বহুল ব্যবহৃত পাঁচটি নিওনিকোটিনয়েড কীটনাশকের খাদ্যে সহনীয় অবশিষ্টাংশ সীমা বাতিল করা হবে কি না, তা ২০২৭ সালের ৩০ এপ্রিলের মধ্যে ঠিক করার অঙ্গীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা (ইপিএ)। ২০ আগস্ট প্রকাশিত ন্যাচারাল রিসোর্সেস ডিফেন্স কাউন্সিলের (এনআরডিসি) সঙ্গে প্রস্তাবিত সমঝোতায় এ কথা বলা হয়েছে, জানিয়েছে গ্লোবাল অ্যাগ্রিকালচার।
কীটনাশকগুলো হলো অ্যাসিটামিপ্রিড, ক্লোথিয়ানিডিন, ডাইনোটেফুরান, ইমিডাক্লোপ্রিড ও থায়ামেথক্সাম; অ্যাডমায়ার প্রো, অ্যাকটারা, পঞ্চো, গাউচো, ক্রুজারসহ নানা নামে বিক্রি হওয়া এসব ওষুধ ভুট্টা, সয়াবিন, তুলা, ফল, সবজিতে বীজ শোধন ও স্প্রেতে ব্যবহৃত হয়।
মানবস্বাস্থ্য ও পরাগায়নকারী পতঙ্গের ঝুঁকির কথা বলে ২০২০ সালের মে মাসে এনআরডিসি সব সহনীয় সীমা বাতিলের আবেদন করে; সাড়া না পেয়ে অযৌক্তিক দেরির অভিযোগে মামলা করে। সমঝোতায় শুধু সময়সীমা ঠিক হয়েছে, কোনো ফলাফলের প্রতিশ্রুতি নেই; ইপিএ জানিয়েছে, এখনই বাতিলের প্রস্তাব দিচ্ছে না।
২১ সেপ্টেম্বর মতামত নেওয়ার সময় শেষ হয়েছে, এরপর ইপিএ আদালতে সমঝোতা চূড়ান্ত করতে পারবে; সময়সীমা পর্যন্ত মামলা স্থগিত রাখার আবেদন করবে দুই পক্ষ।
ফলে কৃষক ও বীজ কোম্পানিগুলো প্রায় দেড় বছর সময় পাচ্ছে; সীমা বাতিল বা সংকুচিত হলে যুক্তরাষ্ট্রের বেশির ভাগ ভুট্টা ও বিপুল সয়াবিন জমির বীজ শোধন কর্মসূচি এবং শোধিত পণ্যের বাণিজ্যে প্রভাব পড়তে পারে।
সূত্র: Global Agriculture



মন্তব্য
(০)