নাইজেরিয়া ও তানজানিয়ায় মৎস্য ও মাছচাষ খাতে ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে নারী ও তরুণদের জন্য ২৫,০০০ কাজ তৈরি বা সম্ভব করার লক্ষ্যে একটি উদ্যোগ শুরু করেছে আন্তর্জাতিক মৎস্য গবেষণা সংস্থা ওয়ার্ল্ডফিশ।
প্রকল্পটি নারী ও তরুণদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচির অংশ, যা আফ্রিকান কন্টিনেন্টাল ফ্রি ট্রেড এরিয়া (এএফসিএফটিএ), ট্রেডমার্ক আফ্রিকা ও মাস্টারকার্ড ফাউন্ডেশনের অংশীদারত্বে চলছে। বৃহত্তর কর্মসূচিটির লক্ষ্য ২০২৮ সালের মধ্যে প্রায় ২,৪২,০০০ নারী ও তরুণের কাজ তৈরি বা উন্নত করা এবং আঞ্চলিক মাছের বাণিজ্য ১০ কোটি ডলার বাড়ানো।
মাছচাষির সবচেয়ে বড় খরচগুলোর একটি খাদ্য, বিশেষ করে উপকরণ বা তৈরি খাদ্য আমদানি করতে হলে। তাই প্রকল্পটি স্থানীয় উপকরণে কম খরচের খাদ্যের সূত্র তৈরি ও পরীক্ষা করবে এবং নারী ও তরুণদের খাদ্য তৈরির ব্যবসায় সহায়তা দেবে। পাশাপাশি হ্যাচারি ও খামার শক্তিশালী করা, জলবায়ু-সহনশীল উৎপাদন পদ্ধতি দেখানো, চাষি ও তরুণ সেবাদাতাদের প্রশিক্ষণ, উন্নত শুকানো ও ধোঁয়া দেওয়ার প্রযুক্তি, হিমশৃঙ্খল জোরদার এবং মাছের বর্জ্য থেকে পণ্য তৈরির উদ্যোগে সহায়তা দেওয়া হবে। ডিজিটাল সেবা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্ব প্রশিক্ষণ, বাজার ও ঋণে প্রবেশ বাড়াবে।
ওয়ার্ল্ডফিশের নাইজেরিয়া প্রতিনিধি ড. চার্লস ইয়াংবে (Charles Iyangbe) বলেন, মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ, কেনাবেচা ও বিতরণে নারী ও তরুণদের ভূমিকা অপরিহার্য, কিন্তু প্রায়ই তাঁরা কম লাভের কাজেই আটকে থাকেন। ওয়ার্ল্ডফিশের হিসাবে আফ্রিকার মাছের বাজার বছরে প্রায় ২২০ কোটি ডলারের; পাঁচটি আফ্রিকান দেশের ৩৫ বছরের তথ্য নিয়ে তাদের গবেষণায় মৎস্য ও মাছচাষের উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে মাথাপিছু জিডিপি বৃদ্ধির সম্পর্ক পাওয়া গেছে।
প্রকল্পটি চলবে তানজানিয়ায় এবং নাইজেরিয়ার আকওয়া ইবোম, ক্রস রিভার, ডেল্টা, লাগোস, ওগুন ও ওন্ডো রাজ্যে। ইবাদানে সূচনা কর্মশালার পর এখন ভিত্তি জরিপ, অংশীদারত্ব চূড়ান্ত করা ও অংশগ্রহণকারী বাছাইয়ের কাজ হবে।
ছবি: Karen Fasimpaur / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: ওয়ার্ল্ডফিশ





মন্তব্য
(০)