সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

মাঠ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে কাকতাড়ুয়া, তবু সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনায় এখনো কাজের

বাঁশ, খড়, পুরোনো জামা আর মাটির হাঁড়িতে গড়া কাকতাড়ুয়া একসময় প্রায় প্রতিটি খেতে দাঁড়িয়ে থাকত। কীটনাশক আর যন্ত্রের যুগে তা বিরল, তবে কৃষিবিদেরা বলছেন বীজ বপন ও ধান পাকার মৌসুমে এটি এখনো কিছুটা কার্যকর।

মাঠ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে কাকতাড়ুয়া, তবু সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনায় এখনো কাজের
ফসল

সবুজ ধানখেতের মাঝে দুই হাত মেলে দাঁড়িয়ে থাকা খড়ের মানুষ, মাথায় মাটির হাঁড়ি, গায়ে পুরোনো শার্ট: কাকতাড়ুয়া একসময় বাংলার মাঠের পরিচিত দৃশ্য ছিল। জাগো নিউজের এক প্রতিবেদন বলছে, আধুনিক কৃষির প্রসারে খেতের এই নীরব প্রহরী এখন অনেক জায়গায় হারিয়ে যেতে বসেছে।

কৃষকের কাছে কাকতাড়ুয়া ছিল ফসল রক্ষার সহজ ও সস্তা উপায়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর ইতিহাস খ্রিস্টপূর্ব ৩১০০ সালের মিসরে, যখন নীলনদের অববাহিকার কৃষকেরা পাখির হাত থেকে গম বাঁচাতে খেতে ভয়ালদর্শন কাঠামো দাঁড় করাতেন।

বানানোর পদ্ধতি সহজ ও পরিবেশবান্ধব: কয়েকটি বাঁশে মানুষের শরীরের কাঠামো, খড় দিয়ে আকৃতি, মাথায় মাটির হাঁড়ি বা খড়ের গোলা, হাঁড়িতে চুন বা কয়লায় চোখ-নাক-মুখ আঁকা, গায়ে পুরোনো শার্ট, গেঞ্জি বা লুঙ্গি। এরপর খেতের মাঝখানে পুঁতে দেওয়া হয়। দূর থেকে মানুষ ভেবে কাক, শালিক, বক, ঘুঘুসহ নানা পাখি নামতে সাহস পায় না।

কৃষিবিদদের মতে, স্থির দাঁড়িয়ে থাকা কাকতাড়ুয়া পাখিদের মধ্যে মানুষের উপস্থিতির ধারণা তৈরি করে, বিশেষ করে বীজ বপনের পর আর ধান পাকার মৌসুমে এটি কিছুটা কাজ দেয়। ইঁদুর ও কিছু নিশাচর প্রাণীও সতর্ক থাকে। তবে একই জায়গায় দীর্ঘদিন একই কাকতাড়ুয়া থাকলে পাখিরা বুঝে ফেলে এটি নকল; তাই মাঝেমধ্যে জায়গা বা পোশাক বদলালে কার্যকারিতা বাড়ে। জমিকে কুদৃষ্টি থেকে রক্ষার লোকবিশ্বাসের অবশ্য বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

বরগুনার তালতলীর প্রবীণ কৃষক আব্দুল আলী জানান, নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত দেশের বেশির ভাগ গ্রামে কাকতাড়ুয়ার ব্যাপক ব্যবহার ছিল। উচ্চফলনশীল জাত, রাসায়নিক কীটনাশক, শব্দ বা বিদ্যুৎচালিত পাখি তাড়ানোর যন্ত্রের প্রসারে তা ধীরে ধীরে কমে গেছে। এখন মাঠে কালেভদ্রে একটি-দুটি চোখে পড়ে।

কৃষি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে কাকতাড়ুয়ার মতো কম খরচের দেশীয় কৌশল এখনো কিছু ক্ষেত্রে কার্যকর, এতে রাসায়নিকের ব্যবহারও কিছুটা কমানো যায়। প্রতিবেদনটি লিখেছেন খায়রুল বাশার আশিক।

ছবি: অন্ধ্রপ্রদেশের নেল্লোরে খেতে কাকতাড়ুয়া, YVSREDDY / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

শ্রীমঙ্গলে প্রথমবার বাণিজ্যিক তুলা চাষ, সাড়ে চার কেয়ারে ৬০ মণ ফলনের আশা

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের সাইটুলা গ্রামে কৃষক তাপস কুমার কুর্মী পরীক্ষামূলকভাবে ‘সিবি হাইব্রিড-১’ জাতের তুলা চাষ করেছেন। তুলা উন্নয়ন বোর্ড আগামীতে প্রায় ৩০০ বিঘায় চাষের পরিকল্পনা নিয়েছে।

এগ্রিকেয়ার২৪২৮ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
গ্যালারি

অর্ণবে তছনছ অন্ধ্রের উপকূল, পাকা ধান আর জেলেদের নৌকায় ক্ষতি

ঘূর্ণিঝড় অর্ণব বুধবার ভোরে নরসাপুরের কাছে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল অতিক্রম করেছে। কোনাসীমায় প্রায় ছয় হাজার বিদ্যুতের খুঁটি উপড়েছে, গোদাবরী অঞ্চলে পাকার মুখে ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে, সাগরে যেতে পারছেন না জেলেরা।

এই সময়২৮ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

তেলেঙ্গানার ৩৬৫ মণ্ডলে খরা ঘোষণা, খরিফে ধানের আবাদ কমেছে ১৮ শতাংশ

মৌসুমি বৃষ্টিতে ১৭ শতাংশ ঘাটতি পেয়ে রাজ্যটি কৃষি উপকরণ সহায়তা, পশুখাদ্য ও খাবার পানির নির্দেশ দিয়েছে এবং কেন্দ্রের কাছে ২০ হাজার কোটি রুপির ত্রাণ চেয়েছে।

Rural Voice২৮ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)