বিকল্প আমিষ নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন আবুধাবিতে গবেষণাগারে কোষ থেকে তৈরি (কালচার্ড) মাংস, প্রিসিশন ফারমেন্টেশনে তৈরি আমিষ ও অন্যান্য নতুন খাবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিক্রির পূর্ণ অনুমোদন পাওয়ার আগেই জনসাধারণকে চেখে দেখাতে পারবে, জানিয়েছে গ্রিন কুইন।
নির্দেশিকাটি তৈরি করেছে আবুধাবি কোয়ালিটি অ্যান্ড কনফরমিটি কাউন্সিল (এডিকিউসিসি), কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ (এডিএএফএসএ) এবং আবুধাবি বিনিয়োগ অফিস (এডিআইও), খাদ্য প্রযুক্তি স্টার্টআপ, বিশ্ববিদ্যালয়, বিশেষজ্ঞ ও নিয়ন্ত্রকদের সঙ্গে মিলে। গ্লোবাল ফুড উইক ইউএই-তে পিএএলটি ২০২৬ সম্মেলনে এটি উন্মোচন করা হয়।
চেখে দেখা ও স্বাদ-গন্ধ যাচাইয়ের পরীক্ষা হবে নিয়ন্ত্রিত গবেষণা পরিবেশে। নির্দেশিকায় পণ্যের নিরাপত্তা মূল্যায়ন, গবেষণাগারে পরীক্ষা, নিয়ন্ত্রকের তদারকি ও অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষার শর্ত রয়েছে। এডিকিউসিসির কেন্দ্রীয় পরীক্ষাগার পণ্য যাচাই করবে, আর প্রতিটি পরীক্ষার আবেদন যাচাই করে অনুমোদন দেবে এডিএএফএসএ। লক্ষ্য, পণ্য উন্নয়নের প্রথম ধাপ আর বাজারে আসার মাঝের ফাঁক পূরণ করা, যাতে নানা দেশের মানুষের প্রতিক্রিয়ার তথ্য মেলে।
এডিকিউসিসির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আবদুল্লা আল ইয়াজিদি বলেন, 'খাদ্যের ভবিষ্যৎ শুধু উদ্ভাবনে নয়, বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারকে নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও বাণিজ্যিকভাবে টেকসই সমাধানে রূপ দেওয়ার সামর্থ্যে নির্ধারিত হবে।' এডিএএফএসএর ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক তারিক আহমেদ আল আমেরি বলেন, উদ্যোগটি খাদ্য প্রযুক্তির উন্নয়নে ভোক্তার নিরাপত্তাকে কেন্দ্রে রাখে।
এক বছর আগে একই তিন সংস্থা বিকল্প আমিষ বিক্রির অনুমোদন কাঠামো তৈরি শুরু করে, যাতে অনুমোদনের সময় ছয় থেকে নয় মাস কমানো যায়। এডিআইও ভিভিসি ও দ্য এভরি কোম্পানির সঙ্গে ৪০ লাখ লিটারের একটি প্রিসিশন ফারমেন্টেশন কারখানার সম্ভাবনাও দেখছে। ২০২৪ সালে গঠিত আবুধাবির কৃষি-খাদ্য ও পানি ক্লাস্টার (এজিডব্লিউএ) ২০৪৫ সালের মধ্যে জিডিপিতে ৯ হাজার কোটি দিরহাম (২,৪৫০ কোটি ডলার) ও ৬০ হাজার চাকরি যোগ করবে বলে কর্তৃপক্ষের দাবি।
সূত্র: Green Queen



মন্তব্য
(০)