সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩১°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৬৩%বাতাস ৮ কিমি/ঘ

একক উদ্ভিদকোষ বাছাই প্রযুক্তিতে নতুন জাত উদ্ভাবনের খরচ কমাতে চায় আমাতেরা

স্টার্টআপটি আলাদা আলাদা উদ্ভিদকোষ গবেষণাগারে বড় করে, স্বয়ংক্রিয় বাছাই প্রযুক্তিতে সম্ভাবনাময় কোষ বেছে নেয় এবং শুধু সেগুলো থেকেই চারা তৈরি করে। এতে খরচ অন্তত পাঁচ গুণ কমবে বলে তাদের আশা।

একক উদ্ভিদকোষ বাছাই প্রযুক্তিতে নতুন জাত উদ্ভাবনের খরচ কমাতে চায় আমাতেরা
এগ্রোটেক

নতুন ফসলের জাত উদ্ভাবনে সময় ও খরচ দুটোই কমাতে পুরো গাছের বদলে একক উদ্ভিদকোষ পর্যায়ে বাছাইয়ের প্রযুক্তি এনেছে উদ্ভিদ প্রজনন স্টার্টআপ আমাতেরা (Amatera)। প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু ২০২২ সালে।

প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রজননবিদেরা আগে কোষ থেকে গাছ তৈরি করেন, তারপর জিনগত পরীক্ষা করে দেখেন কী পাওয়া গেল। আমাতেরা কোষগুলো একটি থেকে আরেকটি আলাদা করে গবেষণাগারে উদ্ভিদ কোষ কালচারে বড় করে। এরপর কাঙ্ক্ষিত কোষলাইন চিহ্নিত করে শুধু সেগুলো থেকেই চারা তৈরি করে নার্সারি ও মাঠে পরীক্ষা চালায়। প্রধান নির্বাহী ওমর দেকিশ (Omar Dekkiche) এজিফান্ডনিউজকে বলেন, এতে বাছাইয়ের জট দূর হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি ভৌত ও রাসায়নিক উপায়ে জিনগত বৈচিত্র্য তৈরি করে। এতে জিএমও নয় এমন কোষলাইনের বড় এক ভান্ডার গড়ে ওঠে, যার জিনোম পড়ে বাছাই করা হয়। জিন সম্পাদনার মতো অন্য পদ্ধতিতে তৈরি কোষলাইনেও একই স্বয়ংক্রিয় বাছাই চালানো যায়। দেকিশ জানান, সাশ্রয়ের হিসাব নিয়ে গবেষণাগারের তথ্য এখনো জোগাড় চলছে। তবে প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় খরচ অন্তত পাঁচ গুণ কম এবং সময় অর্ধেক লাগবে বলে তাঁদের আশা।

কোষ পর্যায়ের এই বাছাই কাজ করে সেই সব বৈশিষ্ট্যে, যার জানা জিনগত চিহ্ন আছে। ক্যাফেইন তেমন একটি, কারণ কোষেই তা তৈরির বিপাকক্রিয়া থাকে। খরা সহনশীলতা বা ফলনের জন্য কোষ পর্যায়ে এখনো নির্ভরযোগ্য বাছাই নেই, আর সে প্রতিশ্রুতিও তাঁরা দিচ্ছেন না বলে জানান দেকিশ।

প্রথম ফসল কফি ও আঙুর। কফিতে তাঁরা কাজ করছেন প্রাকৃতিকভাবে ক্যাফেইনমুক্ত জাত এবং "রোবাস্টিকা" নিয়ে, যার স্বাদ হবে অ্যারাবিকার মতো আর সহনশীলতা রোবাস্টার মতো। মান নির্ধারণকারী নতুন জিন এখন যাচাইয়ের পর্যায়ে, বাজারে আসতে সময় লাগবে। আঙুরে তাঁরা এমন ওয়াইন-জাত তৈরি করছেন, যা ডাউনি ও পাউডারি মিলডিউ ছত্রাক প্রতিরোধ করবে। ইউরোপে আঙুরলতার প্রধান সমস্যা এই ছত্রাক।

দেকিশ ও প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা লুসি ক্রিগসহাউসার (Lucie Kriegshauser) প্রতিষ্ঠিত আমাতেরা কোষ জীববিজ্ঞানের সঙ্গে রোবোটিকস, মেশিন লার্নিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মিলিয়ে এমন একটি যন্ত্র তৈরি করছে, যা নিজে নিজেই উদ্ভিদকোষ থেকে চারা তৈরির পুরো কাজ চালাবে। এ বছর তারা সিড পর্বের বিনিয়োগ পেয়েছে এবং জুনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন-সমর্থিত ইআইসি অ্যাক্সিলারেটরে জায়গা পেয়েছে। বীজ কোম্পানির সঙ্গে অংশীদারত্বে বার্ষিক প্রধান খাদ্যফসলেও কাজ শুরুর পরিকল্পনা আছে, তবে অংশীদারদের নাম এখনো ঘোষণা হয়নি।

এজিফান্ডনিউজ জানিয়েছে, তাদের মূল প্রতিষ্ঠান এজিফান্ড আমাতেরার একজন বিনিয়োগকারী। লন্ডনে ওয়ার্ল্ড এগ্রি-টেক অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকারটি নেন ইলেইন ওয়াটসন।

ছবি: Jeevan Jose, Kerala, India / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: এজিফান্ডনিউজ

এজিফান্ডনিউজসূত্র

এগ্রোটেক

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোটেক

সৌরসেচ পাম্পের লক্ষ্যের ৯০% পূরণ ভারতের পিএম-কুসুমে, দ্বিতীয় ধাপে কৃষককে প্রাধান্যের দাবি

প্রথম ধাপে প্রায় ১,১৯,০০০ সৌরপাম্প বসলেও খামারে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের ১০,০০০ মেগাওয়াট লক্ষ্যের মাত্র ২,৪০০ মেগাওয়াট হয়েছে। অ্যাগ্রিভোল্টাইকসসহ নতুন ধাপে প্রস্তুতি যাচাই, নিশ্চিত অর্থ পরিশোধ ও ভূগর্ভস্থ পানির সুরক্ষা চায় সিএসই।

ডাউন টু আর্থ২৮ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

১,৬০০ হর্সপাওয়ারের হাইব্রিড ট্রাক্টর আনল চীনের জুমলিয়ন, দাবি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী

চীনের সিআইএএমই প্রদর্শনীতে উন্মোচিত এই আর্টিকুলেটেড ট্রাক্টরে আছে ৮০০ ভোল্টের ব্যবস্থায় দুটি বৈদ্যুতিক মোটরসহ হাইব্রিড পাওয়ারট্রেন ও নিরবচ্ছিন্ন গিয়ার।

Future Farming২৮ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

জিপিএস নয়, ক্যামেরা দেখে বাগানে নিজে চলে ট্রাক্টর: কিংম্যান এগের স্বয়ংক্রিয় কিট

মিনিয়ন মিনি নামের কিটটি জিএনএসএস বা লাইডারের বদলে ফিশআই ক্যামেরায় পথ চেনে, তাই ধুলায় ও গাছের ছাউনির নিচেও কাজ করে। দাম ২০ থেকে ৩০ হাজার ডলার।

Future Farming২৮ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)