থাইল্যান্ডের বিনিয়োগ টানতে কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হালাল খাদ্য উৎপাদন এবং দুই দেশের যৌথ উৎপাদন নেটওয়ার্কে জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ। সোমবার (১২ অক্টোবর) থাইল্যান্ডে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ২০২৬ সালের বার্ষিক সভায় অংশ নিতে গিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। জাগো নিউজের প্রতিবেদক সাঈদ শিপন খবরটি দিয়েছেন।
তিনি জানান, থাই চেম্বারের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় খাতগুলো তুলে ধরা হয়েছে, আর বিশেষ করে কৃষিজাত ও হালাল খাদ্যপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে থাই বিনিয়োগকারীরা আগ্রহ দেখিয়েছেন। থাইল্যান্ডের রেনং বন্দর ও চট্টগ্রাম বন্দরের মধ্যে সমুদ্রপথের যোগাযোগ বাড়িয়ে বাণিজ্য সম্প্রসারণ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
উপদেষ্টার মতে, মৌসুমে আম, কাঁঠাল, লিচুসহ নানা কৃষিপণ্যের সরবরাহ বেশি থাকলেও পর্যাপ্ত হিমাগার ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধার অভাবে অনেক পণ্য নষ্ট হয়, আর কৃষক অনেক সময় ন্যায্য দাম পান না। এসব পণ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করে দেশি-বিদেশি বাজারে বিক্রির সুযোগ রয়েছে। এ ধরনের বিনিয়োগ রপ্তানি আয়ের পাশাপাশি কৃষকের পণ্যের বাজার বাড়াবে, অপচয় কমাবে এবং গ্রামে কর্মসংস্থান তৈরি করবে বলে মনে করেন তিনি।
যৌথ উৎপাদন নেটওয়ার্কের ধারণা ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, কোনো পণ্যের প্রাথমিক উপকরণ বাংলাদেশে, মধ্যবর্তী পণ্য থাইল্যান্ডে তৈরি করে চূড়ান্ত পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করা যেতে পারে; আবার উল্টো পথেও কিছু পণ্যে সুযোগ আছে। এতে দুই দেশের শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরস্পরের পরিপূরক হবে এবং আঞ্চলিক সরবরাহব্যবস্থায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বাড়বে।
সরকারের লক্ষ্য শুধু থাইল্যান্ডের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো নয়, বরং উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থার সংযোগ গড়ে নতুন কর্মসংস্থান ও রপ্তানি বাড়ানো, বলেন উপদেষ্টা।
ছবি: State Library of Queensland / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: জাগো নিউজ ২৪





মন্তব্য
(০)