বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকের সেচ খরচ কমাতে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) আওতাধীন সব গভীর নলকূপ সৌরবিদ্যুতে চালানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজশাহীতে বিএমডিএর প্রধান কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ নির্দেশনা দেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) রেহান আসিফ আসাদ।
উপদেষ্টার যুক্তি, সৌরবিদ্যুতে নলকূপ চললে প্রচলিত বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা কমবে এবং সেচব্যবস্থার পরিচালন ব্যয় সাশ্রয় হবে। এতে কৃষকের সুবিধা বাড়বে, কৃষিতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহারও বিস্তৃত হবে। তাঁর ভাষায়, 'বরেন্দ্র অঞ্চলের সেচব্যবস্থায় সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।'
তিনি বলেন, কৃষকেরা যাতে সহজে ও কম খরচে জমিতে সেচ দিতে পারেন, সে জন্য সেচব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে পানির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করে কৃষি উৎপাদন ব্যয় কমানোর বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে।
সরকারি প্রতিষ্ঠানে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা জানান, বিএমডিএসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ও ব্যবহারের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে, এতে বিদ্যুৎ ব্যয় কমবে এবং পরিবেশ সুরক্ষায়ও তা ভূমিকা রাখবে।
বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম খানের সভাপতিত্বে সভায় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. মো. আবুল কাসেম, সচিব মো. মেহেদী হাসানসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কতগুলো নলকূপ কবে নাগাদ রূপান্তর করা হবে, প্রতিবেদনে তার কোনো সময়সূচি নেই।
প্রতিবেদনটি ঢাকা ট্রিবিউনের রাজশাহী প্রতিনিধির।
ছবি: বিদ্যুৎ বিভাগ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন





মন্তব্য
(০)