ছাদ বাগানের জন্য কয়েকটি টিপস
ছাদ বাগানীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। টবে, ড্রামে গাছ লাগানো হয়। কেউ ফল, কেউবা সবজির গাছ লাগান। কেউ সফল হন। কেউ সফল হন না। ছোট ছোট কিছু ভুল বাগানীরা করে থাকেন। সে কারণে যত্ন নিলেও
ছাদ বাগানীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। টবে, ড্রামে গাছ লাগানো হয়। কেউ ফল, কেউবা সবজির গাছ লাগান। কেউ সফল হন। কেউ সফল হন না। ছোট ছোট কিছু ভুল বাগানীরা করে থাকেন। সে কারণে যত্ন নিলেও
আম, লিচু, নারকেলের ব্যবসায়িক ফলবাগানে সার তো নিয়মমতো পড়ে তবে বড় গাছে আর যাই হোক রোগপোকা নিয়ন্ত্রণের জন্য ঠিকমতো স্প্রে চাষিরা করে উঠতে পারেন না। খোলা মাঠের সবজি, ধান বা ডালশস্
পর্যটন শহর কক্সবাজারে দিনে দিনে নির্মিত হচ্ছে নতুন নতুন আবাসন, হোটেল-মোটেল আর অবকাঠামো। এতে বিশ্বের বৃহত্তম সমুদ্র সৈকতের পাড়ে অবস্থিত শহরটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে, ধ্বংস হচ্ছে প্রকৃতি। যা সুরক্ষায় কিছু নাগরিক উদ্যোগ নিচ্ছেন ছাদকৃষির। এতে পূরণ হচ্ছে পরিবারের খাদ্য চাহিদাও।
ছাদকৃষিরংপুরের কামালকাঁচনা পাড়ার কামরুল আহসান বিপ্লব তার একতলা বাড়ির ২,১০০ বর্গফুট ছাদকে রূপান্তরিত করেছেন এক সবুজ কৃষিক্ষেত্রে। চার বছর ধরে তিনি গণমাধ্যমে দেখে পাওয়া অনুপ্রেরণাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। তার ছাদকৃষি শুধু সবজি ও ফসল উৎপাদনে নয়, বরং জৈব পদ্ধতিতে কৃষির নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলেছে। ছাদকৃষিতে রোগবা
সারাদেশের মতো রংপুর বিভাগীয় শহরেও দ্রুত বাড়ছে ছাদকৃষি। একজনের দেখাদেখি অনুপ্রাণিত হয়ে ঘরোয়া ফসল উৎপাদনে যুক্ত হচ্ছেন আরেকজন। তবে নতুন উদ্যোক্তাদের কাছে ফসলের রোগবালাই প্রতিরোধ সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা বলছেন, এ বিষয়ে প্রয়োজন প্রশিক্ষণ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির নানা কার্যক্রম।
ছাদকৃষিমিরপুরের লাকী রহমান ছাদকৃষির মাধ্যমে বিষমুক্ত খাদ্য উৎপাদন করছেন। একসময় শখের বশে শুরু করা সবুজায়ন এখন তার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অল্প জায়গায় পরিকল্পিত এই ছাদকৃষিতে তিনি ফল, সবজি, আর অরগানিক ফসল উৎপাদন করছেন, যা তার পরিবারের খাদ্য চাহিদার বড় অংশই পূরণ করছে। এই উদ্যোগ শুধু তার নিজের নয়, বরং পরিবেশের জ
ছাদের ওপর ধান চাষের বিষয়টি বেখাপ্পা মনে হলেও কাজটি সফলভাবে করে দেখিয়েছেন ডা. নাফিসা জাহান। শখের বশে নিজ কর্মস্থলের ভবনের ছাদে আখের পর এবার ধান চাষ করে আলোড়ন তুলেছেন বরিশাল ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড এলাইড সায়েন্সেসের (ইনমাস) পরিচালক ডা. নাফিসা জাহান।
নিজ ভবনে সবুজের সন্নিবেশ ঘটানোর পাশাপাশি নিরাপদ ফসলের প্রত্যাশায় রাজধানীর মিরপুরে ছাদকৃষি গড়েছেন লাকী রহমান। তার কাছে ছাদকৃষির আয়োজনটি একাকীত্ম দূরীকরণেরও মূল জায়গা হয়ে উঠেছে।
ছাদকৃষি১০ তলার উপরে ১৬ হাজার ৫৭৯ বর্গফুটের ছাদে বিস্তৃত সবুজের সাম্রাজ্য। রংপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুরুজ সরকারের উদ্যোগে ছাদকৃষি শুধুমাত্র একটি শখ নয়, এটি পরিবেশ এবং কর্মপরিবেশের জন্য এক অনন্য উদাহরণ। কীভাবে একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা তার ব্যস্ত সময়ের ভেতরেও কৃষির প্রতি ভালোবাসা দিয়ে ছাদে ফল-ফসল
সারাদেশেই নগরজীবনে সবুজের ঘাটতি দূরীকরণ, নিরাপদ খাদ্য আর মানসিক প্রশান্তি সৃষ্টির উৎস হয়ে উঠছে ছাদকৃষি। এই তালিকায় এবার যুক্ত হলো রংপুরের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবন। ১০ তলা ভবনের বিশালাকার ছাদকে সাজানো হয়েছে মাঠের ফসলের আদলে।
ছাদকৃষিলেখাপড়ার পাশাপাশি আত্মনির্ভরশীর হওয়ার উপায় হিসাবে ছাদকৃষিকে বেছে নিয়েছেন শরীয়তপুরের এক তরুণ শিক্ষার্থী। দেশ-বিদেশের শত শত রকমের ফুলের চারা বিক্রি করে বছরে আয় করছেন লাখ টাকা। বিস্তারিত জানাচ্ছেন শাইখ সিরাজ।
ছাদকৃষিশহরের সবুজায়ন রক্ষায় ছাদকৃষির এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ধানমন্ডির জিয়া মাহমুদ ও তার স্ত্রী ফিরোজা হোসেন এমি। ২৭০০ বর্গফুটের এই ছাদে তারা গড়ে তুলেছেন ফুল, ফল এবং ফসলের সমন্বয়ে একটি সবুজ বাগান। পরিবারের ঐতিহ্য ধরে রাখা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় তাদের এই উদ্যোগ প্রতিটি শহুরে নাগরিকের জন্য অনুপ্রেরণা।
লেখাপড়ার পাশাপাশি আত্মনির্ভরশীল হওয়ার উপায় হিসাবে ছাদকৃষিকে বেছে নিয়েছেন শরীয়তপুরের এক তরুণ শিক্ষার্থী। দেশ-বিদেশের শত শত রকমের ফুলের চারা বিক্রি করে বছরে আয় করছেন লাখ টাকা।