সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৫ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭১%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

ট্রলারের সোনার প্রযুক্তিতে কমছে মাছের মজুদ, ব্যবহার দুই বছর স্থগিতের আদেশ

সামুদ্রিক মৎস্য জরিপ প্রতিবেদন বলছে, সোনার প্রযুক্তি ট্রলারের আহরণ বাড়ালেও ইলিশসহ মাছের মজুদ কমাচ্ছে; মন্ত্রণালয় বাণিজ্যিক ট্রলারে এর ব্যবহার দুই বছরের জন্য স্থগিত করেছে।

বাণিজ্যিক মাছ ধরার ট্রলারে সোনার প্রযুক্তির ব্যবহার দুই বছরের জন্য স্থগিত থাকবে বলে গত ১ অক্টোবর জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। মাছের সন্তোষজনক মজুদ নিশ্চিত করতে এই আদেশ। ২০০ মিটারের বেশি গভীর সমুদ্র ও আন্তর্জাতিক জলসীমায় টুনা ও টুনাজাতীয় মাছ ধরা নৌযান এর বাইরে থাকবে। সামুদ্রিক মৎস্য জরিপ ব্যবস্থাপনা ইউনিটের প্রতিবেদন বলছে, এই প্রযুক্তি সাগরে অতিরিক্ত মাছ ধরার ঝুঁকি বাড়িয়েছে।

সোনার হলো শব্দতরঙ্গ পাঠিয়ে পানির নিচের বস্তু খোঁজার কৌশল। অ্যাকটিভ সোনার শব্দের স্পন্দন পাঠিয়ে তার প্রতিধ্বনি শোনে, প্যাসিভ সোনার যেকোনো শব্দের উৎস শনাক্ত করে। এতে পানির নিচে মাছের বিচরণের ছবি দেখা যায়, তাই জাল ফেলার জায়গা আগেই ঠিক করা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রলারে আহরণ বাড়লেও ইলিশসহ নানা মাছের প্রাকৃতিক মজুদ আশঙ্কাজনকভাবে কমছে। লক্ষ্য করে মাছ ধরায় প্রজননক্ষম মাছ ও জাটকা ব্যাপক হারে ধরা পড়ছে। ক্ষুদ্র জেলেরা সাগরে কাঙ্ক্ষিত মাছ পাচ্ছেন না, আর অতিরিক্ত শব্দতরঙ্গে সামুদ্রিক প্রাণীর স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

সামুদ্রিক মৎস্য জরিপ ইউনিটের তথ্যে, ২০০৭ সালে প্রথম চারটি ট্রলারে সোনারের অনুমোদন মেলে; ২০২০ সালে ১৬টি এবং ২০২১-২৪ সালে ২১টি ট্রলার অনুমোদন পায়। এখন প্রায় ৭০টি বাণিজ্যিক জাহাজে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে। দেশে নিবন্ধিত যান্ত্রিক ও আর্টিশনাল বোট ২৯ হাজার ৬৭৯টি এবং বাণিজ্যিক জাহাজ ২০২টি।

প্রতিবেদনের সুপারিশের মধ্যে আছে সোনারের রেঞ্জ অনধিক ২,০০০ মিটার ও ফ্রিকোয়েন্সি ৫০-২০০ কিলোহার্টজে বেঁধে দেওয়া, ৩৬০ ডিগ্রি স্ক্যান বন্ধ করা, সব সোনার ব্যবহারকারী ট্রলারে ভিএমএস ও এআইএস সচল রাখা, ট্রলারভিত্তিক আহরণ কোটা ঠিক করা, নতুন ট্রলারে সোনারের লাইসেন্স বন্ধ রাখা এবং ৪০ মিটারের কম গভীরতায় সোনার দিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা।

চট্টগ্রাম সামুদ্রিক মৎস্য দপ্তরের পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম বাংলানিউজকে জানান, সোনারের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার মাছের বৃদ্ধিতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থগিতের আদেশ আছে এবং ১৮ অক্টোবর মৎস্য অধিদপ্তরের সভায় তদারকির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, তবে তাঁদের কাছে এখনো নির্দেশনা পৌঁছায়নি। নির্দেশনা পেলে তদারকি শুরু হবে।

প্রতিবেদন: তপন চক্রবর্তী, চট্টগ্রাম।

সূত্র: বাংলা নিউজ ২৪

বাংলা নিউজ ২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

চাঁদপুরের ঘাটে ইলিশ নেই, নিষেধাজ্ঞার পর কেজিতে দাম বেড়েছে ৪০০ টাকা পর্যন্ত

নিষেধাজ্ঞা শেষে দুদিনে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার মণ ইলিশ এলেও এখন দিনে মিলছে ২৫ থেকে ৩০ মণ; এক কেজির স্থানীয় ইলিশের দাম উঠেছে দুই হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত।

বাংলা নিউজ ২৪৫ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

ভোলায় নিষেধাজ্ঞার পর জালে ওঠা ইলিশের বেশিরভাগই ডিমওয়ালা, সময় নিয়ে প্রশ্ন

ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়ায় নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ কম মিলছে, জেলেদের হিসাবে ১০০টির ৯৫টির পেটেই ডিম; জেলেরা বলছেন নিষেধাজ্ঞা আরও পরে হলে ভালো হতো, বিজ্ঞানী দেখছেন জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব।

জাগো নিউজ ২৪৫ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

৪০টি হাঁস থেকে বছরে ২৫-৩০ লাখ টাকা আয়, পীরগঞ্জের দুই বন্ধুর খামার

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের আব্দুল মজিদ ও নজরুল ইসলাম তিন বছর আগে ৪০টি হাঁস দিয়ে শুরু করে এখন ইনকিউবেটরে বাচ্চা ফুটিয়ে বিক্রি করছেন, সঙ্গে পুকুরে মাছ চাষ। তাঁদের দাবি, বছরে আয় ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা।

কৃষি সময়৪ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)