সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৭৬%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

ভারী বৃষ্টি আরও এক দিন থাকতে পারে, চট্টগ্রামে বন্যার মধ্যে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা

২০২৬ সালের ১০ জুলাই বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, দেশজুড়ে চলা বৃষ্টি অন্তত আরও এক দিন অব্যাহত থাকতে পারে। আগের তিন দিনের ভারী বর্ষণে তখন চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন্যা ও ভূমিধস দেখা দিয়েছিল।

ভারী বৃষ্টি আরও এক দিন থাকতে পারে, চট্টগ্রামে বন্যার মধ্যে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা
পরিবেশ

কয়েক দিন ধরে সারা দেশে বৃষ্টি চলার মধ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুলাই শুক্রবার বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তায় জানায়, এই বৃষ্টি অন্তত আরও এক দিন অব্যাহত থাকতে পারে। এর আগের তিন দিনের ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, পাহাড়ি জেলাগুলোতে ঘটেছিল একের পর এক ভূমিধস।

আট বিভাগেই ভারী বর্ষণের সতর্কতা


সতর্কবার্তায় বলা হয়, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ১০ জুলাই সকাল ১০টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। অধিদপ্তরের শ্রেণিবিভাগে ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি ভারী বর্ষণ; ৮৯ মিলিমিটারের বেশি হলে তা অতি ভারী।

অধিদপ্তর সতর্ক করে, ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীর কোথাও কোথাও অস্থায়ী জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে এবং চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধস হতে পারে।

এর তিন দিন আগে, ৭ জুলাই, দ্য ডেইলি স্টার জানিয়েছিল যে আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক বৃষ্টি ১১ জুলাই পর্যন্ত চলার আভাস দিয়েছেন। একই দিনে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি) পরবর্তী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় বান্দরবান, কক্সবাজার, ফেনী, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়িসহ ১৪ জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার পূর্বাভাস দেয়। বান্দরবানে ২২০টি এবং রাঙামাটিতে ২০৪টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।

বর্ষায় বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাওয়া ঢাকার একটি সড়ক (২০০৯ সালের জুলাই)। ছবি: Shoreful / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
বর্ষায় বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাওয়া ঢাকার একটি সড়ক (২০০৯ সালের জুলাই)। ছবি: Shoreful / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

চট্টগ্রাম অঞ্চলে তিন দিনের বর্ষণের ক্ষতি


দ্য ডেইলি স্টার ৯ জুলাই জানায়, তিন দিনে বৃষ্টিজনিত ঘটনায় ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে; তাদের মধ্যে ১৩ জন রোহিঙ্গা, যার ৯ জন শিশু, ৭ ও ৮ জুলাই কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে ভূমিধসে মারা যান। একই দিনে প্রথম আলোর ইংরেজি সংস্করণ তিন দিনে ভূমিধস ও দেয়াল ধসে ২২ জনের মৃত্যুর খবর দেয়, যার মধ্যে উখিয়ার ৫ নম্বর ক্যাম্পে একটি নারী হিফজ মাদরাসার প্রতিরক্ষা দেয়াল ধসে পাঁচ ছাত্রীর মৃত্যু হয়।

ডেইলি স্টারের হিসাবে চট্টগ্রামের আমবাগান কেন্দ্রে ৮ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ২৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড হয়। নগরীর কাতালগঞ্জ, চকবাজার, আগ্রাবাদ, হালিশহরসহ বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে। আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়, বান্দরবানে সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ৯৬ সেন্টিমিটার এবং মাতামুহুরীর পানি ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছিল। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ চৌধুরী এই পরিস্থিতির কারণ হিসেবে সক্রিয় মৌসুমি বায়ু ও বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের কথা বলেন।

২০২৬ সালের ৯ জুলাই চট্টগ্রাম, হাটহাজারী ও রাঙামাটিতে বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। ছবি: প্রেস ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্ট / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
২০২৬ সালের ৯ জুলাই চট্টগ্রাম, হাটহাজারী ও রাঙামাটিতে বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। ছবি: প্রেস ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্ট / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

বর্ষা মৌসুম ও আবহাওয়া অধিদপ্তর


বাংলাদেশে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সাধারণত জুনে শুরু হয়ে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাকে, আর দেশের বার্ষিক বৃষ্টির প্রায় ৮০ শতাংশই হয় এই সময়ে। শুষ্ক রাজশাহী অঞ্চল ছাড়া দেশের বেশির ভাগ এলাকায় বছরে অন্তত ২ হাজার ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সদর দপ্তর ঢাকায়; সংস্থাটি সারা দেশে ভূপৃষ্ঠ ও ঊর্ধ্বাকাশ পর্যবেক্ষণাগার, রাডার ও উপগ্রহ কেন্দ্র এবং কৃষি-আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে।

ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের কার্যালয়। ছবি: Wasiul Bahar / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের কার্যালয়। ছবি: Wasiul Bahar / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

ছবি: প্রেস ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্ট / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪, দ্য ডেইলি স্টার, প্রথম আলো, উইকিপিডিয়া

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

১৬ বছরে সাগরে গেছে হাজার হেক্টর বন, কুয়াকাটায় এবার বাঁশের বেষ্টনীতে পলি ধরার পরীক্ষা

জাইকার সহায়তায় গঙ্গামতি সৈকতের ৬০ মিটার ও বরগুনার টেংরাগিরীর ৮০ মিটারে বাঁশ, কাঠের খুঁটি আর ডালপালার ফাঁকযুক্ত বেষ্টনী; ঢেউ ধীর করে পলি জমলে লাগানো হবে ম্যানগ্রোভ।

চ্যানেল আই অনলাইন২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ডাম্পিং স্টেশন নেই, পৌরসভার বর্জ্য আর পয়োনিষ্কাশনের পানি যাচ্ছে ভৈরবের মেঘনায়

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে নদীর তীরে ময়লার স্তূপ, সরাসরি নদীতে পড়ছে পৌরসভার বর্জ্য ও প্লাস্টিক, ভরাট হচ্ছে খাল-বিল; জলজ প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য হুমকিতে।

দৈনিক বাংলা২ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

প্রকৃতিকে তার মতো চলতে দিলে কী হয়, ইয়েলোস্টোনের নেকড়ে দেখিয়েছে: মৃত্যুঞ্জয় রায়ের কলাম

কৃষিবিদ ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ মৃত্যুঞ্জয় রায় আজকের পত্রিকায় লিখেছেন, রিওয়াইল্ডিং বা পুনর্বন্যকরণ প্রকৃতি পুনরুদ্ধারের সহজ পথ, আর বাংলাদেশেও এমন প্রকল্পের কথা ভাবার সময় এসেছে। মত লেখকের নিজের।

আজকের পত্রিকা২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)