সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৪ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

সিরাজগঞ্জে ৮৬ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ

সিরাজগঞ্জে এবারও সরিষা চাষে বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকেরা। গত মৌসুমে ভালো দাম ও চলতি মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা পাওয়ায় জেলায় এবার সরিষার চাষ বেড়েছে। চলতি মৌসুমে জেলায় এবার ৮৬ হাজার ৪৬০ হেক্টর জমিতে কৃষকেরা সরিষা চাষ করেছেন। কৃষকেরা জানান, গত বছর আশানুরূপ দাম পাওয়ায় এবং কৃষি বিভাগ সরিষা চাষে প্রণোদনা দেও

সিরাজগঞ্জে এবারও সরিষা চাষে বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকেরা। গত মৌসুমে ভালো দাম ও চলতি মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা পাওয়ায় জেলায় এবার সরিষার চাষ বেড়েছে। চলতি মৌসুমে জেলায় এবার ৮৬ হাজার ৪৬০ হেক্টর জমিতে কৃষকেরা সরিষা চাষ করেছেন। কৃষকেরা জানান, গত বছর আশানুরূপ দাম পাওয়ায় এবং কৃষি বিভাগ সরিষা চাষে প্রণোদনা দেওয়ায় এবার তারা সরিষা চাষে আগ্রহী হয়েছেন। এ বছর জেলায় সরিষা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার মেট্রিক টন।

৯ ডিসেম্বর সকালে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শামিনুর ইসলাম জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, এবার জেলার ৯টি উপজেলায় ৮৬ হাজার ৪৬০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। যদিও এ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯০ হাজার হেক্টর। তবে বিগত বছরের তুলনায় এবার ১ হাজার ২৯০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ বেড়েছে। এ বছর কৃষি কর্মসূচির আওতায় ৮২ হাজার ৬০০ জন কৃষককে প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে ৭১ হাজার কৃষকই সরিষা চাষে প্রণোদনা নিয়েছেন।

গত বছর ২ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছিলেন রায়গঞ্জ উপজেলার খামারগাতী গ্রামের কৃষক জব্বার সেখ। বিঘাপ্রতি তার খরচ হয়েছিল ৫-৬ হাজার টাকা। ফলন পেয়েছিলেন ১২ মণ। প্রতি মণ সরিষা ৩ হাজার দরে ৩৬ হাজার টাকায় বিক্রি করেছিলেন।

জব্বার সেখ জাগো নিউজকে বলেন, 'গত বছর সরিষা চাষে আশানুরূপ লাভ হওয়ায় এবার ৪ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করছি। আশা করছি এবারও ভালো ফলন ও ভালো দাম পাবো।'

তিনি আরও বলেন, 'আগে অনেক কৃষক সরিষা চাষ করতেন। আশানুরূপ দাম না পাওয়ায় তারা চাষ কমিয়ে দিয়েছিলেন।' বাজারদর ৩ হাজার টাকার বেশি থাকলে কৃষকেরা সরিষা চাষে আরও বেশি উৎসাহী হবেন বলে মন্তব্য করেন এ কৃষক।

উল্লাপাড়া উপজেলার কৃষক মনিরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, 'গত বছর ৪ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছিলাম। এ বছর ১০ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। কৃষি বিভাগ থেকে বীজ ও সার প্রণোদনা দিয়েছে। গত বছর সরিষার ফলন ভালো ছিল, দামও ভালো পেয়েছি।'

এবার প্রতি বিঘা জমিতে ৬-৭ মণ সরিষা পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন তিনি। মনিরুল ইসলাম আরও বলেন, 'গত বছর সরিষার পরে বোরো লাগানোর কারণে ধানের ফলনও ভালো হয়েছিল।'

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল মমিন জাগো নিউজকে বলেন, 'দাম পাওয়া যায় না বলে সরিষা চাষ ছেড়ে দিয়েছিলাম। গত বছর ১ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছিলাম, দাম ভালো পেয়েছি। তাই এবার ২ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করছি।'

সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আ. জা. মু. আহসান শহীদ সরকার জাগো নিউজকে বলেন, 'সরিষা ৩ মাস মেয়াদি ফসল। কৃষক কম খরচ ও কম পরিশ্রমে সরিষা চাষ করতে পারেন। বর্তমানে সরিষা চাষ কৃষকের কাছে লাভজনক ফসলে পরিণত হয়েছে। এবার জেলার ৭১ হাজার কৃষককে সরিষা বীজ ও সার প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। গত বছর সরিষার আশানুরূপ ফলন ও দাম পাওয়ায় কৃষকেরা উৎসাহী হয়েছেন। সরিষা চাষ কৃষির জন্য শুভ বার্তা। সরিষা চাষ একদিকে যেমন মাটির উর্বরতা বাড়ায়; অন্যদিকে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।'

এম এ মালেক/এসইউ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোবিজ

"বাজেট দেখান": কৃষি গবেষণায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কম ব্যয় নিয়ে ফান শেংগেনের তোপ

সিঙ্গাপুরের সম্মেলনে ইফপ্রির সাবেক মহাপরিচালক বলেছেন, এই অঞ্চলের সরকারগুলো খাদ্য নিরাপত্তার কথা বলে, কিন্তু কৃষি গবেষণায় ভারত বা চীনের চেয়েও কম খরচ করে।

AgNavigator৪ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

ইউরোপে এক বছরে দুগ্ধখামারের খাদ্য খরচ বাড়ল ২৬ শতাংশ, দুধের দাম নিম্নমুখী

মার্কিন কৃষি বিভাগের বৈদেশিক কৃষি সেবার তথ্যে, দানাশস্য ও তেলবীজের দামে ইউরোপের খামারিদের খরচ বেড়েছে; মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে সার ও জ্বালানির চাপও যোগ হয়েছে।

The Cattle Site৪ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

যশোরে খেজুরের গুড়ের মৌসুম শুরু: উৎপাদনের দাম ১১১ কোটি টাকা, তবু গাছির অভাব

জিআই স্বীকৃত যশোরের খেজুরের গুড় ঘিরে নতুন মৌসুমে প্রস্তুতি শুরু। সাড়ে ২২ লাখ গাছের মধ্যে রস মেলে সোয়া তিন লাখের কিছু বেশি থেকে। গাছির সংকট, গাছ নিধন ও কম মজুরিতে পেশাটি ধুঁকছে।

বাংলা নিউজ ২৪৪ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)