২৬ আগস্ট কাঠমান্ডুর উত্তরে ভোটে কোশী ও ত্রিশূলী নদী অববাহিকার ১১টি পৌর এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে এক হাজারের বেশি মানুষ মারা যান এবং ফসল ও গবাদিপশুর ব্যাপক ক্ষতি হয়; এসব এলাকার কৃষকদের ঘুরে দাঁড়াতে দীর্ঘ সময় লাগবে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)। খবর গ্লোবাল অ্যাগ্রিকালচারের।
এ মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এফএও জানায়, প্রায় ১,৮০০ হেক্টর কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার বেশির ভাগই কাটার কাছাকাছি ধানক্ষেত; আনুমানিক ৭,৭০০ টন ধান নষ্ট হয়েছে। দুর্যোগের আগে এলাকাগুলোতে সাড়ে ৩ লাখের বেশি গরু, মহিষ, ভেড়া ও ছাগল এবং প্রায় ১৬ লাখ হাঁস-মুরগি ছিল; এর ৫ থেকে ১০ শতাংশ ভেসে গেছে বা মারা গেছে বলে এফএও-র প্রাক্কলন।
এফএও-র উপমহাপরিচালক বেথ বেকডল বলেন, "কৃষক পরিবারের কাছে এই ক্ষতি শুধু এবারের ফসলের নয়। একটি ফসল হারানো মানে পরের মৌসুমের উৎপাদন আর পরের মাসের আয় হারানো।"
খাড়া, সরু উপত্যকায় অল্প সমতল জায়গায় জমি, রাস্তা ও গ্রাম ঠাসাঠাসি; নদী ফুঁসে উঠলে পানি ছড়িয়ে পড়ার জায়গা থাকে না, সরাসরি খেত ও গ্রামে আঘাত হানে। প্রতিবেদন অনুযায়ী হাজারো মানুষ এখনো নিখোঁজ।
পরবর্তী রোপণ মৌসুমের আগেই কৃষকের হাতে বীজ, কৃষি উপকরণ ও পশুখাদ্য পৌঁছে দেওয়াই এফএও-র জরুরি সাড়ার মূল লক্ষ্য; পুরো পরিকল্পনার খরচ এখনো জানায়নি সংস্থাটি।
সূত্র: Global Agriculture



মন্তব্য
(০)