সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩১°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৬৩%বাতাস ৮ কিমি/ঘ

সৌরসেচ পাম্পের লক্ষ্যের ৯০% পূরণ ভারতের পিএম-কুসুমে, দ্বিতীয় ধাপে কৃষককে প্রাধান্যের দাবি

প্রথম ধাপে প্রায় ১,১৯,০০০ সৌরপাম্প বসলেও খামারে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের ১০,০০০ মেগাওয়াট লক্ষ্যের মাত্র ২,৪০০ মেগাওয়াট হয়েছে। অ্যাগ্রিভোল্টাইকসসহ নতুন ধাপে প্রস্তুতি যাচাই, নিশ্চিত অর্থ পরিশোধ ও ভূগর্ভস্থ পানির সুরক্ষা চায় সিএসই।

সৌরসেচ পাম্পের লক্ষ্যের ৯০% পূরণ ভারতের পিএম-কুসুমে, দ্বিতীয় ধাপে কৃষককে প্রাধান্যের দাবি
এগ্রোটেক

ভারতের কৃষিতে সৌরশক্তি ছড়ানোর প্রধান প্রকল্প পিএম-কুসুম ২০২৬ সালের মার্চে প্রথম ধাপ শেষে আলাদা সৌরসেচ পাম্পের লক্ষ্যের প্রায় ৯০ শতাংশ পূরণ করেছে, কিন্তু বিকেন্দ্রীকৃত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের লক্ষ্য পূরণ হয়েছে মাত্র এক-চতুর্থাংশ। ২৭ অক্টোবর এক ওয়েবিনারে দিল্লির গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট (সিএসই) এ তথ্য দিয়েছে।

২০১৯ সালে শুরু হওয়া প্রকল্পের তিনটি অংশ। কম্পোনেন্ট এ, অর্থাৎ কৃষিজমিতে গ্রিডসংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র, ১০,০০০ মেগাওয়াট লক্ষ্যের বিপরীতে প্রায় ২,৪০০ মেগাওয়াট বসিয়েছে। কম্পোনেন্ট বিতে বসেছে প্রায় ১,১৯,০০০ আলাদা সৌরপাম্প। গ্রিডে চলা পুরোনো কৃষি পাম্প ও ফিডার সৌরশক্তিতে রূপান্তরের কম্পোনেন্ট সির অগ্রগতি রাজ্য ও মডেলভেদে ভিন্ন। সিএসইর নবায়নযোগ্য জ্বালানি কর্মসূচির ব্যবস্থাপক বিনীত দাস জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ফিডার প্রকল্পে রাজ্য সংস্থা, বিতরণ কোম্পানি, নিয়ন্ত্রক, উদ্যোক্তা, ঋণদাতা ও জমির মালিকদের সমন্বয় লাগে, আর কিছু রাজ্যে অগ্রগতি প্রায় নেই।

সরকার পিএম-কুসুম ২.০ প্রস্তুত করছে। সিএসই চায়, সক্ষমতা বরাদ্দের আগে জমি, গ্রিডের সক্ষমতা, অনুমোদন, ক্রয় ও অর্থায়নের প্রস্তুতি যাচাই হোক, পুরো খরচ বিবেচনায় দাম ঠিক হোক এবং বিল ও অর্থ পরিশোধের নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকুক। বিতরণ কোম্পানির দেরিতে অর্থ পরিশোধে উদ্যোক্তাদের ঋণের খরচ বাড়ে।

সরকার ইঙ্গিত দিয়েছে, পরের ধাপে অ্যাগ্রিভোল্টাইকসের আলাদা অংশ থাকবে, যেখানে একই জমিতে ফসল চাষ ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। প্রকাশিত খবরে বিদ্যমান দায়সহ ৫১,০০০ কোটি রুপি পর্যন্ত অর্থের প্রয়োজনের কথা এসেছে, তবে চূড়ান্ত বরাদ্দ ও নিয়ম এখনো অনুমোদনের অপেক্ষায়। সিএসই বলেছে, অ্যাগ্রিভোল্টাইক নকশা ফসলের চাহিদা, স্থানীয় কৃষি-জলবায়ু ও খামারের আকারের সঙ্গে মানানসই হতে হবে, আর ক্ষুদ্র ও বর্গাচাষিরাও যেন অর্থায়ন পান।

সংস্থাটি সতর্ক করেছে, সেচের খরচ কমলে সুরক্ষাব্যবস্থা ছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি তোলা বাড়তে পারে, তাই সৌরসেচকে পানি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের নীতি উপদেষ্টা প্রিয়মী দত্ত বলেন, পিএম-কুসুম ২.০-এর সাফল্য মাপা হবে কৃষিজমিতে কত সৌরক্ষমতা বসল তা দিয়ে নয়, জমিনির্ভর কৃষকের কতটা বাস্তব সুবিধা হলো তা দিয়ে। প্রতিবেদনটি লিখেছেন দক্ষিণী পালিচা।

ছবি: Shailsh Telang / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: Down To Earth

ডাউন টু আর্থসূত্র

এগ্রোটেক

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোটেক

১,৬০০ হর্সপাওয়ারের হাইব্রিড ট্রাক্টর আনল চীনের জুমলিয়ন, দাবি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী

চীনের সিআইএএমই প্রদর্শনীতে উন্মোচিত এই আর্টিকুলেটেড ট্রাক্টরে আছে ৮০০ ভোল্টের ব্যবস্থায় দুটি বৈদ্যুতিক মোটরসহ হাইব্রিড পাওয়ারট্রেন ও নিরবচ্ছিন্ন গিয়ার।

Future Farming২৮ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

জিপিএস নয়, ক্যামেরা দেখে বাগানে নিজে চলে ট্রাক্টর: কিংম্যান এগের স্বয়ংক্রিয় কিট

মিনিয়ন মিনি নামের কিটটি জিএনএসএস বা লাইডারের বদলে ফিশআই ক্যামেরায় পথ চেনে, তাই ধুলায় ও গাছের ছাউনির নিচেও কাজ করে। দাম ২০ থেকে ৩০ হাজার ডলার।

Future Farming২৮ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

ভার্টিক্যাল ফার্মিং ও স্থলভিত্তিক মাছচাষ প্রযুক্তিতে জোট বাঁধছে জাপান ও সিঙ্গাপুর

২৯ অক্টোবর ঘোষিতব্য সমঝোতা স্মারকে জাপানের খাদ্যপ্রযুক্তির চার স্তম্ভে যৌথ কাজ হবে: ভার্টিক্যাল ফার্মিং, স্থলভিত্তিক জলজ চাষ, খাদ্য যন্ত্রপাতি ও নতুন খাদ্য।

FoodNavigator২৮ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)