সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৪%বাতাস কিমি/ঘ

১৪ বিড়াল নিয়ে তাপসীর ‘পুচি ফ্যামিলি’

তাপসী দাস একজন প্রাণীপ্রেমী। গৃহপালিত পশু-পাখির প্রতি তার আগ্রহ অনেক বেশি। দৈনন্দিন জীবনের বেশিরভাগ সময়ই বাড়িতে পোষা বিড়ালদের নিয়েই কাটে। তার এই পশু-পাখির প্রতি প্রবল আগ্রহ এবং ভালোবাসাকে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন অন্যদের মাঝেও। সেই ভাবনা থেকেই ২০১৯ সালের ৭ ডিসেম্বর একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করেন। যার নাম রাখ

পরিবেশ

তাপসী দাস একজন প্রাণীপ্রেমী। গৃহপালিত পশু-পাখির প্রতি তার আগ্রহ অনেক বেশি। দৈনন্দিন জীবনের বেশিরভাগ সময়ই বাড়িতে পোষা বিড়ালদের নিয়েই কাটে। তার এই পশু-পাখির প্রতি প্রবল আগ্রহ এবং ভালোবাসাকে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন অন্যদের মাঝেও। সেই ভাবনা থেকেই ২০১৯ সালের ৭ ডিসেম্বর একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করেন। যার নাম রাখেন 'পুচি ফ্যামিলি'।

করোনাকালে যখন সবাই ছিলেন ঘরবন্দি। তখন কিছু বিড়াল ও একটি পরিবারের দৈনন্দিন জীবনের কর্মকাণ্ডগুলো দেখা যেত 'পুচি ফ্যামিলি' ফেসবুক পেজে। মানুষ ও প্রাণীর একসঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো ভিডিও কন্টেন্টের মাধ্যমে সবার সঙ্গে শেয়ার করাই ছিল তাপসীর মূল উদ্দেশ্য। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে 'পুচি ফ্যামিলি'।

তাপসী জানান, পশু-পাখির প্রতি তার ভালোবাসা ছিল ছোটবেলা থেকেই। বিড়াল তার সবচেয়ে প্রিয় এবং আদুরে প্রাণী। ছোট থেকেই তিনি বিড়াল পছন্দ করতেন। ওদের সাথেই কাটতো অধিকাংশ সময়। বর্তমানে তার বাড়িতে রয়েছে বেশ কয়েকটি বিড়াল। তাপসী নিজের পরিবারের অন্য সদস্যের মতোই মনে করেন বিড়ালগুলোকে। বিশেষ করে 'পুচি'। যে বিড়ালটিকে তার নিজের মেয়ের মতো করেই ভাবেন। সেভাবেই লালন-পালন করেন। তাপসীর ভাষায়, 'এসব বিড়াল আমার সন্তানের মতোই।'

বর্তমানে তাপসীর প্রায় ১৪টি বিড়াল আছে। বিড়ালগুলোর সঙ্গে তার পরিবারের কাটানো মুহূর্ত, ভালোবাসার দৃশ্যগুলো ভিডিও কন্টেন্টের মাধ্যমে পৌঁছে দিচ্ছেন মানুষের কাছে। এসব ভিডিও পশু-পাখি নিয়ে অনেকের মনের মধ্য লালন করা ভ্রান্ত ধারণা, ভীতি দূর করছে। তাপসী তার ভিডিওতে মানুষকে সব সময় বোঝানোর চেষ্টা করেন, গৃহপালিত পশু-পাখি ভয়ংকর কোনো প্রাণী নয়, ওরা মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে থাকতে পছন্দ করে। ওরাও মানুষকে ভালোবাসতে জানে। এ ছাড়া যারা বাড়িতে বিড়াল বা পশু-পাখি লালন করেন তাদের জন্যও নানা পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

ফেসবুকে তাপসীর 'গলুস রিভিউ' ও 'পুচির মা' নামে আরও দুটি জনপ্রিয় পেজ আছে। 'পুচি ফ্যামিলি'র আছে প্রায় ১৫ লাখেরও বেশি ফলোয়ার্স। এসব মাধ্যম থেকে উপার্জনের একটি অংশ দিয়ে তাপসী ও তার পরিবার অসহায় মানুষের সেবা করে থাকেন।

তাপসী দাসের পশুপ্রেমী হওয়াটা সহজ ছিল না। এজন্য তাকে বিভিন্ন সময় নানা প্রতিকূলতার শিকার হতে হয়েছে। বিশেষ করে পোষাপ্রাণী সম্পর্কে একটি শ্রেণির মানুষের মধ্যে কিছু ভ্রান্ত ধারণা থাকায় অপ্রীতিকর মুহূর্ত কিংবা হেনস্তার শিকারও হতে হয়েছে। বাড়িতে একাধিক বিড়াল লালন-পালনে আপত্তি ওঠায় তাকে ঘন ঘন বাসা পরিবর্তন করতে হয়েছে। তবে এসব কোনোকিছুই তার পোষাপ্রাণীর প্রতি ভালোবাসা কমাতে পারেনি। তাপসী বলেন, 'ওদের (বিড়াল) সাথে থাকা শুরু করার কারণে এখন ওদের ছেড়ে থাকা প্রায় অসম্ভব আমার কাছে। বর্তমানেও যেমন ওদের সঙ্গে আছি, ভবিষ্যতেও ওদের সাথে থাকবো। ওরা আমার পরিবারের অংশ।'

নিজের এ যাত্রায় সবচেয়ে বেশি পাশে পেয়েছেন স্বামী ও পরিবারকে। তাপসী বলেন, 'আমার পথচলার সবটুকুজুড়ে আমার পরিবার এবং পরিবারের সদস্যরা খুবই সাহায্য করেছে। এতগুলো বিড়াল নিয়ে এতদূর আসার পেছনে সবচেয়ে বেশি অবদান আমার স্বামীর। তার সাপোর্ট ছাড়া এতদূর আসা কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না।'

শুধু নিজের পোষাপ্রাণীর জন্যই তাপসীর সব পরিশ্রম, ভালোবাসা এমনটাও নয়। এ পর্যন্ত প্রায় শতাধিক বিড়ালের সুস্থতার জন্য ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করেছেন। এ ছাড়া তার তৈরি বিভিন্ন ভিডিও কন্টেন্ট থেকে উপার্জিত আয় ব্যবহার হচ্ছে পশু-পাখি ও অসহায় মানুষের জন্যই।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

রোমে এফএওর ওয়ান হেলথ সম্মেলনে পরিবেশমন্ত্রী: পরিবেশ, প্রাণী ও জনস্বাস্থ্য আলাদা নয়

এফএও সদর দপ্তরে ২১-২৩ সেপ্টেম্বরের ‘কৃষিখাদ্য ব্যবস্থায় ওয়ান হেলথ কার্যক্রম’ বৈশ্বিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, গঙ্গা বদ্বীপে মানুষ, বাস্তুতন্ত্র ও কৃষিখাদ্য ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে যুক্ত; বাংলাদেশের জাতীয় ওয়ান হেলথ কাঠামোয় পরিবেশ খাতকে মূল অংশীজন করা হয়েছে এবং রোমের অভি

চ্যানেল আই অনলাইন২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

আবাদি জমির মাত্র ১২ শতাংশে বিশ্বের অর্ধেক ক্ষুদ্র কৃষকই ২০৫০-এ বাড়তি ১৫০ কোটি মানুষের খাদ্য জোগাতে পারেন: নতুন বই

‘হোল আর্থ ফার্মিং’ বইয়ে হাইতির স্মলহোল্ডার ফার্মার্স অ্যালায়েন্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা হিউ লক (Hugh Locke) যুক্তি দিয়েছেন, গ্লোবাল সাউথের ৪৭ কোটি ৫০ লাখ ক্ষুদ্র খামারের প্রায় ২৪ কোটিকে পুনরুৎপাদনশীল কৃষি ও কৃষিবনায়নে নিলে ২০৫০ সালের বাড়তি খাদ্যচাহিদার পুরোটা মেটানো যাবে, মাটি ফিরবে, আর বছরে ০.৭২ গিগ

ডাউন টু আর্থ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

রেকর্ড শক্তিশালী এল নিনো আসছে, তবু অস্ট্রেলিয়ায় খরা অনিবার্য নয়: আবহাওয়া ব্যুরো

মডেল বলছে চলতি এল নিনো ১৯৮২–৮৩-কে ছাড়িয়ে যেতে পারে, মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের ৩ ডিগ্রির বেশি ওপরে উঠতে পারে; কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার ব্যুরো অব মিটিওরোলজির ব্যাখ্যা, আপাতত নিরপেক্ষ ভারত মহাসাগর দ্বিমেরু, উষ্ণ সাগর ও দীর্ঘমেয়াদি উষ্ণায়নও বসন্ত-গ্রীষ্ম গড়ে দেবে; জলাধা

Beef Central২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()