চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার বাজারে গত এক বছরে বিভিন্ন বালাইনাশকের দাম গড়ে ১০ থেকে ২০ শতাংশ বেড়েছে, কিছু প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম হয়েছে দ্বিগুণ। বিক্রেতাদের দাবি, কোম্পানিগুলো নিজেদের ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছে; কোনো কোনো পণ্যের দাম ছয় মাসে তিনবারও বেড়েছে।
ছত্রাকনাশক ও মাকড়নাশক থিয়োভিট আগে কেজি ১৪৫–১৫০ টাকা ছিল, এখন ৩০০ টাকা। আগাছানাশক প্যারাকোয়াটের ২০ লিটারের ড্রাম ৪,২০০ টাকা থেকে বেড়ে ৬,৫০০ টাকা। ছয় মাস আগে ৩০০ টাকার নিচে থাকা মাইক্রোথিয়াল এখন কেজি ৩৯৫ টাকা। ছত্রাকনাশক ম্যানসারের ১০০ মিলি ২০০ টাকা ও ৫০০ মিলি ৯০০ টাকা।
কীটনাশক মার্শালের ৫০০ মিলি ৮৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৯৮৫ টাকা, মর্টারের দাম বেড়েছে ২০ শতাংশ; সুমিথিয়ন কার্টনপ্রতি ২৫০ টাকা আর ট্রাফসের ১০০ মিলি ১৭০ থেকে বেড়ে ২০৫ টাকা।
ইসলামাবাদ এলাকার কৃষক আজিজ মিয়া বলেন, ফসলে পোকা লাগলে বাধ্য হয়ে দোকানে যেতে হয়, কিন্তু প্রতিবারই নতুন দাম শুনতে হয়; ছয় মাস আগের ৩০০ টাকার ওষুধ এখন ৪০০ টাকা। তাঁর ভাষায়, ‘আমাদের উৎপাদন খরচ কেবল বাড়ছেই।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন, কোম্পানিগুলো কিছুদিন পরপর নতুন দর বেঁধে দেয়, তাঁদেরও বেশি দামে পাইকারি কিনতে হয়।
দামের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে বিক্রেতা ও কৃষকের অসচেতনতায় ইচ্ছেমতো কীটনাশক ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে। মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি অফিসার ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, কীটনাশকের বাজার মনিটরিং ও সহনীয় দাম নিশ্চিত করতে তাঁরা কাজ করছেন, আর কৃষকদের সুষম ও পরিমিত ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
প্রতিবেদন: মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি, দেশ রূপান্তর।
সূত্র: দেশ রূপান্তর




মন্তব্য
(০)