ফললিচুর ফলনে বাগড়া ঝড়-বৃষ্টি
'এবছর মৌসুমের শুরুতেই দিনাজপুরে তাপমাত্রা ৩৫-৩৯ ডিগ্রি পর্যন্ত পৌঁছেছিল। ভোরে কুয়াশাও ছিল। এতে করে মুকুল পুড়ে যায়। তাই লিচুর ফলন কম হয়েছে। এখন আবার শুরু হয়েছে ঝড়-শিলাবৃষ্টি। সব মিলিয়ে লিচুর অবস্থা খারাপ।'
ফল'এবছর মৌসুমের শুরুতেই দিনাজপুরে তাপমাত্রা ৩৫-৩৯ ডিগ্রি পর্যন্ত পৌঁছেছিল। ভোরে কুয়াশাও ছিল। এতে করে মুকুল পুড়ে যায়। তাই লিচুর ফলন কম হয়েছে। এখন আবার শুরু হয়েছে ঝড়-শিলাবৃষ্টি। সব মিলিয়ে লিচুর অবস্থা খারাপ।'
পরিবেশটানা বৃষ্টিপাত কমে আসায় কিশোরগঞ্জের নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। জেলার সবকটি নদীর পানি এখন বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে মাঝে মধ্যে হঠাৎ বৃষ্টিতে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে কৃষকদের। আজ সকাল থেকে রোদ উঠেছে।
পরিবেশবৃষ্টিপাত কমে আসায় কিশোরগঞ্জের নদ-নদীর পানি নামতে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বেশিরভাগ পয়েন্টে পানি কমলেও একটি পয়েন্টে সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে টানা মেঘলা আবহাওয়ার পর রোদ ওঠায় হাওরাঞ্চলে ফিরেছে স্বস্তি। ধান শুকাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।
পরিবেশটানা কয়েক দিনের বৃষ্টি ও উজানের ঢলে বিপর্যস্ত কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে অবশেষে দেখা মিলেছে স্বস্তির রোদের। মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার হয়ে রোদ ওঠায় হাওরজুড়ে ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য। ডুবে যাওয়া ক্ষেত ও খলায় স্তূপ করে রাখা ধান শুকাতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।
এগ্রোবিজটানা বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলের প্রভাবে কিশোরগঞ্জের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার অধিকাংশ পয়েন্টে পানি বাড়লেও ভৈরব বাজার পয়েন্টে কিছুটা কমেছে। এদিকে রোববার বৃষ্টিহীন দিন কাটলেও সোমবার (৪ মে) মধ্যরাত থেকে জেলায় আবারও বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে।
পরিবেশগ্রামের বড় গৃহস্থ মিলন ব্যাপারী (৬৪)। ৫০ একর জমিতে বোরোর আবাদ করেছিলেন এবার। রতির হাওর, পাঙ্গাসিয়া, আনচুতলা, বাঞ্জাইাল, আমগাছতলা ও তেল্লার হাওরে তার জমি। ফসল ঘরে উঠলে প্রায় ৫ হাজার মণ ধান পেতেন। কিন্তু অর্ধেকের বেশি ধান তলিয়ে গেছে। দূর থেকে হাওরে যতদূর চোখ যায় শুধু জল আর জল! অথচ এক সপ্তাহ আগেও হাওরজ
ফসলটানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কিশোরগঞ্জে নতুন করে আরও ১ হাজার হেক্টরের বেশি বোরো ধানের জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এ নিয়ে জেলায় মোট ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৫০ হেক্টরে। এতে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন জেলার প্রায় ৩৬ হাজার কৃষক।
পরিবেশকিশোরগঞ্জে একদিকে শুরু হয়েছে সরকারিভাবে ধান সংগ্রহ অভিযান, অন্যদিকে টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে হাওরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ মাঠ তলিয়ে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন হাজারো কৃষক। প্রকৃতির এই বিরূপ আচরণে জেলার প্রায় ৯ হাজার ৪৫ হেক্টর বোরো ধানক্ষেত এখন পানির নিচে, ফলে সোনালি ফসল ঘরে তোলা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তারা।
পরিবেশ'জমির সব ধান শেষ। পরিবার নিয়ে বছরজুড়ে খাবারের ভরসা নেই। জমির যতটুক ধান কেটেছি তাও খলায় (ধান শুকানোর মাঠ) পড়ে পচন ধরেছে। ভেজা ধান কেউ কিনতেও চাচ্ছে না। সংসার চলবে কী দিয়ে, আর মানুষের টাকা দেবো কীভাবে- তা ভাবলেই আর সহ্য করতে পারছি না। এখন মনকে সান্ত্বনা দেই ফসল দিয়েছেন আল্লাহ, নিয়েছেনও তিনি'।
পরিবেশটানা বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলের প্রভাবে কিশোরগঞ্জের নদ-নদীর পানি কোথাও বেড়েছে আবার কোথাও কমেছে। শনিবার সারাদিন বৃষ্টি থাকলেও আজ বৃষ্টি নেই। তবে আকাশ মেঘলা থাকায় ধান ডুবে যাওয়ার শঙ্কা কাটছে না কৃষকদের।
পরিবেশবৃষ্টি ও উজানের ঢলে কিশোরগঞ্জে নতুন করে আরও ২ হাজার হেক্টর বোরো ধানের জমি তলিয়ে গেছে। এতে এ পর্যন্ত মোট ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৪৫ হেক্টর। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে জেলার হাওরাঞ্চলে, বিশেষ করে ইটনা উপজেলার হাওরে প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমি তলিয়ে গেছে।
পরিবেশবিভিন্ন কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নিয়ে বিজ্ঞানসম্মত গবেষণা জরুরি বলে জানিয়েছেন হাওরাঞ্চলবাসী।
পরিবেশসুনামগঞ্জের মধ্যনগরে বোয়ালা হাওরের বাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ করেছে। এতে তলিয়ে যাচ্ছে হাওরের কৃষকের সোনালি ধান।