সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৩ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৪°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৭৭%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

এক বছর আগেই এল নিনোর পূর্বাভাস কতটা ভরসার, বোঝার উপায় পেলেন বিজ্ঞানীরা

সিএসআইআরও ও মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাড়ে সাত হাজারের বেশি পূর্বাভাস বিশ্লেষণে দেখা গেছে, লা নিনার সময় শুরু করা পূর্বাভাস ১২ মাস পরেও নির্ভরযোগ্য থাকে; এতে কৃষক ও সরকার আগেভাগে সতর্কবার্তা পেতে পারে।

এক বছর আগেই এল নিনোর পূর্বাভাস কতটা ভরসার, বোঝার উপায় পেলেন বিজ্ঞানীরা
পরিবেশ

অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় বিজ্ঞান সংস্থা সিএসআইআরও এবং মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা এমন কিছু অবস্থা চিহ্নিত করেছেন, যাতে কিছু এল নিনো ও লা নিনা এক বছর আগেই পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব। সাধারণত প্রায় ছয় মাস আগে এগুলোর ভরসাযোগ্য পূর্বাভাস দেওয়া যায়, নতুন পদ্ধতিতে সময়টা দ্বিগুণ।

নয়টি দেশের জলবায়ু মডেলের এল নিনো-সাউদার্ন অসিলেশনের (এনসো) সাড়ে সাত হাজারের বেশি পুরোনো পূর্বাভাস বিশ্লেষণ করে দলটি দেখেছে, পূর্বাভাস শুরুর সময় প্রশান্ত মহাসাগর কোন অবস্থায় ছিল, এল নিনো, লা নিনা নাকি নিরপেক্ষ, তা থেকেই বোঝা যায় ১২ মাস পর সেই পূর্বাভাস কতটা নির্ভরযোগ্য হবে। লা নিনার সময় শুরু করা পূর্বাভাস এক বছর পরেও ধারাবাহিকভাবে ভালো ফল দিয়েছে, আর নিরপেক্ষ অবস্থা থেকে শুরু করা পূর্বাভাস ছিল অনেক কম নির্ভরযোগ্য। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে সায়েন্স অ্যাডভান্সেস সাময়িকীতে।

প্রধান লেখক, সিএসআইআরওর জ্যেষ্ঠ গবেষক ড. নন্দিনী রমেশ বলেন, কোন পূর্বাভাস বেশি আস্থার যোগ্য তা চিহ্নিত করে মানুষকে অনেক আগে এল নিনো সম্পর্কে সতর্ক করা সম্ভব হতে পারে। তবে পূর্বাভাস সংস্থাগুলোর মডেলে এই ফল কাজে লাগাতে এখনো কয়েক ধাপ বাকি বলে তিনি জানান।

গবেষণাটি এমন সময়ে এল, যখন প্রশান্ত মহাসাগরে চলতি এল নিনো আরও শক্তিশালী হচ্ছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার মহাসচিব সেলেস্তে সাওলো এ সপ্তাহে বলেন, এবারের এল নিনো নজিরবিহীন শক্তির হতে পারে এবং এর প্রভাব ২০২৭ সাল পর্যন্ত গড়াবে। জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক প্রধান টম ফ্লেচার একে তাপ, খরা ও বন্যার 'ধ্বংসযজ্ঞ' বলে বর্ণনা করেছেন।

আগাম সতর্কতা সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে পানি ও কৃষিতে। ফ্রান্সের সিএনআরএসের গবেষণা পরিচালক দাভিদে ফারান্দা বলেন, সরকার পানি সংরক্ষণ ও বণ্টনে আরও সতর্ক হতে পারে, জলাধার ও ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবস্থাপনা করতে পারে, চাষের সময়সূচি ও সেচ পদ্ধতি বদলাতে পারে এবং খরা বা বন্যার জন্য মানুষকে প্রস্তুত করতে পারে। তাঁর মতে, কৃষকেরা বপনের তারিখ বদলে, দিনের ঠান্ডা সময়ে সেচ দিয়ে, খরার আগে পানি জমিয়ে এবং ফসল ও গবাদিপশুকে তীব্র গরম থেকে রক্ষা করে ক্ষতি কমাতে পারেন।

এল নিনো থামানো যায় না, তবে ফারান্দা মনে করিয়ে দেন, উষ্ণ হয়ে ওঠা জলবায়ু এর প্রভাব বাড়িয়ে দিচ্ছে: শীতল করা লা নিনা থাকা সত্ত্বেও ২০২৫ সাল ছিল রেকর্ডের তৃতীয় উষ্ণতম বছর, ২০১৬ সালের এল নিনোর বছরের চেয়েও গরম।

ছবি: NOAA / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

সূত্র: ইউরোনিউজ

ইউরোনিউজসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

দৈনন্দিন

ঘরের গাছ কি সত্যিই বাতাস সতেজ রাখে? জানালা খোলাই বেশি জরুরি

লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের অধ্যাপক জন ট্রেগনিং বলছেন, একটি গাছ দিনে কয়েক লিটার অক্সিজেন দেয় আর মানুষের লাগে প্রায় ৫০০ লিটার; ঘরের বাতাস ভালো রাখতে বায়ু চলাচলই বেশি কাজের, তবে গাছ মনে স্বস্তি দেয়।

বাংলা ট্রিবিউন২৪ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

আশ্বিনেই নেমে গেছে হাওরের পানি, বোরো বীজতলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় শাল্লার কৃষক

সুনামগঞ্জের শাল্লায় এবার কার্তিকের বদলে আশ্বিনেই হাওরের পানি নেমে যাওয়ায় বোরোর জমি শুকিয়ে যাচ্ছে; বীজ বোনার আগেই মাটি শক্ত হয়ে বাড়তি সেচ লাগতে পারে বলে আশঙ্কা কৃষকদের।

মানবজমিন২৪ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

ছয় ঋতুর চেনা রূপ ম্লান হচ্ছে, চাপে ধানের মাঠ থেকে মানুষের স্বাস্থ্য

প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক মো. ছানাউল্লাহ লিখেছেন, তাপ ও বৃষ্টির ছন্দ বদলে ঋতুর চেনা বৈশিষ্ট্য আর কৃষির সময়সূচি দুটোই বদলাচ্ছে; সমাধান শুরু করতে হবে বিজ্ঞানের তথ্যকে মাঠের সিদ্ধান্তে যুক্ত করে।

প্রথম আলো২৪ অক্টোবর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)