জলবায়ু পরিবর্তন থেকে খাদ্য সরবরাহ রক্ষায় খাদ্যপ্রযুক্তিতে সহযোগিতা বাড়াচ্ছে জাপান ও সিঙ্গাপুর। কৃষি-খাদ্য উদ্ভাবন নিয়ে দুই দেশের একটি সমঝোতা স্মারক ২৯ অক্টোবর ঘোষণার কথা।
জাপানের কৃষি, বন ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের (মাফ) সহকারী মন্ত্রী ইয়োশিহিরো কুরায়া (Yoshihiro Kuraya) জাপানের খাদ্য উৎপাদনের চাপের উদাহরণ হিসেবে তাপমাত্রা বাড়ায় চালের দানার মান কমে যাওয়া এবং সাগরের তাপমাত্রা বদলে স্যামন মাছ ধরা কমে যাওয়ার কথা বলেন।
জাপান চারটি ক্ষেত্রে মনোযোগ দিচ্ছে। প্রথমটি ভার্টিক্যাল ফার্মিং, যেখানে জাপানি কোম্পানিগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবট ব্যবহার করে স্ট্রবেরি ও পাতাজাতীয় সবজি চাষের ব্যবস্থা তৈরি করছে, কয়েকটি বাণিজ্যিক ব্যবহারের কাছাকাছি। দ্বিতীয়টি স্থলভিত্তিক জলজ চাষ, যেখানে পানি পরিশোধন ও অক্সিজেন মেশানোর প্রযুক্তিতে জাপানের দক্ষতা কাজে লাগানো হবে। পানি ছেঁকে বারবার ব্যবহারের রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেমে (আরএএস) এখনই স্যামন ও চিংড়ি চাষ হচ্ছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত জাপানের মৎস্য সংস্থায় ৮০৮টি স্থলভিত্তিক জলজ চাষকেন্দ্র নিবন্ধিত ছিল।
তৃতীয় ক্ষেত্র খাদ্য যন্ত্রপাতি, যেমন স্বয়ংক্রিয় পাস্তা রান্নার রোবট। চতুর্থটি নতুন খাদ্য, যার মধ্যে আছে দ্রুত বৃদ্ধি ও বেশি খাওয়ার উপযোগী অংশের জন্য জিনোম সম্পাদিত রেড সি ব্রিম ও ফ্লাউন্ডার মাছ। কুরায়া জানান, এগুলো জাপানে এখনই বিক্রি হচ্ছে। নতুন সহযোগিতার আওতায় জাপানের এআরকে ইনকরপোরেটেড ও ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর আরএএস প্রযুক্তির গবেষণা, প্রদর্শনী ও বাস্তব প্রয়োগে একসঙ্গে কাজ করবে।
নতুন স্মারকটি ২০২৩ সালে মাফ ও সিঙ্গাপুরের টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সই হওয়া সহযোগিতা স্মারকের ধারাবাহিকতা। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৬০ বছর পূর্তিতে সেটি খাদ্যপ্রযুক্তি যুক্ত করে নবায়ন করা হবে।
সূত্র: FoodNavigator



মন্তব্য
(০)