দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে জাপানের নতুন কৃষিমন্ত্রী আরাতা তাকেবে কৃষিনীতি থেমে থাকতে দেবেন না বলে অঙ্গীকার করেছেন এবং খাদ্য নিরাপত্তা, কাঠামোগত সংস্কার ও গ্রামীণ পুনরুজ্জীবনকে কেন্দ্র করে তাঁর কর্মসূচি তুলে ধরেছেন, জানিয়েছে অ্যাগনেভিগেটর।
তাকেবে, যাঁর বাবাও কৃষিমন্ত্রী ছিলেন, বলেন, সবার আগে কৃষি, বন ও মৎস্য প্রশাসনকে স্থবির হতে দেওয়া যাবে না; শক্তিশালী কৃষি, বন ও মৎস্য খাত ছাড়া আঞ্চলিক অর্থনীতি টিকবে না। তাঁর মতে, খাদ্য নিরাপত্তার পদক্ষেপ বাস্তবায়ন ও ধানক্ষেত নীতি ঢেলে সাজানোয় সরকার এখন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে, আর আগামী পাঁচ বছর মন্ত্রণালয় কৃষির কাঠামোগত রূপান্তরে মনোযোগ দেবে।
অগ্রাধিকারের শুরুতে জমি ও মানুষ। তিনি বলেন, সবচেয়ে জরুরি প্রশ্ন হলো কীভাবে খামারের উত্তরসূরি নিশ্চিত করা যায়, কৃষিজমি রক্ষা করা যায় এবং উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে ও খরচ কমিয়ে কৃষকের আয় বাড়ানো যায়। আঞ্চলিক পরিকল্পনা জোরদার ও কৃষিজমি একত্র করাই গ্রামীণ কৃষি এলাকার ভবিষ্যৎ ঠিক করবে বলে তিনি মনে করেন। স্থিতিশীল খাদ্য সরবরাহকে তিনি মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব বলেছেন।
সংশোধিত খাদ্য, কৃষি ও গ্রামীণ এলাকা বিষয়ক মৌলিক আইনের আওতায় কর্মসূচিতে আছে প্ল্যান্ট ফ্যাক্টরি ও স্থলভিত্তিক মাছচাষে সহায়তা, চালের স্থিতিশীল সরবরাহ, উচ্চ উপকরণ খরচে কৃষককে সহায়তা, গ্লুটেনমুক্ত চালের আটার উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো ও বিদেশে বাজার খোঁজা, এবং সারের মতো উপকরণের দেশীয় উৎপাদন বাড়ানো। ২০৩০ সালের মধ্যে রপ্তানি ৫ লাখ কোটি ইয়েনে (৩,১৬০ কোটি মার্কিন ডলার) নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে জাপানের।
দেশের ৮০ শতাংশ আলু উৎপাদনকারী হোক্কাইডোর মানুষ তাকেবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সম্ভাব্য আলু আমদানি নিয়ে চাষিদের উদ্বেগের কথা স্বীকার করেন এবং বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় সরকার ঝুঁকি মূল্যায়ন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় দৃঢ় থাকবে।
ছবি: Kropsoq / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: AgNavigator




মন্তব্য
(০)