সিরাজদীখানে ধলেশ্বরীর ভাঙনে বিলীন একটি ঘর, ঝুঁকিতে আরও ১৫ পরিবার
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানের বড় বর্তা গ্রামে ধলেশ্বরী নদীর তীব্র স্রোতে একটি বসতঘর নদীতে চলে গেছে; ভাঙনের মুখে আরও ১৫টি পরিবার, বালুবাহী বাল্কহেড চলাচলে ভাঙন বাড়ছে বলে অভিযোগ।
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানের বড় বর্তা গ্রামে ধলেশ্বরী নদীর তীব্র স্রোতে একটি বসতঘর নদীতে চলে গেছে; ভাঙনের মুখে আরও ১৫টি পরিবার, বালুবাহী বাল্কহেড চলাচলে ভাঙন বাড়ছে বলে অভিযোগ।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে পঞ্চসারের ১০ হেক্টরে আগস্ট-ডিসেম্বরে ১৫-২০ কোটি টাকার চারা বিক্রি হয়; জমিতে পানি জমায় কৃষকেরা চারা লাগাতে না পারায় ক্রেতা নেই, আর ভারী বৃষ্টিতে ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলি, টমেটো, বেগুন ও মরিচের চারা নষ্ট হচ্ছে, ৩০-৩৫ বছরে এমন মন্দা দেখেননি চাষিরা।
হৃদয়ে মাটি ও মানুষ২টি গরু থেকে শুরু ৮০টি গরুর খামার!
গরুর খাদ্যের উচ্চমূল্য আর উৎপাদিত দুধের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় যখন দেশের অনেক খামারি দিশেহারা, তখন ভিন্ন এক সফলতার চিত্র মুন্সিগঞ্জের বালাশুরে। সমবায় বা সমিতি গড়ে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য দূর করেছেন সেখানকার খামারিরা। নিজেদের উৎপাদিত দুধ সরাসরি স্থানীয় মিষ্টির দোকানে বিক্রি করে নিশ্চিত করছেন
হৃদয়ে মাটি ও মানুষমুন্সিগঞ্জের বজ্রযোগিনী ইউনিয়নের পুকুরপাড়, একসময় যেখানে রাসায়নিক সার আর কীটনাশকের ওপর নির্ভরশীল কৃষি ছিল স্বাভাবিক, সেখানে এখন জৈবকৃষির সফল চর্চা বদলে দিচ্ছে কৃষকের জীবন।
সারাদেশে জৈব সার ও সমন্বিত বালাইনাশক ব্যবহার করে চাষাবাদ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। নিরাপদ খাদ্যের তাগিদ অনুভব করে মুন্সিগঞ্জের বজ্রযোগিনী গ্রামের কৃষকেরা গড়ে তুলেছেন আইপিএম ক্লাব, চর্চা করছেন জৈব কৃষির। তারা বলছেন, ভোক্তারা সচেতন হলে বাজারে জৈব কৃষিতে উৎপাদিত ফল-ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হবে।
মুন্সিগঞ্জ সদরের বজ্রযোগিনীর এক স্কুল শিক্ষক আবাসন ভবনের ছাদে ফল-ফসলের চাষ করে পরিবারের চাহিদা মেটাচ্ছেন। পাশাপাশি ছাদকৃষির অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষার্থীদের কাছেও পৌঁছে দিচ্ছেন বাস্তবমুখী শিক্ষার বার্তা।
ছোটদের কৃষিমুন্সিগঞ্জের ক্ষুদে কৃষক রাইয়্যান
হৃদয়ে মাটি ও মানুষমাঠা আমাদের গ্রামের ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িত এক জনপ্রিয় পানীয়। মুন্সিগঞ্জের আলদী বাজারের কমল ঘোষ এই ঐতিহ্যকেই করেছেন নিজের সাফল্যের মূলধন। তার মাঠার দোকানে প্রতিদিন দেশের নানা প্রান্ত থেকে ভিড় জমে ক্রেতাদের।
মুন্সিগঞ্জের ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ৪২ বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন বিশাল এক ড্রাগন ফলের বাগান। তার এই আধুনিক কৃষি উদ্যোগ গ্রামীণ অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখছে। টনিক বা গ্রোথ হরমোন ব্যবহার করে উৎপাদিত ড্রাগনফলে বাজার ভরে গেছে- তা নিয়ে শঙ্কায় আছেন এ উদ্যোক্তা।
ছাদকৃষিসম্পূর্ণ ভিডিও-
শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে কৃষি শেখাতে বিদ্যালয় ভবনের ছাদকে সাজানো হয়েছে সবুজ ফসলি আয়োজন। শিক্ষার্থীদের উদ্যোগ আর শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে ভিন্নধর্মী এই ছাদকৃষি গড়া হয়েছে মুন্সিগঞ্জ জেলা সদরের বজ্রযোগিনী গ্রামে।
ছাদকৃষি ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশেই। বড় শহরগুলো থেকে জেলা-উপজেলা শহরেও পৌঁছে যাচ্ছে এ আন্দোলন। শহরাঞ্চলের নাগরিকরা অনুধাবন করছেন, শহরের বিস্তারে যেমন ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে, ভবনের উপরিভাগে সবুজ করার মাধ্যমে তেমনি সেই ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া যায়। এ তাগিদ থেকেই মুন্সিগঞ্জের ডাক্তার শফিকুর রহমান তার ব