দেশের প্রায় সব জেলায় অনায়াসে জন্মায় বলে মিষ্টিকুমড়ার কদর আমাদের কাছে একটু কম। শুকনা মরিচ আর গোটা ধনের ফোড়নে চিংড়ি দিয়ে রান্না কিংবা সেদ্ধ করে পেঁয়াজ-কাঁচা মরিচের ভর্তা, বাঙালির পাতে এর চেনা রূপ। কুমড়ার শাক আর বীজও খাওয়া যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফুডডেটা সেন্ট্রাল ডেটাবেইস অনুযায়ী, লবণ ছাড়া সেদ্ধ বা রান্না করা এক কাপ (২৪৫ গ্রাম) মিষ্টিকুমড়ায় ক্যালরি মাত্র ৪৯, আঁশ প্রায় ৩ গ্রাম, আর এতে কোলেস্টেরল নেই। এতে আছে ভিটামিন এ, সি, ই, রিবোফ্লাভিন, পটাশিয়াম, কপার, ম্যাঙ্গানিজ, থায়ামিন, ভিটামিন বি৬, ফোলেট, নিয়াসিন, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস।
আফগানিস্তানের চ্যালাও কাদু: কুমড়ার টুকরা হালকা ভেজে পেঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ, ধনে ও মরিচ দিয়ে ধীরে রান্না করা হয়; টমেটো দিলে আসে হালকা টক ভাব। কেউ গরু বা খাসির কিমা মেশান। ঘন কুমড়ার ওপর টক দই দিয়ে ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করা হয়।
ভিয়েতনামের কানহ বাই দো থিত হলো কুমড়া ও কিমার হালকা স্যুপ। কিমার সঙ্গে পেঁয়াজ, গোলমরিচ ও মসলা মিশিয়ে স্টক বা পানিতে রান্না করে কুমড়া দেওয়া হয়, নরম হলে ফিশ সস ও সামান্য চিনি। মিয়ানমারের পামকিন কারি দেশি কুমড়ার তরকারির কাছাকাছি, তফাত তেঁতুলে: কষানো মসলায় কুমড়া নরম হলে তেঁতুলের টক যোগ হয়।
মিষ্টি পদের মধ্যে ভারতের কদ্দু কা হালুয়া: কোরানো কুমড়া ঘিয়ে ভেজে দুধ ও চিনি দিয়ে ধীরে রান্না, ঘন হলে এলাচগুঁড়া আর কাজু, কাঠবাদাম বা পেস্তা। আর কুমড়ার চকলেট চিপ মাফিনে ময়দা, বেকিং পাউডার, চিনি ও দারুচিনির সঙ্গে কুমড়ার পিউরি, ডিম ও তরল উপকরণ মিশিয়ে চকলেট চিপ দিয়ে বেক করা হয়; পিউরি মাফিনকে ভেতর থেকে নরম রাখে।
প্রতিবেদনটি আজকের পত্রিকার ফিচার ডেস্কের।
ছবি: Ivan Atmanagara / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: আজকের পত্রিকা





মন্তব্য
(০)