অর্থের সুযোগ, ভালো আর্থিক ব্যবস্থাপনা আর প্রতিষ্ঠিত খামারির সঙ্গে অংশীদারত্বই ছোট কৃষককে টেকসই বাণিজ্যিক খামারে পরিণত করে। ৮ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকার কোয়াজুলু-নাটালের রয়্যাল শোতে ব্যাংক এফএনবি আয়োজিত 'একসঙ্গে চাষ' শীর্ষক আলোচনায় বক্তারা এ কথা বলেন।
কোয়াজুলু-নাটাল কৃষি ইউনিয়নের (কোয়ানালু) প্রধান নির্বাহী স্যান্ডি লা মার্ক জানান, প্রায় এক দশকে তাদের কর্মসূচিতে ৭,৬০৭ জন প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, ৭৫০ জন কৃষিকাজে নিয়োগ পেয়েছেন এবং ৬,৪৮০টি ব্যবসা গড়ে উঠেছে বা বিস্তৃত হয়েছে; ২০,১৯০টি কর্মসংস্থান হয়েছে। প্রশিক্ষণের দুই-তিন মাস পর ৪৫ জন উদ্যোক্তার মূল্যায়নে আর্থিক সাক্ষরতা ২৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫৮ শতাংশ এবং নিয়মিত বাজেট করা উদ্যোক্তা ৬৭ থেকে ৯৬ শতাংশ হয়েছে।
এফএনবির এসএমই ব্যবসা উন্নয়ন প্রধান জ্যানিস রবসন বলেন, কৃষিঋণের আবেদন বিচারে ব্যাংক উৎপাদনের পরিমাণের বাইরে হিসাবের খাতা, নগদ প্রবাহের প্রক্ষেপণ, বাজারে প্রবেশ ও ঝুঁকি বোঝার সামর্থ্য দেখে। 'সাফল্য ক্রমেই নির্ভর করছে কে মুনাফার ব্যবধান আর নগদ প্রবাহ সামলাতে পারে তার ওপর,' বলেন তিনি; ব্যক্তিগত ও ব্যবসার টাকা আলাদা রাখার পরামর্শ দেন। এফএনবির বার্ট্রাম জুলাই ঋণের প্রয়োজনের আগেই ব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার তাগিদ দেন।
ডান্ডির পশুপালক শেকস শাবালালা ২০১৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিরক্ষা বাহিনী ছেড়ে ইজারা জমিতে খামার বাড়াতে শুরু করেন। হিসাব হালনাগাদ না থাকায় ব্যাংক ঋণ পাননি। পরে এক বাণিজ্যিক খামারির সঙ্গে বাছুর সরবরাহের চুক্তি করেন এবং দফায় দফায় বাছুর দিয়ে একটি খামারের দাম শোধ করে মালিক হন। এখন তিনি ছাগল ও ভেড়াও পালেন, পরিবারের সদস্যরা মুরগি ও সবজি চাষ করেন।
জুলু গার্ল ওয়াইনসের সহপ্রতিষ্ঠাতা স্যান্ডি গুমেডে মনে করিয়ে দেন, বিক্রি মানেই নগদ টাকা নয়: 'সামাজিক মাধ্যমে ২০০ লাইক মানে ব্যাংকে টাকা নয়।' নিজের টাকায় শুরু করা তাঁর ব্যবসা একজন প্রতিষ্ঠিত উৎপাদকের সহায়তায় পণ্য ও বাজারে জায়গা পেয়েছে।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন ফার্মার্স উইকলির হেনিং নডে।
সূত্র: ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকা




মন্তব্য
(০)