সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৬ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৯°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৫৮%বাতাস ১০ কিমি/ঘ

হঠাৎ পানি আর বৃষ্টিতে মুন্সীগঞ্জের ২০ কোটি টাকার সবজি চারার বাজারে ধস, পচছে চারা

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে পঞ্চসারের ১০ হেক্টরে আগস্ট-ডিসেম্বরে ১৫-২০ কোটি টাকার চারা বিক্রি হয়; জমিতে পানি জমায় কৃষকেরা চারা লাগাতে না পারায় ক্রেতা নেই, আর ভারী বৃষ্টিতে ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলি, টমেটো, বেগুন ও মরিচের চারা নষ্ট হচ্ছে, ৩০-৩৫ বছরে এমন মন্দা দেখেননি চাষিরা।

মুন্সীগঞ্জে শীতকালীন আগাম সবজির চারা বিক্রিতে ধস নেমেছে। কৃষি সময়ের মুন্সীগঞ্জ সংবাদদাতার প্রতিবেদন অনুযায়ী, হঠাৎ পানি বৃদ্ধি ও বৃষ্টিতে জমিতে পানি জমায় কৃষকেরা চারা রোপণ করতে পারছেন না, ফলে জেলার প্রায় ২০ কোটি টাকার চারার বাজার থমকে গেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন-চার দফায় ১৫-২০ কোটি টাকার চারা বেচাকেনা হয় এবং ২৫-৩০ জন উদ্যোক্তা সারা বছর এ ব্যবসা করেন। একটি চারা বিক্রির উপযোগী করতে ২৫-৩০ দিন যত্ন লাগে; রোদে চাটাই দিয়ে ঢাকতে হয়, আর ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ই সবচেয়ে বড় শত্রু, এবার সেই বৃষ্টিই সর্বনাশ করেছে বলে ব্যবসায়ীরা জানান।

পঞ্চসার ইউনিয়নের ভট্টাচার্যেরবাগ ও কেপিবাগে দেখা যায়, বাঁশের চাটাইয়ের নিচে ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলি, টমেটো, বেগুন ও মরিচের চারা বৃষ্টির পানিতে নষ্ট হচ্ছে; কোথাও চারা বড় হয়ে গাছ হয়ে গেছে, কিন্তু ক্রেতা নেই। চাষি বারেক মিয়া বলেন, ‘আরও যদি বৃষ্টি হয় তাহলে চারা বাঁচাইতে পারমু না। খুব লসে আছি।’ কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, ৩০-৩৫ বছর চারা চাষ করছেন, এত কম বেচাকেনা কোনো বছর ছিল না।

মাত্র এক সপ্তাহ আগেও ভোর থেকে বিকেল পর্যন্ত ব্যস্ত ছিলেন চাষিরা। জাপান, ইতালিসহ ইউরোপ থেকে আমদানি করা কেজিপ্রতি ৭০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকার বীজে উচ্চ ফলনশীল চারা উৎপাদন করায় মুন্সীগঞ্জের চারা একটি ব্র্যান্ড; স্বাধীনতার আগে থেকে চলা এই ব্যবসার চারা সাভার, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, রংপুর, সিলেট, হবিগঞ্জ, কুমিল্লা ও চাঁদপুরে যায়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক হাবিবুর রহমান বলেন, বিদেশি উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজে চারা উৎপাদন করায় এখানকার চারার মান ভালো, দেশের বিভিন্ন জেলার চাষিরা এসে কিনে নিয়ে যান; উচ্চফলনশীল জাতের ব্যবহার বাড়ায় কৃষিতে নতুন দিগন্ত খুলছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বৃষ্টি না থামলে দেশের শীতকালীন আগাম সবজির একটি বড় চারার উৎসই এবার ঘাটতিতে পড়বে।

প্রতিবেদন: মুন্সীগঞ্জ সংবাদদাতা, কৃষি সময়।

সূত্র: কৃষি সময়

কৃষি সময়সূত্র

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

রান্নাবান্না

কমলার রসে ফুলকপি: ঠাকুরবাড়ির ধাঁচের নিরামিষ পদের রেসিপি

দুটি কমলার রস, জিরা-ধনে-আদাবাটা আর সর্ষের তেলে মিষ্টি-টক স্বাদের শীতের ফুলকপি; শেষে আঁচ কম রাখলে রস তেতো হয় না।

এই সময়৬ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
স্বাস্থ্য

শিমরাইলে রং মেশানো পানিতে চুবিয়ে ‘সতেজ’ শসা-আমড়া বিক্রির অভিযোগ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাসযাত্রীদের কাছে বিক্রি হচ্ছে এসব; হকাররা স্বীকার করেছেন, প্রশাসন বলছে ব্যবস্থা নেবে, চিকিৎসকের সতর্কতা নিয়মিত খেলে মারাত্মক ক্ষতি।

সমকাল৬ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

মালচিং ও স্প্রিংকলার প্রযুক্তিতে ৪ বিঘায় মাল্টা-কমলা-শসা, ডিমলার মনিরুজ্জামান

বাগানের ফাঁকে বছরে চার দফা শসা; মালচিংয়ে আগাছা কমে, স্প্রিংকলারে পানি ও শ্রম বাঁচে, খরচ বাদে বছরে ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা লাভের কথা জানা গেছে।

কৃষি সময়৬ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)