নকল, ভেজাল, অবৈধ ও অননুমোদিত কৃষি উপকরণের বিস্তার ঠেকাতে কেন্দ্রীয় টাস্কফোর্স গঠন এবং মাঠপর্যায়ে নজরদারি জোরদারের দাবি উঠেছে রাজশাহীর এক আলোচনা সভায়। কৃষি খাতের প্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকেরা এই আহ্বান জানান।
রোববার (১১ অক্টোবর) রাজশাহীর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে সভাটির আয়োজন করে বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল জার্নালিস্টস ফোরাম (বিএজেএফ) ও সিনজেনটা বাংলাদেশ লিমিটেড। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. গোপাল দাস; মূল আলোচনা উপস্থাপন করেন সিনজেনটার করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন, এসব উপকরণে কৃষক আর্থিক ক্ষতিতে পড়েন, আর তা কৃষি উৎপাদন, খাদ্যনিরাপত্তা, পরিবেশ ও দেশের অর্থনীতির জন্যও হুমকি। সমস্যা মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও কৃষকদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
প্রধান অতিথি রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী ঈশা বলেন, কৃষকদের নকল ও ভেজাল উপকরণ দিয়ে প্রতারণা করা মানে দেশের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত করা। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জেলা ও উপজেলায় নিয়মিত সচেতনতা কর্মসূচি এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদারের আহ্বান জানান তিনি।
সভায় চারটি বিষয়ে জোর দেওয়া হয়: কেন্দ্রীয় টাস্কফোর্স গঠন, বাজার তদারকি জোরদার, অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং কৃষক ও উপকরণ বিক্রেতাদের প্রশিক্ষণ।
সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীর আঞ্চলিক সহকারী বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা কৃষিবিদ আবু সাদাত মোহাম্মদ তোয়াব। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন। রাজশাহী কৃষি তথ্য অফিস, স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠন ও রাজশাহী চেম্বারের প্রতিনিধিরাও বক্তব্য দেন।
ছবি: T. R. Shankar Raman / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: দেশ রূপান্তর





মন্তব্য
(০)