জৈববায়োগ্যাসের অবশেষ দিয়ে আমদানি করা সারের একাংশের বিকল্প সম্ভব: ইইউ গবেষণা
ইউরোপীয় কমিশনের যৌথ গবেষণা কেন্দ্র বলছে, কিছু তরল ডাইজেস্টেট মাঠে রাসায়নিক সারের মতোই কাজ করে। ডিসেম্বর থেকে এপ্রিলে ইইউতে নাইট্রোজেন সারের দাম আরও ৪০ শতাংশ বেড়েছে।
জৈবইউরোপীয় কমিশনের যৌথ গবেষণা কেন্দ্র বলছে, কিছু তরল ডাইজেস্টেট মাঠে রাসায়নিক সারের মতোই কাজ করে। ডিসেম্বর থেকে এপ্রিলে ইইউতে নাইট্রোজেন সারের দাম আরও ৪০ শতাংশ বেড়েছে।
লাইভস্টকফেনীর ফুলগাজীর নোয়াপুর গ্রামের নয়জন পোলট্রি খামারি মুরগির বিষ্ঠা থেকে বায়োগ্যাস তৈরি করে পাইপলাইনে আশপাশের প্রায় শতাধিক পরিবারের রান্নাঘরে পৌঁছে দিচ্ছেন।
লাইভস্টকনাইরোবিতে আইএলআরআইয়ের মাজিঙ্গিরা কেন্দ্রে ভারতের এক গবেষক খুঁজছেন এমন স্থানীয় ডালজাতীয় পশুখাদ্য, যা ভেড়ার মিথেন নিঃসরণ কমাবে। মোজাম্বিকের এক প্রকৌশলী গোবরের বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের জন্য তৈরি করছেন সেন্সরভিত্তিক তদারকি ব্যবস্থা।
লাইভস্টকপেন স্টেটের মডেলে ১,০০০ গাভীর খামারে গোবরের সঙ্গে উদ্ভিজ্জ জৈববস্তু, বিশেষ করে শীতকালীন রাই, মিশিয়ে বায়োগ্যাস করলে লাভ-লোকসান সমান করতে প্রয়োজনীয় মূলধন সহায়তা প্রায় ৪৭% থেকে ৪%-এ নেমে আসে।
এগ্রোবিজ১ অক্টোবর চালু হওয়া প্রকল্পটি ২০৩৬ পর্যন্ত সংকুচিত বায়োগ্যাসের দাম বেঁধে দিয়েছে, কারখানা সক্ষমতায় পৌঁছালে তবেই পুঁজি-সহায়তা দেবে এবং গ্যাস ক্রেতাদের চুক্তির পরিমাণ নিতে বাধ্য করছে; তবে ডাউন টু আর্থের বিশ্লেষণে কাঁচামাল ও জৈব সারের বাজারের প্রশ্ন এখনো অমীমাংসিত।
পরিবেশআইরিশ বায়োএনার্জি অ্যাসোসিয়েশন বায়োমিথেন অবকাঠামোয় অনুদান, ছোট খামার ডাইজেস্টারের জন্য আলাদা ৩০-৪০ লাখ ইউরো, নবায়নযোগ্য তাপ বাধ্যবাধকতা এবং বায়োমাস যন্ত্রে ভ্যাট কমানোর দাবি জানিয়েছে।
খুলনার ডুমুরিয়ার চণ্ডীপুর আর পাশের সাতক্ষীরার তালার জেয়ালা, দুই গ্রামের দুই শতাধিক পরিবারের প্রায় ২ হাজার ১০০ গাভি থেকে দিনে ৮ থেকে ১০ হাজার লিটার দুধ উৎপাদিত হয়; সংরক্ষণের ব্যবস্থা, সহজ ঋণ ও পাকা সড়ক না থাকায় খামারিরা কম দামে দুধ বেচতে বাধ্য হন।
ভারতের কেরালার সংগীত ও কাব্যা দম্পতি নিজেদের বাড়িতে সবজি, মাছ ও মাশরুম চাষ, গরু-মুরগি পালন, গোবরের বায়োগ্যাস, সৌরবিদ্যুৎ ও মৌচাষ মিলিয়ে এমন এক চক্র গড়েছেন, যেখানে এক ব্যবস্থার বর্জ্য অন্যটির কাঁচামাল।
জার্মানিতে ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে তোলা হচ্ছে বাণিজ্যিক বায়োগ্যাস কারখানা। খাদ্যশস্য ও বর্জ্যকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে ওই কারখানা থেকে গ্যাস পাঠানো হচ্ছে কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষেত্রে। পাশাপাশি উৎপাদন হচ্ছে জৈব জ্বালানি ও উৎকৃষ্টমানের সার।