জীববৈচিত্র্য সনদের ১৭তম পক্ষ সম্মেলন (কপ১৭) ১৯ অক্টোবর আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভানে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে, অংশ নিচ্ছেন ১০ হাজারের বেশি প্রতিনিধি, জানিয়েছে ডাউন টু আর্থ। ২০২২ সালে ২০৩০ সালের জন্য ২৩টি লক্ষ্য নিয়ে গৃহীত কুনমিং-মন্ট্রিয়ল বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্য কাঠামোর অগ্রগতি কেন পিছিয়ে, ১১ দিন ধরে তা খতিয়ে দেখবেন তাঁরা।
কপ১৭ এই কাঠামোর মাঝপথের পর্যালোচনা, আর খবর ভালো নয়। ১৫ অক্টোবর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস যে স্টেট অব বায়োডাইভারসিটি অ্যাকশন প্রতিবেদন প্রকাশ করেন, তাতে দেখা গেছে মূল্যায়িত লক্ষ্যের অর্ধেকের কমই ঠিক পথে আছে।
২০২২ সালের অঙ্গীকারের মধ্যে ছিল স্থলভাগ, অভ্যন্তরীণ জলাশয় ও সমুদ্রের ৩০ শতাংশ সংরক্ষণ; সব উৎস থেকে বছরে ২০ হাজার কোটি ডলার জোগাড়, যার ৩ হাজার কোটি ডলার আন্তর্জাতিক সরকারি অর্থায়ন; এবং প্রকৃতির জিনগত তথ্য ব্যবহারের আর্থিকসহ সুফল বেশি করে ভাগাভাগি। নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলো বলছে, পরিস্থিতি বরং খারাপ হয়েছে।
প্রতিনিধিরা ‘ইয়েরেভান পাথওয়ে’ চূড়ান্ত করার চেষ্টা করবেন, যা বাস্তবায়ন দ্রুত করা, জীববৈচিত্র্য অর্থায়নের ঘাটতি মেটানো এবং আগামী চার বছরে অঙ্গীকারগুলো আবার ঠিক পথে আনার একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত। সনদের নির্বাহী সচিব অ্যাস্ট্রিড শোমেকার বলেন, ইয়েরেভানের লক্ষ্য প্রকৃতি রক্ষায় কাজ দ্রুত করা, আর অঙ্গীকার রাখতেই হবে।
আয়োজক আর্মেনিয়ার নিজের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে, কারণ বছরের পর বছর পরিবেশগত উদ্বেগ সত্ত্বেও সরকার আমুলসার সোনার খনিতে কাজের অনুমতি দিয়েছে; গ্লোবাল ফরেস্ট কোয়ালিশন এমন বৈপরীত্যের মুখোমুখি হতে আহ্বান জানিয়েছে। কপ১৭-এর পাশাপাশি জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক কার্টাহেনা প্রোটোকল ও সুফল ভাগাভাগি বিষয়ক নাগোয়া প্রোটোকলের আলোচনাও চলছে।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন বিভা ভার্শনে (Vibha Varshney)।
ছবি: Serouj Ourishian / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: ডাউন টু আর্থ





মন্তব্য
(০)