farmers Weekly১৩ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

কৃষক কার্ডের তথ্য ব্যবস্থাপনায় কানাডার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী, আলোচনায় ডাল-তৈলবীজ

কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী রণদীপ সরাইয়ের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষক কার্ডে সার-বীজ সরবরাহের পরিকল্পনা তুলে ধরেন; ডাল ও তৈলবীজের উৎপাদন-সরবরাহে সহযোগিতা এবং সিমিটের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তার কাজ নিয়েও কথা হয়।

বাংলা নিউজ ২৪১৩ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের ভেড়ার মাংস আমদানির বিরুদ্ধে সুরক্ষা চাইছেন মার্কিন খামারিরা

সেকশন ২০১ সুরক্ষা তদন্তে আর-ক্যাফ ইউএসএ যুক্তি দিয়েছে, প্রায় পুরোটাই অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড থেকে আসা ভেড়ার মাংসের আমদানি মার্কিন ভেড়া পালনকারীদের গুরুতর ক্ষতি করছে; ২০২১ থেকে ২০২৫ সালে আমদানি বেড়েছে ১৪.৩ শতাংশ।

Farms.com১৩ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)